Thursday, February 4, 2016

আগামীকাল বইমেলায় আসছে 'ফারিয়া মুরগির বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে'

এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে গল্পকার মেহেদী উল্লাহ'র তৃতীয় গল্পের বই 'ফারিয়া মুরগির বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে।' সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত-সমালোচিত এ বইটি শুক্রবার দুপুর থেকে চৈতন্য প্রকাশনের ১৫৬ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শিবু কুমার শীল। পাঠক বইটি ১০০ টাকায় ক্রয় করতে পারবেন।

লেখক মেহেদী উল্লাহ বলেন, 'কিছু লেখা নিজে থেকেই লেখকের জীবনের দুঃসময়ের অপেক্ষা করে, সে সময়েই তারা জন্ম নিতে চায়, এতেই তাদের সার্থকতা। এমনও দিনের গল্পগুলোর বই ফারিয়া মুরগির বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে।' তিনি আরো জানান, বইটিতে ১০ টি গল্প আছে, তিনি চেষ্টা করেছেন পাঠকদের নতুনদিনের, নতুন সময়ের নতুন গল্প বলতে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আছে দুইটি গল্প। সব গল্পই জাতীয় দৈনিক ও অনলাইনে এরইমধ্যে প্রকাশিত।

চৈতন্য প্রকাশনের প্রকাশক রাজীব চৌধুরী জানান, এবার আমরা যে ক'টি বই সর্বাধিক প্রিন্ট করছি তার মধ্যে মেহেদী উল্লাহ'র 'ফারিয়া মুরগির বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে' অন্যতম। কেন না বইটি প্রকাশের আগেই আলোচনায় চলে এসেছে। শুনেছি ব্লগে, ফেসবুকে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই পাঠকদের বইটির প্রতি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গল্পকার মেহেদী উল্লাহ তিরোধানের মুসাবিদা গল্পগ্রন্থের পাণ্ডুলিপির জন্য পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০১৩। ২০১৫ বইমেলায় শুদ্ধ্বস্বর থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ 'রিসতা'।
Share:

৭ বছরেই বুড়ি আর ১৮ মাসে বুড়ো!



অঞ্জলি কুমারীর বয়স মাত্র সাত বছর। তার ভাই কেশব কুমারের বয়স ১৮ মাস। কিন্তু তাদের দেখে কেউ তাদের শিশু বলে ঠাহর করতে পারবেন না। তাদেরকে দেখতে বৃদ্ধ মানুষের মতো। গায়ের চামড়া ঝুলে পড়েছে বুড়ো মানুষের মতো। মুখের চামড়া, চেহারায় পড়েছে বার্ধক্যের ছাপ। কেন এমন হচ্ছে এর কোনো উত্তর নেই তাদের কাছে, তাদের অভিভাবকদের কাছে। তবে চিকিৎসকরাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রোগের কোনো চিকিৎসা নেই। 
ফলে শৈশবেই তাদের বৃদ্ধদের মতো দিনকাল কাটাতে হবে। তাদের সমবয়সীরা তাদেরকে দাদিমা বা দাদা বলে ডাকে। এতে ভীষণ কষ্ট হয় অঞ্জলি কেশবের। হলিউডেবেঞ্জামিন বাটনছবিতে ব্রাড পিটকে এমনভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। ঠিক তার মতো দেখতে হয়েছে ওরা দুজন।দ্য কিউরিয়াস কেস অব বেঞ্জামিন বাটন’- ব্রাড পিট জন্মগ্রহণ করেছিলেন একজন বৃদ্ধ হিসেবে। তারপর তিনি বয়সের স্বাভাবিক নিয়মের উল্টো দিকে যেতে থাকেন। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি শৈশবের বয়স, মুখাবয়ব ফিরে পেতে থাকেন। অঞ্জলি কেশবের বাড়ি ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাচিতে।  

অবস্থার জন্য তারা তো দায়ী নয়! তবু রাস্তায় বেরুলে তাদেরকে নিয়ে ঠাট্টা করে মানুষ। তারা কারো সঙ্গে মিশতে পারে না। অন্য শিশুরা যখন খেলায় মত্ত তখন তারা থাকে ঘরের কোণে বন্দি। কারণ, তারা খেলতে গেলেই তাদের তিরস্কার করা হবে। অঞ্জলি বলেছে, জানি আমার সমবয়সীদের তুলনায় আমি দেখতে অনেকটা অন্য রকম। আমার অন্য রকম মুখমণ্ডল। শরীরের ত্বকের গঠন ভিন্ন। দেখতে দাদি, নানিদের মতো। সারা বিশ্বের শিশুদের দেখতে যেখানে স্বাভাবিক, তখন আমাদের দেখলে মানুষ হাসে। 

সব সময় তারা আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। খারাপ খারাপ কথা বলে। স্কুলের সহপাঠীরা আমাকে দাদিমা, বৃদ্ধা, বান্দর, হনুমান বলে ডাকে। এতে আমার খুব রাগ হয়। অন্য শিশুরা যেমন স্বাভাবিক ব্যবহার পায় অন্যদের থেকে আমিও তাই চাই। আমারও ইচ্ছে করে আমাকে আমার বোনের মতো সুন্দরী দেখাতে। পিতামাতা বলেন, একদিন আমি ভাল হয়ে যাবো। আমার জন্য আমার পরিবার দুর্ভোগ পোহাচ্ছে, বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছে এটা বুঝতে পেরে আমার খুব মন খারাপ হয়ে যায়। অঞ্জলি কেশব যে রোগে ভুগছে তার নাম কিউটিস লাক্সা। এটা জিনগত সমস্যা থেকে হয়। অঞ্জলি কেশবের পিতা শত্রুঘন রাজাক (৪০) মা রিঙ্কি দেবী (৩৫) অঞ্জলির বড় বোনের নাম শিল্পী (১১) সে সুস্থ আছে। তার মধ্যে রোগের কোনো লক্ষণ নেই। তার পিতা শত্রুঘন একজন লন্ড্রিম্যান। মাসে তার আয় মাত্র সাড়ে চার হাজার রুপি। তিনি বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখি একদিন আমাদের সন্তানরা সুস্থ হয়ে উঠবে। সমাজের সবাই আমার দুসন্তানকে দেখেই বুড়ো বলে সম্বোধন করে। এতে আমার হৃদয় ভেঙে যায়।  

স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে রোগের প্রতিকার পাওয়ার চেষ্টা করেছি। তারা বলেছেন, রোগের একমাত্র চিকিৎসা হতে পারে বিদেশে। রিঙ্কি যখন প্রথম সন্তান শিল্পীর মা হলেন তখন তারা সংসার গড়ে তোলায় মন দিলেন। কিন্তু অঞ্জলির বয়স যখন মাত্র ছয় মাস তখন তারা তাকে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সময়ে অঞ্জলি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। নিউমোনিয়া থেকে সুস্থ হওয়ার পর তার ত্বক শুকিয়ে যেতে থাকে। গায়ের চামড়া ঢিলে হতে থাকে। শিশুদের এমন রোগকে হাচিনসন-গিলফোর্ড প্রোগেরিয়া সিনড্রোম (এইচপিএস) নামেও অভিহিত করা হয়। চিকিৎসকরা বলছেন, জেনেটিক বিশৃঙ্খলতার জন্য এমন হয়ে থাকে। একটি শিশু দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধের মতো শারীরিক গঠন লাভ করে। বিশ্বজুড়ে প্রতি ৪০ লাখ শিশুর মধ্যে এমন রোগ দেখা যায় একজনের দেহে। এসব শিশু স্বাধারণত ১৩ বছরের বেশি বাঁচে না।  

চিকিৎসকদের মতে, একটি বিশেষ জিনের একটি এলোমেলো বিন্যাস বা কর্মকাণ্ডের জন্য শরীরে প্রোটিনের সরবরাহ অস্বাভাবিক হয়। এই প্রোটিনকে বলা হয় প্রোগেরিন। খুব সহজে তা ভেঙে যেতে থাকে। তাই জন্মের সময় সুস্থভাবে জন্ম নিলেও এমন জিনগত ত্রুটির কারণে প্রথম বছরের মধ্যেই ওইসব শিশুর দেহে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। প্রথমে যেসব সমস্যা প্রতীয়মান হয় তার মধ্যে রয়েছে- মাথার আকার বিশাল দেখায়। চোখও অনেক বড় বড় দেখায়। 

 নিচের চোয়াল ছোট দেখায়। নাক কিছুটা ঝুলে পড়ে। কান খাড়া হয়ে যায়। শিরা-উপশিরা দৃশ্যমান হয়। দাঁতের বৃদ্ধি খুব ধীর গতিতে হয়। চুল পড়ে যেতে থাকে। অঞ্জলির পিতা বলেন, আমরা একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই তাকে। তারা সাফ সাফ বলে দিয়েছে রোগের কোনো চিকিৎসা নেই। অঞ্জলির জীবন এক সৃষ্টিকর্তার হাতে। চিকিৎসকরা তাকে আরও বলে দেন, যদি তারা এর কোনো চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে পারেন তাহলে তাদেরকে জানাবেন। কিন্তু তারা আর যোগাযোগ করেননি। ওদিকে অঞ্জলি দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধ থেকে বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। অঞ্জলি জন্ম নেয়ার বছর পর শত্রুঘন রিঙ্কি সিদ্ধান্ত নেন আরেকটি সন্তান নেবেন তারা। নিলেনও। তার নাম রাখলেন কেশব। প্রথম থেকেই তারা লক্ষ্য করলেন অঞ্জলির মধ্যে যে সমস্যা দেখা দিয়েছে কেশবের মধ্যেও তা বিদ্যমান। শত্রুঘন বলেন, আমরা কেশবকে চিকিৎসকের কাছে নিই নি। কারণ, রোগের তো কোনো চিকিৎসা নেই। আমার পরিবার গরিব। বারবার চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সক্ষমতা আমার নেই। তারা তো অঞ্জলির জন্যই কিছু করতে পারলো না। তাহলে কেশবের কী করবে? মা রিঙ্কি বলেন, অঞ্জলির গা হাত পা সারাক্ষণ ব্যথা করে। তাই সব সময়ই তার পা ম্যাসাজ করে দিতে হয়।  

নিজের সন্তানের অবস্থা দেখে আমার বুক ভেঙে যায়। অঞ্জলি জানতে চায়, কবে সে তার বোনের মতো সুস্থ হবে। যাবৎ অঞ্জলি কেশবকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করিয়েছেন শত্রুঘন। তাতে তার মাসে খরচ হয়েছে ৫০০ রুপি। কিন্তু তাতে কোনো ফল আসছে না। কেউ যদি আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসতো! আমি বড় অসহায় হয়ে পড়েছি। যখন দেখি সন্তানের কোনো উপকারে আসতে পারছি না তখন ভীষণ কষ্ট লাগে। আমার সামনে তাদের বুড়ো হয়ে যেতে দেখছি। আর আমি কিছুই করতে পারছি না। আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন অলৌকিক কিছু একটা ঘটিয়ে দেন।
 
সূত্র: মানবজমিন
Share:

তানিয়ার পরকীয়ায় পুরো সিলেটে তোলপাড়!!


পরকীয়া প্রেমিককে নিয়ে হোটেলে রাত কাটিয়েছেন সিলেটের তানিয়া আক্তার। আর ঘটনাটি স্বামী দীপুর নজরে পড়লে প্রেমিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পরপর দুটি মামলা করেছেন স্বামীর বিরুদ্ধে। ২২ দিন জেলও খাটিয়েছেন স্বামীকে। এরপরও মান-সম্মান রক্ষার্থে দীপু স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। শেষে নিরুপায় হয়ে তিনি সিলেটের কোতোয়ালি থানায় করেছেন সাধারণ ডায়েরি। দায়ের করেছেন একটি মামলাও।

এই মামলায় এখন পলাতক তানিয়া ও প্রেমিক জয়নাল। সিলেটের তানিয়া আক্তার ও জয়নালের প্রেম, হোটেল কক্ষে অভিসারের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় চলছে। সামাজিক মাধ্যমেও ওই দুইজনের  প্রেম ও পরকীয়া নিয়ে তোলপাড় হয়েছে।

প্রায় বছর দেড়েক আগে জাকির হোসেন দীপুর সঙ্গে বিয়ে হয় তানিয়া আক্তারের। তানিয়া সিলেট নগরীর ১০৪ শাপলা ওসমানী মেডিকেল কলোনির আতাউর রহমানের মেয়ে। আতাউর রহমান ওসমানী মেডিকেল কলেজে কুকের কাজ করেন। অপরদিকে জয়নাল আবেদীন মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার ইসলাম নগরের বাসিন্দা।

সিলেট নগরীর মেন্দিবাগে শ্বশুরের বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন এবং বর্তমানে তিনি দুই সন্তানের জনক। তানিয়া ও তার পিতৃপরিবারের সঙ্গে বিভিন্ন কারণে পরিচয় হয় জয়নালের। এ পরিচয়ের সূত্র ধরে তানিয়া ও জয়নাল একসময় পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। দীপুর দায়ের করা জিডি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের আগস্ট মাসের প্রথমভাগে তানিয়া তার পিত্রালয়ে চলে গেলে আর স্বামীর ঘরে ফিরেনি।

 সেখানে থেকেই জয়নালের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক রেখে চলেছে সে। গত বছরের ১০ই সেপ্টেম্বর তানিয়া ও জয়নাল স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে নগরীর দরগাহ গেইটস্থ হোটেল ময়রুন নেছায় উঠে। ওই হোটেলের ১০৮ নং কক্ষ ভাড়া নিয়ে তারা একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়। এ সময় স্বামী জাকির ও অন্যদের হাতে তারা ধরা পড়লে সেখানে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলাও হয় সিলেট কোতোয়ালি থানায়। এর আগে নগরীর পশ্চিম দরগাহ গেইটস্থ হোটেল হলিসাইডেও একদিন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অবস্থান করে তানিয়া ও জয়নাল।

পরকীয়া সম্পর্কের এসব ঘটনা নিয়ে তানিয়া ও দীপু পরিবারের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হলে তানিয়ার পরিবার দীপুর বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে একাধিক মামলা করে। একটি মামলায় দীপু ২২ দিন কারাভোগও করেন। পরবর্তীতে আদালতে দীপুর দায়ের করা একটি মামলা থানায় রেকর্ড হলে ওই মামলায় বর্তমানে তানিয়া ও জয়নাল পলাতক রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে জাকির হোসেন দীপু সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় গিয়ে স্ত্রী তানিয়া ও তার পরকীয়া প্রেমিক  জয়নাল আবেদীন অভির বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগ দায়ের করেন। থানার ওসি সোহেল আহমদ অভিযোগ সাধারণ ডায়েরি করে একজন অফিসারের তদন্তে দিয়েছেন। সাধারণ ডায়েরির অভিযোগটি সিলেটের লামাবাজার ফাঁড়ির পুলিশ তদন্ত করছে। এব্যাপারে জাকির হোসেন দীপু জানিয়েছেন, ‘তানিয়া তার স্ত্রী। পিত্রালয়ে থাকা অবস্থায় তার প্রেমিক জয়নালকে নিয়ে দরগাহ গেইটের হোটেলে রাত যাপন করে। ওরা যখন  হোটেল কক্ষ থেকে বের হচ্ছিল তখন বিষয়টি আমার নজরে ধরা পড়ে। আর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে পরপর দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।’ এদিকে, রোববার আদালতে ছিল তানিয়ার দায়ের করা মামলার ধার্য তারিখ। ওই দিন জামিনে থাকা দীপু আদালতে  গেলেও মামলার বাদী তানিয়া আসেনি।

এ ব্যাপারে সিলেটের কোতোয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ফয়েজ আহমদ জানিয়েছেন, তানিয়া ও জয়নালের বিরুদ্ধে দীপু মামলা করেছেন। ওই মামলায় তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। ইতিমধ্যে জয়নাল ও তানিয়াকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও তাদের পায়নি। এদিকে, তানিয়ার প্রেমিক জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, তানিয়া নামের ওই মহিলাকে তিনি চিনেন না।

সূত্র: মানবজমিন
Share:

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের আরেকটি বিরল অর্জন

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের খেলোয়াড় রিচমন্ড মুতুম্বামিকে আউট করার পর মাধ্যমে সাকিবের মুকুটে যোগ হলো আরো একটি বিরল অর্জন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনেক সাফল্য অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাকিব আল হাসানের নাম ওয়াডেতে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার স্পর্শ করলেন দুর্দান্ত  এক মাইলফলক। প্রথম বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট শিকার।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে সাকিবের উইকেট ছিল ৩৯৯ টি। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে রিচমন্ড মুতুম্বামির উইকেটের পতন ঘটিয়ে এই কৃর্তিটা অর্জন করলেন তিনি।
ম্যাচে মোট চার ওভার বল করে ৩২ রান দিয়ে সাকিব শিকার করেছেন ৩টি উইকেট। বাঁহাতি এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকার ওয়ানডেতে-২০৬টি, তার পরে আছে টেষ্টে ১৪৭টি এবং টি-টোয়েন্টিতে তাঁর উইকেট শিকারের সংখ্যা এখন ৪৯টি। সব মিলিয়ে সাকিবের শিকার ৪০২টি উইকেট।


আরো একটি মাইল ফলকের কাছাকাছি সাকিবকে। আর মাত্র ১টি উইকেট পেলেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৫০ উইকেট শিকারের মালিক হবেন সাকিব। যা এখন পর্যন্ত স্পর্শ করতে পেরেছেন মাত্র নয়জন বোলার।

Share:

বই মেলায় ‘তনিমার সুইসাইড নোট’

তিথি, বেলা, শ্রাবণী, ফাইজাদের নিয়ে ১৪টি সহজপাঠ্য গল্পের অপূর্ব সমন্বয়তনিমার সুইসাইড নোটগল্পগ্রন্থটি। তরুণ লেখক মাহতাব হোসেনের লেখা এক অনবদ্য সৃষ্টি। সাবলিল ভাষায় লেখা এই বইটি মেলায় নিয়ে আসছে অনুপ্রাণন প্রকাশন।
 
বইটি পাওয়া যাবে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী অংশের ২৬৮ নম্বর স্টলে। বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন তৌহিন হাসান।

বইটি সম্পর্কে মাহতাব হোসেন বলেন, ‘অনেকগুলো অপূর্ণ গল্প ছিল। তিথি, বেলা, রুপা, দীপা, ফাইজাদের গল্প। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশের সময় অপূর্ণ রেখেছিলাম। এই বইয়ে গল্পগুলোকে শেষ করার চেষ্টা করেছি। সবগুলো গল্পকে নিজের ভাষায়, আমি যেভাবে অন্যের সঙ্গে কথা বলি সেভাবেই উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি সাবলীল প্রাঞ্জল করার। চেষ্টা করেছি দুর্বোধ্যতাকে এড়িয়ে যাওয়ার

`তনিমার সুইসাইড নোট` এই গল্পটি একেবারে ভিন্ন ধরণের জানিয়ে মাহতাব হোসেন বলেন, ‘মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থী তনিমা সুইসাইড করার পরিকল্পনায় সুইসাইড নলেখে, এই সুইসাইড নোটকে কেন্দ্র করে গল্পটি। তনিমা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী হলেও আমার মনে হয় অন্তত এই গল্পটা প্রত্যেক মেয়েদের পড়া দরকার। একই সাথে অভিভাবকদের জানা প্রয়োজন তাদের মেয়েদের ফিলিংসটা। চেষ্টা করেছি খুব কাছ থেকে গল্পগুলো বলার বর্তমানে মাহতাব হোসেন দৈনিক কালের কণ্ঠে সহসম্পাদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন