Saturday, January 9, 2016

ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে ভোট দিতে ক্লিক করুন



ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সাইট “ক্রিকইনফো” ২০১৫’র বর্ষসেরা পুরস্কারের মনোনয়ন ঘোষনা করেছে। বর্ষসেরাদের তালিকায় একাধিক বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। বর্ষসেরা অধিনায়ক বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, টেস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে তামিম ইকবাল, ওয়ানডে ব্যাটসম্যান তালিকায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ওয়ানডে বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন।




এছাড়া ও বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন মুস্তাফিজ। সাধারণ পাঠকেরা কেবল বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার বিভাগে ভোট দিতে পারবেন। ভোট দিতে হবে ক্রিকইনফোর ওয়েব ভোট দেওয়ার জন্য পাঠকদের নিচের লিংকটিতে ক্লিক করতে হবে—


লিংকটি খুললেই দেখবেন বর্ষসেরা উদীয়মান দশজন খেলোয়াড়য়ের ছবিসহ তালিকা। ২০১৫ এ তাঁদের পারফরম্যান্সও দেওয়া আছে। কম্পিউটার থেকে ঢুকলে প্রথম সারির ডানদিকে পাবেন মুস্তাফিজের ছবি। মোবাইল থেকে মুস্তাফিজের ছবি পাবেন দুই নম্বরে। সেখানে মুস্তাফিজের ছবিটিতে ক্লিক করে পেজের একবারে নিচে চলে যেতে হবে। সেখানে নিজ নিজ নাম ও নিজের ই-মেইল আইডি দিতে হবে।সবশেষ ‘Vote Now’ এ ক্লিক করলেই আপনার ভোট দেওয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে।
Share:

২০ দলীয় জোট ভাঙার চেষ্টা করছে আ.লীগ: মির্জা ফখরুল



ঢাকা: রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট ভাঙার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ, অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির কাউন্সিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এই অভিযোগ করেন।

গত ৭ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে নিজেদের কাউন্সিলে  ২০ দলীয় জোট ছাড়ার ঘোষণা দেন ইসলামী ঐক্যজোট। ঐদিন পরবর্তীতে ঐক্যজোটের একাংশের নেতারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক গুলশান কার্যালযে সংবাদ সম্মেলন করে তাঁরা বিএনপির জোটে থাকবেন বলে জানান।

ইসলামী ঐক্যজোট ২০ দলীয় জোট ছাড়ার ঘটনা ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে, যে আওয়ামী লীগ একটি পুরোনো রাজনৈতিক দল, সে আওয়ামী লীগকে এখন রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া একটি দলে পরিণত হয়েছে। তা না হলে একটি রাজনৈতিক দল অন্য একটি রাজনৈতিক জোটকে ভাঙার চেষ্টা করত না।
Share:

পাখির কলকাকলিতে মুখরিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

অতিথি পাখি
শিক্ষার্থীদের কলরব এবং পাখির কলতাণে মুখোরিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাস। পাখির কিচির-মিচির আওয়াজে ঘুম ভাঙে সবার। বলা চলে শীতের সময়ে যেখানে অতিথি পাখির সাথে বসবাসের দূর্লভ সূযোগ মেলে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসবাসীর।

সেই সুদূর সাইবেরিয়া থেকে আসা রকমারি প্রজাতির পরিব্রাজক পাখির বাহারি খেলায় মেতে ওঠা আকর্ষণীয় দৃশ্যে এখানের লেকগুলো জানান দিচ্ছে হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এক অনন্য প্রকৃতির গ্রাম বাংলার চিরচেনা সেই প্রাচীন রুপসী গ্রামীণ দুর্লভ এক মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ভিড় করেছে হিমালয়ের দেশ থেকে আসা বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি। বিদেশী নাম না হাজারো পাখির কলকাকলিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রাকৃতিকভাবেই সেজে ওঠেছে অপরূপ সাজে। বিভিন্ন জায়গা থেকে দর্শনার্থীরাও ভিড় করছেন ক্যাম্পাসে। অতিথি পাখি আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে  বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা যায়,   জাবি’র সবুজ ক্যাম্পাসে ১৯৮৬ সালে পাখি আসা শুরু হলেও ১৯৮৮ সালের পর থেকে মূলত তাদের আনাগোনা বাড়তে থাকে বলে জানা যায়। ছোট বড় প্রায় ১৮টি জলাশয়ের মধ্যে মাত্র দু-তিনটি জলাশয়ে পাখিরা তাদের আবাস গড়ে তোলে। এখন পর্যন্ত ২ শতাধিক প্রজাতির অতিথি পাখির দেখা মিলেছে এই ক্যাম্পাসে।
Share:

ভুমিকম্পের সময় যে দোয়াটি পড়তে হয়।

সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় বড় ভুমিকম্পের ঘটনায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। শহরের মানুষের সেই আতঙ্কটা একটু বেশিই। ভুমিকম্প থেকে রক্ষা পেতে একটি দোয়া পড়তে পারেন বেশি বেশি করে। দোয়াটি হচ্ছেঃ
“বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর’রু মা’আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি’ই ওয়াহুয়া সামি’য়ুল আলিম...”
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দুয়া তিনবার পড়বে,সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোর্গ থেকে রক্ষা পাবে।
 

“লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতুম মিনাজ জোয়ালিমিন…”

রাতে ঘুমানোর আগে একবার আয়াতুল কুরসি পড়ে নিতে পারেন।এই আয়াতের ফযীলত আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি।যে এই আয়াত পড়ে ঘুমোতে যায়,ঘুমন্ত অবস্থায় আল্লাহ্ তার পরিবার ও তাকে এবং তার সকল প্রতিবেশীকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

Share:

নিজেই নিজের ভাগ্য গণনার উপায় !


হাত দেখে চেনা যায় আপনি মানুষটা কেমন, আপনার হাতই তা বলে দিবে। জ্যোতিষীরা আবার ভবিষ্যত্ও গড়গড়িয়ে বলে যান হাতের রেখা দেখে। আয়ুরেখা, হৃদয়রেখা,  শীর্ষরেখা অনেক রেখাই হাতে দেখেছেন বা রেখা নিয়ে শুনেছেন অনেক কথা। কিন্তু কখনও দেখেছেন আপনার হাতে M আছে কিনা? যদি থাকে, নিশ্চিত ভাবেই আপনি এক্সট্রাঅর্ডিনারি। এমনটাই মনে করেন বিখ্যাত জ্যোতিষীরা।

কোনও পুরুষের হাতে M থাকলে তিনি খুবই প্রতিশ্রুতিমান ও অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ। উদ্যোগপতি হিসেবে সাফল্য অবধারিত। ব্যবসার একজন অংশীদার হিসেবেও আপনি অসাধারণ। কোনও মেয়ে যদি এমন পুরুষের প্রেমে পড়েন সম্পর্কের ভবিষ্যত্ নিয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন। কোনও ভাবেই প্রতারিত হবেন না। কারণ এমন পুরুষ প্রণয়ীর কাছে মিথ্যে বলেন না। অকারণে অজুহাত খোঁজেন না। আর মহিলাদের হাতে যদি M থাকে তিনি পুরুষের তুলনায় আরও ক্ষমতাশালী।

যদি প্রেমিক-প্রেমিকা দু’জনের হাতেই ভাগ্যক্রমে M থাকে তবে মেয়েটির ক্ষমতাই বেশি হবে। হাতের তালুতে M থাকা ছেলে বা মেয়ে যে কেউ যে কোনও পরিস্থিতিতে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। অতএব, যদি হাতে M থাকে নিশ্চিতে এগিয়ে যান। নিজের ওপর আস্থা রাখুন। সাফল্য আপনার সঙ্গেই।

Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন