Monday, January 18, 2016

নারীর স্বপ্নদোষ হলে ইসলামের বিধান কী?

পুরুষদের মতো যদি কোনো নারীর স্বপ্নদোষ হয় তাহলে সেই নারীর ওপরও কি কোনো কিছু বর্তাবে? অর্থাৎ তারও কি ফরজ গোসল করতে হবে? রাসুল [সা.] বললেন, হ্যাঁ, যদি সে বীর্যের পানি দেখতে পায়, তবে অবশ্যই যেনো সে গোসল করে নেয়। ইমাম আবু ঈসা তিরমিজি [রহ.] বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।বিখ্যাত হাদিসবেত্তা তাবেয়ী ইবনে আবু ওমর (রহ.) হাদিস বর্ণনা করেছেন, হজরত উম্মে সালামা থেকে বর্ণিত আছে যে, উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান একদিন রাসুলের [সা.] কাছে এসে আরজ করলো- হে আল্লাহর রাসুল, আল্লাহ তো সত্যের ব্যাপারে কেনো লজ্জা করেন না।সাধারণভাবে সকল ফকিহ ও ইসলামি আইনজ্ঞের অভিমত হলো, কোনো নারীর যদি পুরুষেদের মতো স্বপ্নদোষ হয় এবং তাতে বীর্যপাত হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই গোসল করতে হবে।তিরমিজি, হাদিস-)

 (http://www.prothom-alo24.com/2016/01/cia-slams-secret-soldiers-of-benghazi.html

Share:

Sunday, January 17, 2016

১৫০ টাকা ঋণ আজও শোধ হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্ণর

আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীনকৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরেএকটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশপেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !
আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই।কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলোনা। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।
আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়েবাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রিরআয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তোবন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !
এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালিগা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকারপরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।
নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনিদেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপকরবো।
পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম। বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি বাইরেদাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতেবললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম,স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড় করলেন।পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবোনা। কারণ ঘরে খাবার নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়েরসঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়েদিতে পারবেন না।
দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরুহলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করেমনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।
যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাচ্ছে।ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম। হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনিকেমন যেন দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাইআনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার- যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।
বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি। আর পিছনে এক দল ছেলেমেয়ে আমাকেনিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে গেল ! আমার নিরক্ষর বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিওআনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে। যখন শুনলেন আমি ওপরের কাসে উঠেছি, নতুন বইলাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। তারপর আমাকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর গেলেন।সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি থেকে নতুন বই কিনলাম।
আমার জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়েগেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার আমাকে তাঁর সন্তানের মতো দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট হয়েই পঞ্চমশ্রেণীতে উঠলাম। এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাস মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।
প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথাজানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-ভালোবাসা পেতাম।
আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোত্থেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে আমাকেদেখালেন। ওইটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ করে পাঠালাম। এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিলআতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে বলেছিলেন, এইছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করেদিলাম।
আমি রাত জেগে পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথমময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি !আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক পরীক্ষা দিলাম; ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠিপেলাম, আমি নির্বাচিত হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।
সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো। শেষে স্কুলের কেরানি কানাই লাল বিশ্বাসেরফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা শিখিয়ে দিলেন,মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার ? ঠিকমতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরেবললাম যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।
পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আঁচ করেফেললেন। পরম স্নেহে তিনি আমাকে বসালেন। মুহূর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলেআমার কোন ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আঁচ করতে পারলাম যে, আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে। তবে তাঁরা কিছুই বললেন না।পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারণ আমি ধরেই নিয়েছি, আমার চান্সহবে না।
হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়াহবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ারনিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না !
এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন। আমাকে অন্য চাচাদেরকাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের অবস্থাও খুব বেশিভালো ছিল না। তাঁরা বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।
আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তাকরবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন। সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুরলেন।সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০ টাকাহলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদদিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।
প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সবকিছু খুলে বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আরবেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিন মাস পর ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড মিটিঙেতুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এস.এস.সি পরীক্ষায়ঢাকা বোর্ডে পঞ্চম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।
আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটাপারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্রজীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না!

(অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের নিজের ভাষায় তাঁর জীবন কথা)
Share:

বিমানবালাকে যে ১০ প্রশ্ন কখনো করতে নেই


বিমানে যাঁরা নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাঁরা বেশ ভালো করে জানেন বিমানবালারা অনেক আন্তরিকতার সঙ্গেই যাত্রীদের সেবা প্রদান করে থাকেন। দীর্ঘ যাত্রায় পানি, খাবার ও বিনোদন দেওয়া থেকে শুরু করে বর্হিগমণের কার্ড বা প্রস্থানের ফরম বিলি কিংবা প্রাথমিক চিকিৎসা—সবকিছুতেই বিমানবালারা চেষ্টা করেন যেন যাত্রীসেবায় কোনো ত্রুটি না থাকে।
তবে যাঁরা নিয়মিত বিমানে চড়েন না তাঁরা হয়তো অনেক সময় না বুঝেই বিমানবালাকে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেন। এতে তারা বিরক্ত হন এবং বিব্রতকর পরিস্থিতিও তৈরি হয়। তাই বিমানবালাদের কী প্রশ্ন করবেন আর কী করবেন না, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিমানযাত্রাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোর্ডিং এরিয়া ডটকম।যাত্রার আগে একবার চোখ বুলিয়ে দেখে নেওয়া যাক :
১. আমি কি ফার্স্ট ক্লাসের বাথরুম ব্যবহার করতে পারি?
এ প্রশ্ন করে থাকেন অনেকেই। তাঁরা হয়তো জানেন না, ফার্স্ট ক্লাসের বাথরুম শুধু যাঁরা ফার্স্ট ক্লাসের জন্য টিকেট কেটেছেন, তাঁদের জন্যই বরাদ্দ। এ ধরনের প্রশ্ন করেও নিজের নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দেওয়া হয় আর বিমানবালাদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা হয়।
২. সিনেমা শুরু হচ্ছে না কেন? ওয়াই-ফাই নেই?
বিমানে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সামনের মনিটরে সিনেমা দেখার সুযোগ নেই। কারণ, সেখানে উড্ডয়ন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার পর আপনি সিনেমা দেখতে পারবেন বা গান শুনতে পারবেন। আর এতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট। তাই বিমানে উঠেই জিজ্ঞেস করবেন না, সিনেমা দেখানো হচ্ছে না কেন? শুরুর সময়টাতে ম্যাগাজিনে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। প্রয়োজনীয় নির্দেশনা শেষ হলে সামনের মনিটর আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, তখন আপনি পছন্দমতো ছবি বা গান শুনতে পারবেন। আর হ্যাঁ, বিমান পুরোপুরি আকাশে ওঠার আগে ওয়াই-ফাই সেবা পাওয়া যায় না। কাজেই বিমানে উঠেই ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে প্রশ্ন করবেন না। ধৈর্য ধরুন, কর্তৃপক্ষই বলে দেবে কখন আপনি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবেন। তা ছাড়া সব বিমানে ওয়াই-ফাই সেবা নাও থাকতে পারে। যদি থাকে সেটা বিমান কর্তৃপক্ষই আপনাকে বলে দেবে।
৩. কানেক্টিং ফ্লাইটটা আটকে রাখতে পারবেন?
গন্তব্যে পৌঁছাতে বিমান পরিবর্তন করে অন্য যে বিমানে উঠতে হয়, তাকেই কানেক্টিং ফ্লাইট বলা হয়। আপনি যে বিমানে আছেন, সেই বিমানের বিমানবালার সঙ্গে আপনার কানেক্টিং বিমানের কোনো যোগাযোগ থাকে না। তার পরও আপনি যদি বর্তমান বিমানের বিমানবালাকে প্রশ্ন করেন, কানেক্টিং ফ্লাইটটা একটু দেরি করতে পারবে কি না, তাহলে সেটা ঠিক হবে না। কারণ, এই বিষয়টি বিমানবালার হাতে নেই। বরং ট্রানজিট বিমানবন্দরে নেমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সুরাহা আপনাকেই করতে হবে।
৪. এটা (বকশিশ) রাখুন!
রেস্তোরাঁয় খাওয়ার পর মোটা অঙ্কের বকশিশ দেওয়ার অভ্যাস আপনার আছে। সে জন্য মনে মনে বেশ গর্ব বোধ করেন আপনি। তাই বলে বিমান অবতরণের পর বিমানবালাকে ডেকে তাঁর হাতে টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলবেন না, ‘এটা রাখুন। কিছু কিনে খাবেন!’ প্রথমত, বিমানের নীতিমালার ঘোরবিরোধী এটি। দ্বিতীয়ত, বিমানবালাদের জন্য এটি অপমানজনক। তাই যদি তাঁদের সেবা বা ব্যবহারে আপনি মুগ্ধ হয়ে থাকেন, হাসিমুখে একটা ধন্যবাদ দিন, সেটাই যথেষ্ট।
৫. আমি কি বিজনেস ক্লাসের খালি আসনে বসতে পারি?
বাসে এ রকম হরহামেশাই করে এসেছেন। সামনের দিকের সিট খালি থাকলে পেছনের সিট ছেড়ে সামনে চলে এসেছেন। এটা আপনার কাছে কোনো ব্যাপারই না। এ জিনিসই চেষ্টা করতে গেলেন বিমানে। দেখলেন, বিজনেস ক্লাসের সিটগুলো খালিই পড়ে আছে। গিয়ে বসে পড়লেই হয়। কিন্তু বিজনেস ক্লাসে বসতে হলে আপনাকে বিজনেস ক্লাসের টিকেট করতে হবে আগে। সেটা যদি না করে থাকেন, তাহলে ইকোনমি ক্লাসেই নিজের মতো স্বচ্ছন্দ হয়ে নিন।
৬. ব্যাগটা ওপরে রেখে দেবেন?
কষ্ট করতে ইচ্ছে করছে না, ডাকলেন একজন বিমানবালাকে। বললেন, ব্যাগটা একটু ওপরে উঠিয়ে রাখুন। এটা কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্যে পড়ে না। নিজের ব্যাগ নিজেই উঠিয়ে রাখুন এবং চাইলে সহযাত্রীকে সহযোগিতা করতে পারেন; কিন্তু বিমানবালাদের এ ধরনের অনুরোধ করবেন না।
৭. ওষুধ আছে কি?
যাত্রীদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সামাল দেওয়ার জন্য ফ্লাইটেই চিকিৎসক থাকেন। যদি অসুস্থ বোধ করেন, তাহলে সেটা বিমানবালাদের জানাতে পারেন; সাহায্য চাইতে পারেন। কিন্তু নিজেই ডাক্তারি ফলিয়ে তাঁদের কাছে ওষুধ চাইবেন না। কারণ, তাঁদের ওষুধ দেওয়ার এখতিয়ার নেই এবং দ্বিতীয়ত, সেটা তাঁদের কাজও নয়।
৮. আসন বদলাতে পারি?
অনেকেই একই ফ্লাইটে বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতি কারো দেখা পেয়ে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একসঙ্গে পাশাপাশি সিটে বসে যাওয়ার ইচ্ছা জাগতেই পারে। সে ক্ষেত্রে কখনোই বিমানবালাদের অনুরোধ করবেন না, সিট বদলে দেওয়ার জন্য। বড়জোর আপনি নিজে সেটা বিনীতভাবে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আপনার অনুরোধে যদি কোনো যাত্রী নিজের সিট পরিবর্তন করে আপনার পরিচিত বা বন্ধুর সঙ্গে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে রাজি থাকেন, তাহলেই কেবল আপনার আশা পূরণ হবে।
৯. আমরা এখন কোথায় আছি?
দুম করে জিজ্ঞেস করে বসবেন না, বিমান এখন কোথায় আছে বা কোন জায়গার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে? কারণ, আকাশে কোনো সাইনবোর্ড দেওয়া থাকে না, যা দেখে বিমানবালা আপনার প্রশ্নের জবাব দেবেন। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন, কারণ কাছাকাছি এলে সেটা ক্যাপ্টেন জানিয়ে দেবেন। সামনের মনিটরেও সেটা আপনি দেখতে পারবেন, যদি মনিটরের চ্যানেল পরিবর্তন করেন।
১০. কলম আছে?
এটি খুবই সাধারণ একটি প্রশ্ন মনে হতে পারে আপনার। এটা কিন্তু বেশ বিরক্তিকর একটা ব্যাপার বিমানবালাদের জন্য। তাঁরা প্রায়ই এ ধরনের বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েন। কারণ, অনেকেই তাঁদের কাছে কলম ধার চান। কলম সঙ্গে নিয়ে ঘোরাটা তাঁদের কাজ নয়। তাই এ ধরনের প্রশ্ন করবেন না।


Share:

Saturday, January 16, 2016

CIA Slams “The Secret Soldiers of Benghazi” for False Accounts



Amid the buzz surrounding " The Secret Soldiers of Benghazi" which was released o Friday January 15, there is a strong negative response from the CIA. a spokesman of the agency questioned the accuracy of the action movie starring John Krasinski.

No one will mistake this movie for a documentary," Trapani told the Washington Post. "It's a distortion of the events and people who served in Benghazi that night. It's shameful that, in order to highlight the heroism of some, those responsible for the movie felt the need to denigrate the courage of other Americans who served in harm's way."

The officer in charge of the CIA's Benghazi base that night the attacks took place even pointed out some of the false accounts in the film. "There never was a stand-down order," said the chief, known as Bob. "At no time did I ever second-guess that the team would depart."

"So much of this information has been wrong," he explained why he agreed to finally speak out about the incident on the condition that his last name not be used. Supporting his story, congressional investigators also have concluded there was no "stand down" order.

Mitchell Zuckoff, whose book is used as source material for the Michael Bay-directed pic, defended the movie though. He said during a phone interview that he stood by the depiction and that it was based on first-hand accounts.

"I think the evidence is extremely strong that the guys' account is far more credible" than that of the CIA chief, Zuckoff said. He told Variety, "These guys [the security contractors] are putting their lives and their reputations on the line saying, 'We were forced to wait,and the record shows it.' "

Zuckoff added that he had made multiple requests through the CIA to speak with Bob to hear his side of the story during the writing of the book, but Bob refused them
Share:

Thursday, January 14, 2016

দেখুন আরবি বর্ণমালা গুলো। বাংলা উচ্চারণসহ

আমরা সবাই নিজেদেরকে মুসলমান দাবি করি কিন্তু কোরআন শরীফ পড়াতো দুরের কথা আরবি বর্ণমালা গুলো ঠিকমতো ছিনিনা। সকলের পড়ার সুবিধার্থে বাংলা উচ্চারণ সহ বর্ণমালা গুলো দেওয়াা হলো। 
Share:

Wednesday, January 13, 2016

পুরুষের লিঙ্গ বাঁকা হয় কেন ? সোজা করা উপায়




প্রথমআলোটোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: অনেক পুরুষেরই লিঙ্গ আংশিক কিংবা একপাশে বাঁকা গবেষনায় দেখা যায় প্রতি ১ লাখ পুরুষের মধ্যে প্রায় ৪০০ জনের লিঙ্গ বাঁকা থাকে। 


পুরুষের ক্ষেত্রে সার্জারি করে লিঙ্গ সোজা করাটা হলো যুক্তিযুক্ত চিকিৎসা। যদিও অনেক চিকিৎসক অপারেশন করার আগে কমপক্ষে এক থেকে দু’বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য বলেন। অনেকের খৎনা (মোসলমানি) করার  সময় একদিকে সামান্য বেশি টেনে বাঁধার কারণে কিছুটা বাঁকা হতে পারে। এ নিয়ে চিন্তার করার কিছু নেই। আপনার যৌন জিবনে এটার কোন প্রভাব পড়বে না।
অপেক্ষার সময়টুকুতেই অনেক রোগীই প্রথমে অন্য চিকিৎসার মাধ্যমে তা মুক্তির চেষ্টা করেন। 

এটা করলে পরে অপারেশনের প্রয়োজন হয়।বর্তমানে দুই ধরনের সার্জারি অনকে জনপ্রিয়। একটি হলো নেসবিট পদ্ধতি। পেরোনি’জ ডিজিজে এই অপারেশনটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এ ক্ষেত্রে লিঙ্গ সচরাচর এক থেকে দু’ইঞ্চি ছোট হয়ে যায়। অন্যটি হলো স্কার টিস্যুর জায়গা গ্রাফটেড টিস্যু লাগানো। তবে অনেক ক্ষেত্রে আংশিক বা সম্পূর্ণ পুরুষত্বহীনতা ঘটতে পারে। 

ঘরোয়া চিকিৎসায় ট্রাকশন ডিভাইস পেরোনি’জ ডিজিজের আধুনিক চিকিৎসার জন্য বর্তমানে এক ধরনের ট্রাকশন ডিভাইস পাওয়া যায়। এই ডিভাইস স্কার টিস্যুর কাঠিন্যকে ঠিক করে দেয় এবং লিঙ্গকে সোজা করে। ট্রাকশন ডিভাইস চিকিৎসা কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। ঘরে বসেই  নেয়া যেতে পারে এই চিকিৎসা।

লিঙ্গ সোজা করার দরকার নেই বাঁকা লিঙ্গ দিয়ে সব কাজ করা যায়। লিঙ্গ সোজা করার জন্য আধুনিক কোনো অপারেশন আবিষকার হয়েছে কি না জেনে নিতে পারেন।

হস্তমৌথুনের কারনে আপনার এই সমস্যা হয়েছে এটা মনে করার কোন দরকার নেই। অনেকেই এটা শোনার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং মনে করেন এর কারণই লিঙ্গ বাঁকা হয়ে গেছে। এর পরও যদি আপনার সন্দেহ থাকে তা দূর কারার জন্য একজন যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে দেখাতে পারেন। নিশ্চয়ই আপনার দুঃশ্চিন্তা কমে আসবে।
Share:

Monday, January 11, 2016

চুম্বন খুবই উপকারী!



প্রথমআলোটোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: কারও প্রতি আবেগ ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যমই নয়। চুম্বনে থেকে আমাদের শরীর পায় অনেক উপকার। চুম্বনে মানুষের ওজন কমে, ক্যালোরি পোড়াতে সক্রিয় কাজ করে। এখানেই এর উপকারিতা শেষ নয়। জেনে নিন চুম্বনের বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে, গবেষণা থেকে জানা যায়:

) জীবনসঙ্গী পেতে সাহায্য করে
গবেষকরা মনে করেন, চুম্বন হলো একটা জৈবিক প্রবৃত্তি যা আমাদেরকে জীবনসঙ্গী পেতে সাহায্য করে, জিনগত দিক থেকে আমাদের জন্য উপযুক্ত। এই কারণে প্রথমবার চুম্বন থেকেই নিশ্চিত হওয়া যায় মানুষটি আমাদের ঠিক আছে কিনা।

) ক্যালোরি পোড়ায়

ক্যালোরি পোড়ানোর জন্য জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানোর দরকার নেই চুমুর মাধ্যমে ক্যালোরি পোড়ানো সম্ভব। প্রতি মিনিটে - ক্যালোরি পোড়ানো সম্ভব এতে আপনার মেটাবলিক রেটও বাড়ে।
 
) দাঁতের জন্য

কাউকে চুম্বন করার সময় মুখে লালা উৎপন্নের প্রক্রিয়া আরো বেশি ত্বরান্বিত হয়। এতে দাঁত থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে যায়।

) ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি করে
চুম্বনের ফলে দুজনে মানুষের মাঝে যে জীবাণু ছড়িয়ে যায়। যেমন সাইটোমেগালো ভাইরাস, এই ভাইরাস গর্ভবতী নারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু গর্ভধারণের আগেই থেকে চুম্বনের অভ্যাস থাকলে একটা সময় তা শরীরে অভ্যাস্ত হয়ে যায় তখন শরীরে গড়ে উঠে এই ভাইরাস ঠেকানোর ব্যবস্থা। কাউকে দেখে যদি বোঝা যায় সে অসুস্থ, তাহলে তাকে চুমু না দেওয়াই ভালো। এতে বেশ কয়েক ধরণের রোগের আক্রমণ হতে পারে।

) স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে
চুম্বনের পর আপনার শরীর মন বেশ ফুরফুরে হালকা অনুভূতি সৃষ্টি হয়। ইতিপূর্বে ২০০৯ সালে এক গবেষণায় দেখা গেছে, চুম্বনের পর শরীরে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের পরিমাণ কমে যায়। শুধু প্

রেমিক বা প্রেমিকার হাত ধরে থাকলেও অনেক স্ট্রেস কমে যায়, কিন্তু পরিমাণে তা চুম্বনের তলনায় কম।
) পেশিকে সুস্থ রাখে
চুম্বনের সময় মুখের ৩০টির  বেশি পেশি ব্যবহৃত হয়। এতে আপনার পেশীগুলো সুস্থ সবল থাকে।
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন