Sunday, May 8, 2016

ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় পুঁজিবাজার


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: এক্সপোজার তথা পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগের সমন্বয়ের সময়সীমা পরোক্ষভাবে বাড়ানোর ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় রয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণার পর থেকে তিন কার্যদিবস পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে, এর মধ্যে দুই কার্যদিবসই বেড়েছে সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। পাশাপাশি বেড়েছে বাজার মূলধনও। তবে তারল্য প্রবাহে এখনও ধীর গতি লক্ষ্য করা গেছে।

গত সোমবার (০২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, পুঁজিবাজারে বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংককে কোনো শেয়ার বিক্রি করতে হবে না। পুঁজিবাজারে বর্তমানে নির্ধারিত সীমার চেয়ে সামান্য বেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১০টি ব্যাংকের। তা আইনি সীমায় নামিয়ে আনতে তাদের জন্য কেস টু কেস ভিত্তিতে সমাধান দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগের (সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিট) সমন্বয়ের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তা পরোক্ষভাবে এক্সপোজার লিমিটে বাড়ানোর পক্ষে। সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মূলধন বাড়ানোর মাধ্যমে সমন্বয়ের যে নীতি বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়েছে তা বাজারের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ফলপ্রসূ হবে। ফলে বাজারে সেল প্রেসার থাকবে না। আর সেল প্রেসার কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন উদ্যোগ বর্তমান বাজারের জন্য ইতিবাচক। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক্সপোজার নিয়ে যে দোটানা ছিলো তা কেটে গেছে। ফলে বাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচঞ্জের (ডিএসই) তথ্য মতে, ০২ মে থেকে ০৫ পর্যন্ত বিদায়ী সপ্তাহে মোট চার কার্যদিবস পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দু’দিন উত্থান আর দু’দিন দরপতন হয়েছে। সপ্তাহ শেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসই প্রধান সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ১১১ পয়েন্ট বেড়ে ৪৩০৬ পয়েন্টে, ডিএস-৩০ সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫২ পয়েন্ট বেড়ে ১৬৬৫ পয়েন্টে এবং ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ১০৫৭ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে।

আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৭শ ৪৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট পাঁচদিনে লেনদেন হয়েছিলো এক হাজার ৭শ ৮১ কোটি ১২ লাখ টাকা। যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৫ কোটি টাকা কম। তবে গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন লেনদেন হয়েছিলো ৩শ ৫৬ কোটি টাকা। আর গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৩৪ কোটি টাকা।

লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে বিদায়ী সপ্তাহে দাম বেড়েছে ২০১টির, কমেছে ১শটির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছিলো ৫৬টির, কমেছিলো ২শ ৫৩টির আর অপরিবর্তিত ছিলো ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এর ফলে গত সপ্তাহে আগের সপ্তাহের চেয়ে দুই শতাংশ বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ পাঁচ হাজার ৫শ ৭৮ কোটি ৬৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪ টাকা। আগের সপ্তাহের ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিলো দুই লাখ ৯৯ হাজার ৯শ ৮৫ কোটি ২৯ লাখ ৩০ হাজার ১শ ৬৪ টাকা।

দেশের অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ২০৭ পয়েন্ট বেড়ে আট হাজার ৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আলোচিত এই সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে  ৯৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১শ ৬১টির, কমেছে ৭৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বাজার পরিস্থতি নিয়ে জানতে চাইলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক শাকিল রিজভী বাংলানিউজকে জানান, উত্থান-পতন পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক নিয়ম। কোনো কারণে কোম্পানির শেয়ারের দাম যৌক্তিক মূল্যের চেয়ে কমে গেলে স্বাভাবিক নিয়মে আবারও বাড়বে।

তিনি বলেন, এক্সপোজার লিমিটকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই মাস বাজারে দরপতন হয়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম তলানিতে নেমে এসেছে। এখন স্বাভাবিক নিয়মে বাজার ঘুরে দাঁড়াবে।

ডিএসই’র আরেক পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, এখন বাজার খারাপ থাকার কোনো কারণ নেই। বাজারের সব সমস্যা সমাধান হয়েছে। এখন শুধু সুদিনের অপেক্ষা।

তিনি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্য বলেন, এখনই বাজারে বিনিয়োগের উত্তম সময়। তবে ভালো কোম্পানি দেখে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই।

বাংলাদেশ মার্চেণ্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছায়েদুর রহমান জানান, কয়টা দিন অপেক্ষা করুন, বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরবে।

সূত্র: বাংলানিউজ

Share:

মদের বদলে সাবান খাচ্ছে মাতালরা...!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: মাতলামি বন্ধ করার জন্য মদের উপর নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু মদের নেশা যে সর্বনাশা সেটা কি আর নিষেধাজ্ঞা মানে? তাই বিহার রাজ্য মদকে ছাড়তে চাইলেও মদ বিহারকে রাজ্যকে ছাড়ছে না। প্রথম মাসেই পুরো উলটপালট হয়ে গেলো পুরো বিহার রাজ্য।

এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে বিহার রাজ্য দেশি মদ নিষিদ্ধ করা হয়। তার পরের সপ্তাহে বিদেশী মদও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার পর একটা বড়  ধাক্কা আসবেই তা সবারই জানা ছিল। সেজন্য প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিজেলায় নেশা ছাড়ানোর জন্য বিশেষ কেন্দ্রও খুলেছিল সরকারের। কিন্তু কোথাও মদ না পেয়ে যে মাতলামি আরও কয়েকগুন বেড়ে যাবে তা বোধহয় আন্দাজ করতে পারেননি বিহার প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

নেশা কী আর নিষেধাজ্ঞা মানে? তাই নেশা করতে না পেরে অনেকেই ইতিমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মদের অভাবে একজন সাবান খাচ্ছেন এমন ছবিও স্থানীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশ হতে দেখা যাচ্ছে। শুধু সাবান খেয়েই নয়, কেউ কেউ নাকি কাগজও খাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই তার নিজের বাড়ির লোকজনকেও চিনতে পারছেন না।

শুধু সরকারের খোলা নেশা ছাড়ানো কেন্দ্রগুলিতেই অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে প্রায় সাড়ে সাতশো জন। একরকম বাধ্য রাজ্যের সকল সরকারি হাসপাতালে তড়িঘড়ি নেশা ছাড়ানোর বিশেষ কেন্দ্র চালু করছে বিহারের সরকার। এমনকি, বাড়ানো হয়েছে বেড়ের সংখ্যাও। প্রস্তুত রাখা হচ্ছে অতিরক্তি ১৫ থেকে ২০টি বেডও।

অধিকাংশ মদতী যখন মদের শোকে মুহ্যমান ঠিখ তখনই কেউ কেউ আবার আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। মদ নিষিদ্ধ করা সরকারের এই ‘অনৈতিক’ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে একটি মামলাও দায়ের হয়েছে।
Share:

Saturday, May 7, 2016

আ.লীগ আমলে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা: আনন্দবাজার পত্রিকা


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: ভারতীয় আনন্দবাজার পত্রিকা সব সময়ই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। এবং এখনো দিচ্ছে। সেই পত্রিকাটিই আজকে নিজেদের একটি রিপোর্টে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে, বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগ যে লুটপাটের রাজ্য কায়েম করেছে তা নজিরবিহীন।

পত্রিকাটি জানাচ্ছে, গত দশ বছরে, যার পুরোটাই প্রায় আওয়ামী আমল, বাংলাদেশ থেকে ক্ষমতাসীনরা পাচার করেছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। যদিও প্রকৃত অর্থের পরিমাণ তার বহু গুণ বেশি। তবু আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক একটি সংবাদমাধ্যমে পক্ষে এতটুকু স্বীকার করা উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

আজ শুক্রবার প্রকাশিত আনন্দবাজারের “বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ভোগ করছে ভারত, আমেরিকাও” রিপোটির এ সংক্রান্ত বক্তব্য হচ্ছে--

“দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৪৯ হাজার ১৩ কোটি ডলার। পরিমাণটা কী ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার মতো? টাকাটা কোথায় কীভাবে খরচ হল সেটাও তো দেখা দরকার। সব রফতানিকারক সংস্থাই যে এ কাজ করছে এমন তো নয়। অপরাধীদের জেরা করলেই জানা যাবে কোন দেশে কত টাকা যাচ্ছে। কী কাজে লাগছে। বাংলাদেশের ঊর্ধ্বমুখী অর্থনীতিকে টান মেরে নীচে নামানোর চেয়ে জঘন্য কাজ আর কী হতে পারে। যাদের জেলখানার ভেতরে থাকার কথা, তারা বাইরে ঘুরে বেড়ায় কী করে!

সূত্র: আনন্দবাজার/আমার বাংলাদেশ
Share:

রাতে ব্যালেট পেপারে সীল মারায় ভোটগ্রহন স্থগিত, আটক ৫


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: রাতে ব্যালেট পেপারে সীল মারায় ভোটগ্রহন স্থগিত, আটক ৫কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মুন্সিরহাট ইউনিয়নের যুগীরহাট কেন্দ্রে মধ্য রাতে ব্যালট পেপারে সীল মারার অভিযোগে ওই কেন্দ্রের ভোট গ্রহন স্থগিত করেছে নির্বাচন অফিস। কর্তব্য অবহেলা এবং একাজে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। আজ ভোট গ্রহন দিনের আগের রাতে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী মাহফুজ আলমের কর্মী সমর্থকরা জোরপূর্বক ব্যালেট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারে। খবর পেয়ে নেতৃত্বে পুলিশ ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোবারক হোসেন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার তাজুল ইসলাম ও ওসমান আলী এবং ছাত্রলীগ নেতা যুগিরহাট গ্রামের আবদুল হকের ছেলে খোরশেদ আলম, আবুল হাশেমের ছেলে শাহীন ও রফিক মিয়ার ছেলে মাছুমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
সংশ্ল্ষ্টি রিটানিং অফিসার উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন জানান, রাতে ব্যালেট পেপারে সিল মারার অভিযোগে ওই কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

সূত্র: কুমিল্লার কাগজ
Share:

কুমিল্লায় ১৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেস্ক: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জে সরকার দলীয় প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের কেন্দ্র দখল, এজেন্ট মারধর, জাল ভোটসহ কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে ১৩ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপি, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ১৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। 

জানা যায়, চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকার সমর্থক চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার, কেন্দ্র দখলসহ নানা অভিযাগ এনে স্থানীয় একটি হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে উপজেলার ১২ চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জনসহ কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেন।

ভোট বর্জনকারী চেয়ারম্যানরা হলেন- চিওড়া ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী রাসেল মাহমুদ, জাসদের আবু তাহের, জগন্নাথপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল্লাহ, কনকাপৈত ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন মজুমদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসেম, বিএনপির গাজী কবির, ইসলামী আন্দোলনের আবদুল খালেক, বাতিসা ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী মনির হোসেন, ঘোলপাশা ইউনিয়নে বিএনপির মো. লিটন, স্বতন্ত্র ওয়াজিউল্লাহ খোকন, আলকরা ইউনিয়নে বিএনপির আ.ন.ম সলিম উল্লাহ টিপু ও চিওড়া ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের আবদুল কাদের খোকন।

অপরদিকে, জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার লহ্মণপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী এলাকায় সাংবাদিক সম্মেলন করে ভোট বর্জন করেছেন।

 সূত্র: কুমিল্রার কাগজ






Share:

কুমিল্লায় আওয়ামীলীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার মাধবপুর ইউনিয়নের উত্তর চান্দলায় আওয়ামীলীগ সমর্থক দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তাপস চন্দ্র সরকার নামে এক মেম্বার প্রার্থীর সমর্থক মারা গেছেন। ব্রাহ্মণপাড়ার উত্তর চান্দলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে বাজারে শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাপস চন্দ্র সরকার চান্দলা গ্রামের কানু চন্দ্র দাসের ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাধবপুর ইউনিয়নের মেম্বার প্রার্থী রেজাউল করিমের সমর্থক ও সুলতান আহমেদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এ সময় রেজাউল করিমের সমর্থক তাপস চন্দ্র সরকারকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান। মেম্বার প্রার্থী দুই জনই আওয়ামীলীগের সমর্থক।

সূত্র: কুমিল্লার কাগজ
Share:

Thursday, May 5, 2016

ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৮ জন নিহত


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জের মুদারপুর এলাকায় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দু’জন শিশুসহ এক নারী ও পাঁচ পুরুষ রয়েছেন।

নিহতরা হলেন, অটোরিকশা চালক সাদেকুল (২৮), অটোরিকশার মালিক আশরাফুল (২৯), কাজল (৩৫), শিরিনা (২৫), শিরিনার দুই সন্তান তাহসিন (৭) ও মোফাজ্জল ওরফে তৌহিদ (৪), শিরিনার ভাই উজ্জ্বল (১৮) ও আব্দুল হালিম (২৪)।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজন একই পরিবারের সদস্য। তাদের সবার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা গ্রামে, জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (০৫ মে) দুপুর ১২টার দিকে মুদারপুরে পৌঁছালে ময়মনসিংহগামী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয় নেত্রকোনাগামী ঘাতক ট্রাক।

ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ঘাতক ট্রাকটিকে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মঈনুল হক।

সূত্র: বাংলানিউজ
Share:

সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে দুদকের ‍মামলা

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম: ক্ষমতার অপব্যবহার ও নিয়মবহির্ভূত ভাবে রাজধানীর ১০টি মার্কেটের ১৩৮টি দোকান বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে ‍মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদুক।

বৃহস্পতিবার (০৫ মে) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম।
 
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব ভট্টাচ‍ার্য  মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাদেক হোসেন খোকা মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ১০টি মার্কেটের ১৩৮টি দোকান বরাদ্দ দেন। সিটি করপোরেশনের কোটা পদ্ধতি ব্যবহার করে নিয়মনীতি অনুসরণ না করে এসব দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়।

দোকানগুলো হচ্ছে- সরকারি কবি নজরুল ইসলাম কলেজ মার্কেটে ৫টি, আহসান মঞ্জিল সুপার মার্কেটে ৬২টি, সুন্দরবন স্কয়ার সুপার মার্কেটে ২টি, নবাব ইউসুফ এক্সটেনশন মার্কেটে ১টি, ৭৬ নম্বর খেলার মাঠ মার্কেটে ৬টি, বঙ্গবন্ধু ফোয়ারা পাতাল সড়ক সুপার মার্কেটে ১টি, মহাখালী কমিউনিটি সেন্টার মার্কেটে ৫টি, মিরপুর সুপার মার্কেটে ৩৫টি, বনানী সুপার মার্কেটে ১৩টি ও বনানী কমিউনিটি সেন্টার ও কাঁচা বাজারে ৮টিসহ মোট ১৩৮টি দোকান অবৈধভাবে বরাদ্দ দিয়েছেন বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়।


খোকার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় খোকাকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে বলে প্রণব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন।
 
সূত্র: বাংলানিউজ
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন