Thursday, May 12, 2016

Khloe Kardashian Defends Herself After Photoshopping Her Legs in Selfie

Photo: Instagram/Khloe Kardashian/Yahoo
Prothom Alo24 Desk: The Kardashians are well-known for many things, but if there’s one thing that they all stand out for, it’s their unbelievable ability to take flawless selfies. Still, Khloe Kardashian has recently come under fire for posting a picture of herself in the gym, post-workout, showing off her muscular abs and toned physique. So, what’s the problem, you ask? The image is apparently digitally altered.

After carefully looking at the image, fans were able to see a bend in the door behind Khloe, confirming that she had altered the size of her thighs in the picture. Seemingly unashamed, Khloe quickly told everyone that she had indeed distorted the shot, but left out a reason for why she did it.
After carefully looking at the image, fans were able to see a bend in the door behind Khloe, confirming that she had altered the size of her thighs in the picture. Seemingly unashamed, Khloe quickly told everyone that she had indeed distorted the shot, but left out a reason for why she did it.

Unsurprisingly, a confession simply wasn’t good enough for the Kardashian-Jenner fans. And their constant pestering eventually led Khloe to explain her reasoning behind the image — though it’s likely not what you’d expect.

“Whenever I post a picture of my legs on Instagram, everyone comments on how f***** up my knees look,” she explained on her app. “It’s because I’ve had reconstructive surgery, you a*******! My right leg is an inch and a half thinner than my left because my muscles deteriorated and never recovered.”

So, just like the rest of us, Khloe was just trying to fix a part of herself that she felt insecure about. And considering how often we likely do that with our own social media posts, maybe it’s time to lay off with the judgment.  

Source: Yahoo
Share:

Wednesday, May 11, 2016

বদরপ্রধানও মন্ত্রী হয়েছিল!!!


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: মৃত্যুদণ্ড এড়াতে পারলেন না বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সাবেক মন্ত্রী একাত্তরের ঘাতক বাহিনী আলবদর প্রধান মতিউর রহমান নিজামী।

অস্ত্র চোরাচালান মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭৩ বছর বয়সী জামায়াত আমিরকে ফাঁসির দড়ি পড়তে হয়েছে চার দশক আগের হত্যা, ধর্ষণ এবং বুদ্ধিজীবী গণহত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে।

যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ডের আদেশের চূড়ান্ত বিচার ও আইনি সব প্রক্রিয়ার পর বুধবার প্রথম প্রহরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিজামীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এর আগে বিচারের সর্বশেষ ধাপে গত বৃহস্পতিবার এই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

নিজামীকে গ্রেপ্তারের চার বছর পর ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে মৃতুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের বিরুদ্ধে নিজামী উচ্চ আদালতে গেলে ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি আপিলের রায়ে ফাঁসির দণ্ড বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। সব শেষে এই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনও খারিজ হয়।

২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছিল তার পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মতিউর রহমান নিজামী একাত্তরে বাঙালি জাতিকে সমূলে ধ্বংস করার লক্ষ্যে তরুণদের উসকে দিতে সচেতনভাবে ইসলাম ধর্মের অপব্যবহার করেন।

আদালত বলে, “আমরা ধরে নিতে বাধ্য হচ্ছি যে, মতিউর রহমান নিজামী ইসলামিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও সচেতনভাবে এবং স্বেচ্ছায় আল্লাহ ও পবিত্র ধর্ম ইসলামের নামের অপব্যবহার করে বাঙালি জাতিকে সমূলে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন।”

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সেই নিজামীই বাংলাদেশের মন্ত্রী হয়ে গাড়িতে পতাকা লাগিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
একাত্তরে ন্যাক্কারজনক ভূমিকার পরও তাকে মন্ত্রিত্ব দেওয়াকে লাখো শহীদদের প্রতি চপেটাঘাত বলে মন্তব্য করা হয় ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর্যবেক্ষণে।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশেষ করে ১৪ ডিসেম্বর শিক্ষক, শিল্পী, সাহিত্যিক ও পেশাজীবীদের হত্যাযজ্ঞে মূল নকশাকারী ও তা বাস্তবায়নকারী বলে প্রমাণিত একাত্তরের আল-বদর প্রধান নিজামী ১৯৪৩ সালের ৩১ মার্চ পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার মনমথপুর গ্রামে জন্ম নেন।
জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের পাকিস্তান প্রধান হিসেবে তিনি আল-বদর বাহিনীর প্রধান নেতা ছিলেন। ১৯৬১ সালে তখনকার জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ, পরে যেটা ইসলামী ছাত্র শিবির নাম পায়, তাতে যুক্ত হন।
১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত পরপর তিনবার পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর ২২ এপ্রিল গঠিত হয় আল-বদর বাহিনী এবং এই বাহিনীর সারা পাকিস্তান প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পান নিজামী।

২৩ এপ্রিল ১৯৭১ সালে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- ‘যেখানে তথাকথিত মুক্তিবাহিনী আলবদর সেখানেই’। ১৬ অগাস্ট ১৯৭১ সালে দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত হয়-‘পাকিস্তান ভূখণ্ডের নাম নয় আদর্শের নাম- মতিউর রহমান নিজামী’।

সে সময় নিজামী জনসম্মুখে মুক্তিকামী বাঙালি ও মুক্তিযোদ্ধাদের ‘দুর্বৃত্ত’ আখ্যায়িত করে তাদের নিশ্চিহ্ন করতে নিজের সংগঠনের সদস্যদের উৎসাহিত করতেন এবং উসকানি দিতেন বলে এ মামলার বিচারে প্রমাণিত হয়।
নিজামী বিভিন্ন সময়ে তার বক্তৃতায় ‘পাকিস্তান আল্লাহর ঘর’, ‘হিন্দুরা সবসময়ই মুসলিমদের শত্রু’ এবং ‘ইসলাম আর পাকিস্তান এক ও অভিন্ন' বলেও জনসভায় প্রচার করতেন।
দেশ স্বাধীনের পরপরই জামায়াতে ইসলামী ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেন তখনকার সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্ট ক্ষমতার পালাবদলের পর ক্ষমতায় আসীন জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে গোলাম আযম ও মতিউর রহমান নিজামীকে দেশে ফিরে আসার অনুমতি দেয়ার মাধ্যমে আবার বৈধভাবে দেশে রাজনীতি শুরু হয় দলটির।

সামরিক সরকারের সেই বৈধতার সুযোগে মতিউর রহমান নিজামী প্রথমে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত জামায়াতের ঢাকা মহানগরীর আমির ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৩ সালে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১৯৮৮ সালে সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পান। ‘জামায়াতগুরু’ গোলাম আযম আমিরের পদ থেকে অবসরে গেলে ২০০০ সাল থেকে নিজামীর নেতৃত্বেই পরিচালিত হয় জামায়াতে ইসলামী।

১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চার বার জামায়াতে ইসলামীর হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশ নিয়ে নিজামী দুই বার নির্বাচিত হন তার নির্বাচনী এলাকা পাবনা-১ আসন থেকে। ১৯৯১ সালের পর ২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি জয়ী হন এবং তখনকার সরকার তাকে প্রথমে কৃষি মন্ত্রী (২০০১-২০০৩) ও পরে শিল্পমন্ত্রীর (২০০৩-২০০৬) দায়িত্ব দেয়।

এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, “এটা বিশ্বাস করা খুবই কঠিন যে, সক্রিয়ভাবে যিনি বাংলাদেশে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন, তাকে এই প্রজাতন্ত্রের মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

“আমাদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, তৎকালীন সরকার কর্তৃক এই অভিযুক্তকে মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেওয়া একটা বড় ধরনের ভুল (ব্লান্ডার) ছিল। পাশাপাশি এটা ৩০ লাখ শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো দুই লাখ নারীর প্রতি ছিল সুস্পষ্ট চপেটাঘাত। এই লজ্জাজনক ঘটনা পুরো জাতির জন্য অবমাননাকর।”

ওই সময়েই ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার জন্য পাচারের পথে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়ে, যে মামলার রায়ে ২০১৪ সালে নিজামীর ফাঁসির রায় আসে। কন্টেইনার ডিপোর ইজারা নিয়ে গেটকো দুর্নীতি মামলারও আসামি সাবেক শিল্পমন্ত্রী নিজামী।

২০১০ সালের ২৯ জুন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর ওই বছরের ২ অগাস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় জামায়াতের আমির নিজামীকে।
Share:

Tuesday, May 10, 2016

সাইমন-আলিশা’র ‘অজান্তে ভালোবাসা’



প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: অনেকটা চুপিসারেই মুক্তি পেল এজে রানা পরিচালিত ‘অজান্তে ভালোবাসা’। সাইমন সাদিক ও আলিশা প্রধান অভিনীত এ ছবিটি আগামী সপ্তাহে বড় পরিসরে মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক। এজে রানা জানিয়েছেন প্রায় ৫০টি হলে আগামী সপ্তাহে মুক্তি পাবে ছবিটি।

চুপিসারে ছবি মুক্তি দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এ জে রানা বলেন, ‘আসলে ছবিটির দর্শক রিপোর্ট দেখার জন্যই আমরা দুয়েকটি হলে আগেভাগে মুক্তি দিয়েছি। ছবির রিপোর্ট যদি খারাপ হতো তাহলে চবির কিছু দৃশ্য পুনরায় শুট করতাম। যেহেতু ছবির রিপোর্ট ভালো সেহেতু আগামী সপ্তাহেই বড় পরিসরে ছবিটি মুক্তি দিব।’

২০১৪ সালে শুটিং শুরু হওয়া এ ছবিটির  চিত্রনাট্য লিখেছেন কমল সরকার। প্রযোজনা করেছে সূর্য চলচ্চিত্র।


তথ্যসূত্র: প্রিয়.কম
Share:

সহজে ওজন কমানোর পদ্ধতি

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: যেহেতু ওজন বৃদ্ধি-মেদ বা ভুঁড়ি প্রভৃতি সমস্যা সৃষ্টি করে সেহেতু আগে থেকেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। প্রথমেই ওজন বাড়ার কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং ধীরে ধীরে তা প্রতিরোধ করুন। সাধারনত খদ্যঅভ্যাস অপ্রতুর কায়িক পরিশ্রম কিংবা অসুখই এর প্রধান কারণ।

অতিরিক্ত ওজন কমানোর সহজ উপায় হলো সঠিক ও পরিমিত খাদ্য গ্রহণ এবং প্রচুর কায়িক পরিশ্রম ও ব্যায়াম করা। যারা কায়িক শ্রম বেশি করেন তাদের ব্যায়েমের প্রয়োজন নেই।

নিয়মিত হাঁটা খুব ভাল ব্যায়াম। প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে হাঁটতে পারেন, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, ত্রিকোন আসন উস্থান আসন, প্রভৃতি ওজন কমানোর জন্য খুবই উপকারী।

চর্বি জাতীয় খাবার যেমন মাখন, তেল, গরু বা খাসির মাংস বাটার প্রভৃতি থেকে দূরে থাকতে হবে। শরীরের জন্য এগুলো প্রয়োজন রয়েছে কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে যার কম বেশি হলে সমস্যার দেখা দেয়। এজন্য অনেক সময় দেখা যায় ওজন কমাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেকে। এজন্য প্রয়োজন খাদ্য গ্রহণ পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া। প্রচুর পরিমানে শাক-সবজি ও ফলমূল খাবেন এবং বেশি বেশি পানি পান করবেন। একবারে বেশি খাবেন না একটু পর পর অল্প অল্প করে খাবেন। ক্ষুধা লাগলে শশা বা ফল খেয়ে নেবেন। কারণ শশা ও টকফল ওজন হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

* সকালে দুধ ছাড়া চা বা কফি, দুটো আটার রুটি, একবাটি সবজি সিদ্ধ, ১ বাটি শশা। শশা ওজন কমাতে জাদুর মতো কাজ করে।

* দুপুরে ৫০-৭০ গ্রাম চালের ভাত। মাছ বা মুরগির ঝোল ১ বাটি। এক বাটি সবজি ও শাক, শশার সালাদ, এক বাটি ডাল এবং ২৫০ গ্রাম টক দই।

* বিকালে দুধ ছাড়া চা বা কফি, মুড়ি বা বিস্কুট ২টা।

* রাতে আটার রুটি তিনটা, একবাটি সবুজ তরকারি, একবাটি টকদই দিয়ে এক বাটি সালাদ এবং মাখন তোলা দুধ।

দৈনিক এক গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করলে দেহে প্রোটিনের অভাব থাকে না। ৬০ কিলোগ্রাম ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তির খাদ্য ৬০ গ্রাম প্রোটিন হলেই ভাল হয়। প্রতিমাসে একদিন ওজন মাপতে হবে, লক্ষ্য রাখতে হবে ওজন বাড়ার হার কম না বেশি। ওজন বৃদ্ধি অসুখের লক্ষণ। মেদ বা ভুঁড়ি এদের অতিরিক্ত ওজন কোনটাই স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। বরং নানা অসুখের কারণ হয়ে দেখা দেয় একথা সব সময় মনে রাখবেন এবং স্বাস্থ্য সচেতন হবেন।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়
Share:

পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারীতে অর্ধশতাধিক বাংলাদেশির নাম প্রকাশ


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: বিশ্বের ২১টি অঞ্চলের তিন লাখের বেশি অফশোর কোম্পানির তথ্যের একটি ডেটা বেইস সোমবার প্রকাশ করেছে দি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট (আইসিআইজে)। তাদের তথ্য অনুযায়ী অর্থ পাচার করতে কিংবা কর ফাঁকি দিতে আইনের ফাঁক-ফোঁকর খুঁজেছেন এসব ব্যক্তি। আইসিআইজে বলছে, জনস্বার্থে এই তালিকা প্রকাশ করেছে তারা।

আইসিআইজের প্রকাশ করা ডেটা বেইসে প্রায় অর্ধশতাধিক বাংলাদেশির নাম রয়েছে। তালিকায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাফরউল্যাহ ও নীলুফারের নাম এসেছে।

জাফরউল্যাহ ও নীলুফারকে ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ডে নিবন্ধিত পাথফাইন্ডার ফিন্যান্স এবং হ্যানসিটিক লিমিটেডের পরিচালক বা অংশীদার হিসেবে দেখানো হয়েছে। এছাড়া নাম এসেছে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরীর, যিনি আগে গ্রামীণফোনেও কাজ করেছেন। আরও আছেন আইজিডাব্লিউ অপারেটর সেল টেলিকমের কফিল এইচ এস মুয়ীদ, এক্সেসটেলের মালিক জাইন ওমর, কিউবির অংশীদার আফজালুর রহমান, টেকনোমিডিয়ার মালিক সরকার জীবন কুমার, বাংলাট্রাকের মালিক আমিনুল হক, তার ছেলে নাজিম আসাদুল হক, তারিক একরামুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের শ্যালক ও সিটিসেলের সাবেক চেয়ারম্যান আজমাত মঈন, আব্দুল মোনেম গ্রুপের এ এস এম মহিউদ্দিন মোনেম এবং আসমা মোনেম।

বিশেষভাবে পরিচিত নয় এমন বাংলাদেশি ব্যক্তি হিসেবে নাম এসেছে যাদের তারা হলেন, দিলীপ কুমার মোদি, মল্লিক সুধীর, কাজী রায়হান জাফর, মো. ইউসুফ রায়হান রেজা, মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী, বেনজির আহমেদ, ইসরাক আহমেদ, ফরহাদ গনি মোহাম্মদ, মো. আবুল বাশার, নিজাম এম সেলিম, মোহাম্মদ মোকসেদুল ইসলাম, মো. মোতাজ্জারুল ইসলাম, মো. মোতাজ্জারুল ইসলাম, মো. সেলিমুজ্জামান, সৈয়দ সেরাজুল হক, এফ এম জুবাইদুল হক,ক্যাপ্টেন এম এম জাউল, মোহাম্মদ শহীদ মাসুদ, খাজা শাহাদত উল্লাহ, মোহাম্মদ ফয়সাল করিম খান, মোহাম্মদ শহীদ মাসুদ, জুলফিকার হায়দার, মির্জা এম ইয়াহিয়া, মো. নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, এফ এম জুবাইদুল হক, এ এফ এম রহমাতুল বারী, খাজা শাহাদাত উল্লাহ, নোভা চৌধুরী, সৈয়দা সামিনা মির্জা, উম্মে রুবানা, বিলকিস ফাতিমা এবং সালমা হক।

গত মাসে পানামার ল’ ফার্ম মোস্যাক ফনসেকার বিপুল সংখ্যক নথি ফাঁস হয়। এরপর বিশ্বজুড়ে তা তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়
Share:

Monday, May 9, 2016

আশিস নেহরার মুখে এবার মুস্তাফিজের প্রশংসা

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: বাংলাদেশের বোলিং পোস্টারবয় মুস্তাফিজুর রহমানে বুঁদ হয়ে আছে যেন পুরো আইপিএল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে ধুমকেতুর মতো আভির্ভূত মুস্তাফিজুর আইপিএলেও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে দ্যুতি ছড়াতে থাকায় সাবেক-বর্তমান গ্রেটরা তাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে চলেছেন।

রোববার (৮ মে) বিশাখাপত্তমে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিংয়ের পর বোলিং তাণ্ডব চালিয়ে ৮৫ রানের বিশাল জয় তুলে নেয় সানরাইজার্স। দুরন্ত বোলিংয়ের জন্য আশিস নেহরা ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলেও খোদ নেহরার মুখেই লেগেছিল মুস্তাফিজুর রহমানের নাম।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার নিতে যাওয়ার পর ধারাভাষ্যকার যখন নেহরার কাছে ‘বুড়ো বয়সেও’ দারুণ বোলিংয়ের রহস্য জানতে চাইলেন তখন তিনি বললেন নিজের পরিশ্রমের কথা। একইসঙ্গে বললেন তিনি মুস্তাফিজুরের কাছ থেকেই বল গ্রিপ করা শিখছেন। ভারতের অন্যতম এ সেরা পেসার বলছিলেন, ‘ট্রায়িং, ট্রায়িং...মনে হচ্ছে আমি পারছি...!’

ম্যাচে সানরাইজার্সের বোলিং চলাকালে পুরো কমেন্ট্রি বক্সে যেন আলোচনার অনেকখানি দখলে রেখেছিলেন মুস্তাফিজুর। তার বোলিং দেখে খোদ ভারতীয় গ্রেট রবি শাস্ত্রীই প্রশংসা করতে করতে যেন ক্লান্ত হয়ে পড়ছিলেন, একসময় শেষ করতে চাইলেন এই বলে, ‘আমার যতো প্রশংসাবাণী আছে, সব সে পাচ্ছে (হি হ্যাজ গট অল মাই ওয়ার্ডস)।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দু’দুবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি বারবার বলছিলেন, এই মুস্তাফিজুর রহমান পুরো ক্রিকেটের জন্যই দারুণ এক আবিষ্কার। বাংলাদেশ তাকে পেয়েছে।

এর আগে ৬ মার্চ গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে ম্যাচেও স্যামি প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানকে। তিনি সেদিন বলেন, মুস্তাফিজুর একটা আবিষ্কার। আমি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলেছি। আপনি ওর সাধারণ বল আর কাটার বলের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন না।

কমেন্ট্রি বক্সে শাস্ত্রী-ড্যারেন স্যামিরা যখন মুস্তাফিজে বুঁদ হয়ে তাকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছিলেন, তখন মাঠের বাইরেও মুস্তাফিজকে নিয়েই চলছিল আলোচনা। বোলিংয়ে প্রথমেই আঘাত হেনে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দেওয়া আশিস নেহরা, ভুবনেশ্বর কুমার, স্রান, হেনরিকরা যখন বল করে চলছিলেন ১৩ ওভার পর্যন্ত, তখন মুস্তাফিজকে আক্রমণে আনতে না দেখে ইএসপিএনের নিরুপ নামে এক পাঠক বলতে থাকেন, ‘এটা ওয়ার্নারের দুরন্ত ক্যাপটেন্সি। এমনিতেই নেহরা-ভুবনেশ্বরদের চাপে মুম্বাইয়ের দশা বেহাল, এরপর তুরুপের তাস মুস্তাফিজকে স্টকে রেখে ক্যাপ্টেন প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের এই মনস্তাত্ত্বিক চাপ দিচ্ছেন যে, মুস্তাফিজের ৪টি ওভার কিন্তু রয়ে গেছে হে।’

এ নিয়ে ফেসবুকে এক ক্রিকেটপ্রেমী বলেন, ‘পিস্তল দিয়ে কাজ হলে ব্যারাক থেকে মেশিনগান বের করার কী দরকার?

মুস্তাফিজ আক্রমণে না আসার পরও মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ের রুগ্নদশা দেখে অভিষেক নামে ক্রিকইনফোর আরেক পাঠক মজা করে বলতে থাকেন, ‘সানরাইজার্সের দরকার এখন ফিজকে (মুস্তাফিজের আদুরে ডাকনাম) বোলিংয়ে এনে উইকেট তুলে নেওয়া। খেল এখানেই খতম করে দেওয়া উচিত।’

খেলার পুরোভাগজুড়ে আলোচনার মধ্যমনি হয়ে থাকা মুস্তাফিজ ম্যাচ শেষে টিমের সংবাদ সম্মেলনেও ভাসলেন প্রশংসার জোয়ারে। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছিলেন শিখর ধাওয়ান। তিনি বলেন, মুস্তাফিজ একজন গ্রেট বোলার। তার ক্রিকেট জ্ঞান অসাধারণ।

এই ‘অসাধারণ’ ক্রিকেটপ্রতিভা তার ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারের শেষ বলে যখন নিজের তৃতীয় (ম্যাকগ্লেনাঘানের) উইকেট তুলে নিলেন, তখন সানরাইজার্সের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করা হয়, ‘আ রে এই ছেলেকে তো থামানো যাচ্ছে না!’

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

বিদেশীদের কাছেও পাত্তা পাচ্ছে না বিএনপি

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: কূটনৈতিক কোরের নিষ্ক্রিয়তার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে বিএনপির বিদেশনীতি। আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগও অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে বিদেশিদের কাছে দিন দিন গুরুত্ব হারাতে বসছে দলটি।

ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি মিশন, দূতাবাস বা হাইকমিশনের কর্তাব্যক্তি তো বটেই, বাংলাদেশ সফরে আসা বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান এমনকি মন্ত্রীরাও সাক্ষাৎ করছেন না দেশের অন্যতম বৃহৎ দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে।

সর্বশেষ কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী জাবের আল মুবারক-আল হামাদ-আল সাবাহ ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল বাংলাদেশ সফর করেন। সৌজন্যতার ‘খাতিরে’ও বিএনপি প্রধানের সঙ্গে দেখা করেননি তারা।

তবে এর দায় নিতে রাজি নন বিএনপির কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা। তারা বলছেন, বিদেশি ডেলিগেটদের পেছনে পেছনে ঘুরে সৌজন্য বৈঠকের ব্যবস্থা করা তাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না।

বিষয়টি নিয়ে দলটির কূটনৈতিক কোরের সদস্য রিয়াজ রহমান, ড. আব্দুল মঈন খান, ড. এম ওসমান ফারুককে মোবাইল ফোন কল দিলে তা রিসিভি করেননি তারা।

তবে কূটনৈতিক কোরের আরেক সদস্য সাবিহ উদ্দীন আহমেদ রোববার (০৮ মে) বাংলানিউজকে বলেন, কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী জাবের আল মুবারক-আল হামাদ-আল সাবাহ ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালকে জিজ্ঞেস করুন, কেন তারা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করলেন না। আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন?

সূত্রমতে, বিএনপির কূটনৈতিক কোরের নিষ্ক্রিয়তা, যোগাযোগ ও সমন্বয়হীনতার কারণে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর ঢাকা সফরও ঝুলে আছে।

দশম জাতীয় সংসদ (০৫ জানুয়ারি ২০১৪) নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এই অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর মধ্যস্ততায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি এক টেবিলে বসে।

সে সময় আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মৌখক প্রতিশ্রুতি মেলে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করলেও দ্রুত আরেকটি নির্বাচনের আয়োজন করবে তারা।

কিন্তু অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোকে বাংলাদেশ সফরে এনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আরেকটি বৈঠক ও দ্রুত নির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কাজটিও করতে পারছে না বিএনপি।

কারো কারো মতে, কূটনৈতিক কোরের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে বিদেশি ডেলিগেট আনতে পারেনি বিএনপি। কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুই জন ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই জন ডেলিগেট বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে যোগ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপির কূটনৈতিক কোরের দায়িত্বে যারা আছেন তাদের ‘নাক উচো’ ভাবই আন্তর্জাতিক মহলের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে বিএনপিকে।

অভিযোগ রয়েছে, বিদেশি মিশনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, কোনো সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের বাংলাদেশ সফরের আগে সে দেশের পররাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করার কাজটি মোটের উপর করতে চান না কূটনৈতিক কোরের সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ও ড. ওসমান ফারুক।

দলের বেশিরভাগ নেতা মনে করেন, অতীতে এই জায়গায় দায়িত্বপালন করা শমসের মবিন চৌধুরী দল ত্যাগ করার পরই আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গুরুত্ব হারায় বিএনপি।

অভিজ্ঞ এই কূটনীতিকের জোর প্রচেষ্টার ফলেই অতীতে বাংলাদেশ সফরে আসা সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা সিডিউল এবং প্রটোকলের বাইরে গিয়েও সরকার এমনকি সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

এছাড়া দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে খালেদা জিয়ার বাসায় গিয়ে বৈঠক করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালও।

কিন্তু এরপর দুইদফা বাংলাদেশ সফরে এলেও ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রভাবশালীমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি।

বিএনপির ‘পরমবন্ধু’ মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিধর দেশ কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী জাবের আল মুবারক-আল হামাদ-আল সাবাহ সম্প্রতি বাংলাদেশে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেননি।

সন্ত্রাস দমনে যৌথভাবে কাজ করার মিশন নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসা এসব বিশ্বনেতা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা না করার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ আছে কিনা? জানতে চাইলে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন বিএনপির কূটনৈতিক কোরের অন্যতম সদস্য সাবিহ উদ্দিন আহমেদ।

বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ‘একটা সৌজন্য বৈঠকের (কার্টিসি কলঅন) জন্য আমি কী তাদের পেছনে পেছনে ঘুরবো?’

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

কোরআনের পবিত্রতা রক্ষা করুন

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: বেশ কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন ছাপা পত্রিকায় পবিত্র কোরআনে কারিমের আয়াত হুবহু আরবিতে ও বাংলা অক্ষরে ছাপা হচ্ছে। এমনকি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চের পেছনে কালেমা ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, আল্লাহতায়ালার গুণবাচক বিভিন্ন নাম কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখা সম্বলিত ব্যানার লাগানো হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রচারপত্র, হ্যান্ডবিল, বিয়ের কার্ড, পোস্টার, পাঠ্যবই ও ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বইয়েও পবিত্র কোরআনের আয়াত লিপিবদ্ধ হচ্ছে ও আছে। প্রয়োজন ফুরালে কিংবা বছর শেষে এসব বিক্রি করে দেওয়া হয় দোকানদারদের কাছে। ওরা ওই কিতাব বা পাঠ্যবই ছিঁড়ে মালপত্র বাঁধার কাজে ব্যবহার করে, ঠোঙা বানায়। ব্যবহার শেষে কাগজখানা যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়। এমনকি পবিত্র কোরআনের আয়াত লিখিত প্রচুর কাগজ রাস্তা-ঘাট ও আবর্জনার স্তূপ থেকে শুরু করে নাপাক জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এটা এখন অনেকটা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এতে পবিত্র কোরআনের আয়াতের অমর্যাদা হচ্ছে। এ জন্য আল্লাহতায়ালার দরবারে নিশ্চয়ই জবাব দিতে হবে।

পবিত্র কোরআনের আয়াত লিখিত ছেঁড়া কাগজ কবরস্থানে বা পবিত্র স্থানে ‘দাফন’ করার হুকুম রয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলা, মানুষকে জানানো ও সতর্ক করার জন্য মসজিদের ইমাম-খতিবদের প্রতি বিশেষ নিবেদন রইল। সেই সঙ্গে মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের প্রধানদেরও বিষয়টি নিয়ে নিজ নিজ মহলে সচেতনতা সৃষ্টির আহবান রইল।

দেশের গণমাধ্যমের প্রতি নিবেদন, আলোচ্য বিষয়ে জনগণকে জানিয়ে গোনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকতে সহযোগিতা করা। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়কেও এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে এসে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মনে রাখতে হবে, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম কোরআন শরিফের স্বতন্ত্র একটি আয়াত। এর মর্যাদা ও সম্মানের প্রতি খেয়াল রাখা জরুরি। এর হুকুম কোরআনের অন্যান্য আয়াতের মতোই। তাই অজু ছাড়া তা স্পর্শ করা যাবে না। বিসমিল্লাহ লিখিত কাগজ কোনো অসম্মানের স্থানে ব্যবহার করাও জায়েয নয়। তাই দাওয়াতনামা, পোস্টার ও ব্যানার, যা নির্ধারিত সময়ের পর কোনো প্রয়োজন না থাকার দরুণ পথে-ঘাটে ও নর্দমায় পড়ে থাকার আশঙ্কা থাকে এমনকি অনেক সময় পদপিষ্ট হয়। এসব ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম কিংবা কোরআনের অন্য আয়াত লেখা থেকে বিরত থাকা উচিত।  চাই তা আরবিতে লেখা হোক বা বাংলা উচ্চারণে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন