Thursday, May 26, 2016

পা দিয়ে স্ত্রীর গর্ভপাত

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম  ডেক্স

ঢাকা:
দাবিকৃত যৌতুকের টাকা পরিশোধ না করায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের বোরাদী গরঙ্গল গ্রামে এক অন্তঃসত্বা গৃহবধূর ওপর নির্মম নির্যাতন চালায় স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে তলপেটে আঘাত করে এবং পা দিয়ে পাড়িয়ে গর্ভপাত ঘটায়।

নির্যাতনে গর্ভপাত ও অসুস্থ গৃহবধূর রক্তক্ষরণ হলেও চিকিৎসা না দিয়ে তাকে ঘরের মধ্যে ৭ দিন আটকে রাখেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে স্থানীয়রা মূমূর্ষ গৃহবধূকে উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটলে বুধবার তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরকে আসামি করে গৌরনদী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

নির্যাতিত গৃহবধূ, স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের মুলাদী উপজেলার রামারপোল গ্রামের মৃত সেকেন্দার হাওলাদারের মেয়ে সেলিনা বেগমের (২৫) সঙ্গে গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের বোরাদী গরঙ্গল গ্রামের মো. দুলাল খানের ছেলে আনোয়ার খানের (৩০) দেড় বছর পূর্বে সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় স্বামী আনোয়ার খানকে বিভিন্ন আসবাবপত্র ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় তিন লাখ টাকার মালামাল দিয়ে দেন।

গৃহবধূ সেলিনা বেগম জানান, বিয়ের ৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরে স্বামী আনোয়ার খান বিদেশ যাওয়ার জন্য বাবার বাড়ি থেকে ৭০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করলে সে বাবার বাড়ি থেকে তা এনে দেন। স্বামী বিদেশ যাওয়ার পরে গত নভেম্বর মাসে তার শ্বশুর দুলাল খান নতুন করে ৫০ হাজার টাকা আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। টাকা আনতে অস্বীকার করলে শ্বশুর দুলাল খান তাকে বেদম মারধর করে। বিষয়টি ফোনে স্বামী আনোয়ার খানকে জানিয়ে বাড়িতে আসতে বললে স্বামী গত জানুয়ারি মাসে বাড়িতে ফিরে আসেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি বর্তমানে ৪ মাসের অন্তঃসত্বা। কিছুদিন আগে আমার স্বামী তার বাবার কু-পরামর্শে আমাকে বলেন, তুই যদি বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা এনে না দিস তাহলে তোর গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দিব। আমি বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে অস্বীকার করলে স্বামী ও শ্বশুর মিলে আমাকে বিভিন্ন সময় লাঠিপেটা করে।

সেলিনার বড় বোন লিলি বেগম (৩০) জানান, বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা আনতে অস্বীকার করায় গত ১৭ মে স্বামী আনোয়ার খান ও শ্বশুর দুলাল খান সেলিনাকে বেদম মারধর করে রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে তলপেটে আঘাত করে এবং পা দিয়ে পাড়িয়ে গর্ভপাত ঘটায়। এতে সেলিনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিনা চিকিৎসায় ৭ দিন ঘরের মধ্যে আটকে রাখে।

নলচিড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সহিদ খান জানান, তিনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়দের নিয়ে মঙ্গলবার রাতে সেলিনাকে উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক মীর মহিউদ্দিন বলেন, প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া আঘাতজনিত কারণে রোগীর অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। যে কারণে বুধবার তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গৃহবধূর স্বামী আনোয়ার খান ও শ্বশুর দুলাল গা ঢাকা দিয়েছেন।

এ ঘটনায় সেলিনা বেগম বাদী হয়ে স্বামী আনোয়ার খান ও শ্বশুর দুলাল খানকে আসামি করে মঙ্গলবার রাতে গৌরনদী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন মিলন বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

Wednesday, May 25, 2016

রণবীরকে চুমু খাবে না ঐশ্বরিয়া

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা:
জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক করণ জোহর চেয়েছিলেন, ঐশ্বরিয়া ও রণবীরের মধ্যে একটা গাঢ় চুম্বন। তার ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিতে। রণবীর কাপুর রাজি। কিন্তু রাজি হলেন না ঐশ্বরিয়া। সাফ জানিয়ে দিলেন, মেয়ে বড় হচ্ছে। পর্দায় আর ওসব করতে পারবেন না।

করণের জোরাজুরিও কাজে আসেনি। অবশেষে চুমুর বদলে একটি দৃশ্যে আপাতত রণবীরের সঙ্গে একটি চকোলেট ভাগ করে খাবেন অ্যাশ। তাও শর্ত, সরাসরি কিছু দেখানো যাবে না। তাতেও বেশ হতাশ করণ। এই ছবিতে বয়সে বড় ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে রোমান্স করবেন রণবীর। অন্য চরিত্রে অনুষ্কা শর্মা এবং ফাওয়াদ খানও রয়েছেন।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

এক ব্যক্তির ৬০ জন স্ত্রী!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স
 
ঢাকা: ভারতের নাগাল্যান্ডের মন জেলার লংওয়া গ্রামে এক ব্যক্তির ৬০ জন স্ত্রী রয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ভারত-,মায়ানমার সীমান্তবর্তী লংওয়ার গ্রাম প্রধান মূলত কোনয়াক নামের আদিবাসী গোষ্ঠীর রাজা। ভারতের এই গ্রাম তো বটেই, সেইসঙ্গে মায়ানমারে ভেতরে থাকা সত্তরটি গ্রামও শাসন করেন তিনি। এই গ্রাম প্রধানের মোট ৬০জন স্ত্রী রয়েছেন এবং সব স্ত্রী-ই জীবিত।

খবলে বলা হয়, লংওয়া গ্রামের বাসিন্দা রান্না-বান্নার কাজ করেন মায়ানমারে আর রাতে এসে ঘুমান ভারতে। শুধু গ্রামের প্রধানই নন, এই গ্রামের বাসিন্দা বেশ কিছু পরিবারেরই রান্নাঘর মায়ানমারে এবং বাড়ির বাকি অংশ ভারতের লংওয়া গ্রামে।

গ্রামের একপাশে মায়ানমার, একপাশে ভারত। আর গ্রামের প্রধানের বাড়িটিও দুদেশে ছড়িয়ে রয়েছে।

লংওয়া নামের এই গ্রামটি রয়েছে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ভারত-মায়ানমার সীমান্তে। সবথেকে মজার তথ্য হল, এই গ্রামটির প্রধানের কুঁড়ে ঘরের মধ্যে দিয়ে মায়ানমার সীমান্তে প্রবেশ করতে হয়। গ্রামের প্রধানকে এখানে ‘অংঘ’ বলে সম্বোধন করা হয়। তার বাড়ির রান্নাঘরটি রয়েছে মায়ানমারের মধ্যে আর শোয়ার ঘরটি ভারতের মধ্যে।


ভারত এবং মায়ানমারের মধ্যে থাকা একটি বিশেষ চুক্তির ফলে ১৬৪০ কিলোমিটার লম্বা ভারত-মায়ানমার সীমান্তে এই গ্রামের বাসিন্দা ভারতীয়রা মায়ানমারের ভেতরে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত এবং মায়ানমারের নাগরিকরা ভারতের ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাসপোর্ট এবং ভিসা ছাড়াই যাতায়াত করতে পারেন।

তাদের মধ্যে জিনিসপত্রও আদান প্রদান হয়। ভারতীয় মুদ্রার অনুপাতে মায়ানমারের মুদ্রার মূল্য অনেক কম হওয়ার কারণেই এখনো জিনিসপত্র আদান প্রদানের ব্যাপারটা এখানে বেশি জনপ্রিয়। অবশ্য বড়সড় কোনো সমস্যা হলেই মায়ানমার সেনাবাহিনী এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী ফ্ল্যাগ মিটিং করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেন।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

Tuesday, May 24, 2016

৬ হাজার চালক নিয়োগ দেবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

প্রথম আলো  টোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা:
আর আউট সোর্সিং নয়, এবার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সরাসরি নিয়োগ দেওয়ার কথা ভাবছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে চতুর্থ ও তৃতীয় শ্রেণীর গাড়ি চালকসহ ৬ হাজার ৫৫টি পদ সৃজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৪৯৯টি নতুন পদ।

এসব পদে নিয়োগের জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমোদনও পেয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। নিয়োগের জন্য অর্গানোগ্রাম প্রস্তুত করা হয়েছে।

নিয়মানুযায়ী নতুন যারা নিয়োগ পাবে তাদের চুক্তিভিত্তিক বা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার কথা। তবে মন্ত্রণালয় চাইছে আর আউট সোসিং বা চুক্তিভিত্তিক নয়। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে কয়েক হাজার বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্পদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এমন উদ্যেগ নেওয়া হচ্ছে বলে সংসদীয় কমিটির কাছে অভিমত প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের চতুর্থ এবং তৃতীয় শ্রেণীর গাড়ি চালকের পদগুলো আউট সোসিংয়ের আওতা বহির্ভুত করার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি নোট সার সংক্ষেপ পাঠিয়েছেন। এছাড়া অর্থমন্ত্রণালয় বরাবর একটি চাহিদা পত্র (ডিও) দেওয়া হয়েছে।

এখন প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রণালয়ের অভিমত পেলেই নতুন ৫ হাজার ৪৯৯ টিসহ মোট ৬ হাজার ৫৫ জন গাড়ি চালক সরাসরি নিয়োগ দেবে মন্ত্রণালয়।

আউট সোসিং লোক নিয়ে গ্রামগঞ্জে পাউবো’র স্ট্রাকচারগুলোর নিরাপত্তা দেওয়া যাচ্ছে না বলে সংসদীয় কমিটি নোট দেয় মন্ত্রণালয়কে। এর ভিত্তিতেই আউট সোসিং বাদ দিয়ে সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন জানান, গ্রামগঞ্জে পাউবো কর্তৃক নির্মিত স্ট্রাকচারগুলোর নিরাপত্তার জন্য নিডবেস সেটআপ খুবই দরকার এবং ওইগুলোর নিরাপত্তা আউট সোর্সিং জনবল দিয়ে যে সম্ভব নয়- সেটি প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীকে বুঝাতে হবে।

গত ১৯ মে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১৯তম বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটি বৈঠকের কার্যপত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে সংসদীয় কমিটির সদস্য এ কে এম ফজলুল হক বাংলানিউজকে জানান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনেক জনবল দরকার। এই মুহুর্তে জনবল সংকটের হার অনেক। তাই মন্ত্রণালয় একটি অর্গানোগ্রাম তৈরি করেছে, এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে সেগুলো নিয়ে আগাবে মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন, এতদিন চতুর্থ ও তৃতীয় শ্রেণীতে বেশির ভাগই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হতো এর ফলে অনেককেই সময় মতো পাওয়া যেত না। তাছাড়া মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি বাড়াতে চুক্তিভিত্তিক পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে সরাসরি নিয়োগ দেওয়াটাই মনে হয় উত্তম হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

Sunday, May 22, 2016

মুস্তাফিজের সাথে সাকিবের বাঁচা-মরার লড়াই আজ

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা:
প্লে-অফ নিশ্চিত করা সানরাইজার্স হায়দ্রবাদের লক্ষ্য শীর্ষ দুইয়ে থেকে সরাসরি কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলা। অন্যদিকে, প্লে-অফ নিশ্চিত করতে কলকাতার নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) জয়ের বিকল্প নেই। সাকিব-গম্ভীরদের জন্য এটি বাঁচা-মরার ম্যাচও বটে! এমনই পরিসংখ্যানে গ্রুপ স্টেজে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে হায়দ্রাবাদ-কলকাতা।


 
রোববার (২২ মে) ইডেন গার্ডেনসে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় হাইভোল্টেজ ম্যাচটি শুরু হবে। একই দিনের অপর ম্যাচে রাত সাড়ে ৮টার ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিপক্ষে মাঠে নামবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা গুজরাট লায়ন্সের সংগ্রহ পূর্ণ ১৪ ম্যাচে ১৮। এক ম্যাচ কম খেলা সানরাইজার্স ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অবস্থান করছে। এখন পর্যন্ত এই দুই দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত। সমান ম্যাচে ১৪ পয়েন্টে তিনে বেঙ্গালুরু ও একই পয়েন্টে চারে কলকাতা। দিল্লি ও সবকটি ম্যাচ সম্পন্ন করা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পয়েন্টও সমান ১৪।

তবে নেট রাট রেটে সবার চেয়ে এগিয়ে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু। এ মুহূর্তে শীর্ষ ছয় দলের নেট রান রেট যথাক্রমে -০.৩৭৪, +০.৩৫৫, ০.৯৩০, +০.০২২, -০.১০২, -০.১৪৬।

মুস্তাফিজ-ওয়ার্নারদের সানজার্সের কাছে হেরে গেলেও কলকাতার প্লে-অফে উঠার সম্ভাবনাটা শেষ হয়ে যাবে না। সেক্ষেত্রে দিল্লির বিপক্ষে জিততে হবে বেঙ্গালুরুকে। এতে কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বাইয়ের মধ্যে যে দল রান রেটে এগিয়ে থাকবে তাদেরই শীর্ষ চার নিশ্চিত হবে। কিন্তু, দিল্লি জিতলে জিততে হবে কলকাতাকেও। অন্যথায়, নেট রান রেটের সুবিধায় বেঙ্গালু‍রুই এগিয়ে থাকবে।

টুর্নামেন্টে প্রথম দেখায় (১৬ এপ্রিল) নিজেদের মাঠেই কলকাতার কাছে আট উইকেটের বড় ব্যবধানে হার মানে সানরাইজার্স। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে ১৯১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েও কুইন্ট ডি ককের শতকে ভর করে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে সাত উইকেটের দুর্দান্ত জয় পায় দিল্লি।

ইনজুরি আক্রান্ত আন্দ্রে রাসেল ফিট না থাকলে তার জায়গায় নিউজিল্যান্ড অলরাউন্ডার কলিন মুনরো অথবা অস্ট্রেলিয়ান ‘বিগ হিটার’ ক্রিস লিন কলকাতার একাদশে থাকতে পারেন। অপরদিকে, অপরিবর্তিত দল নিয়ে মাঠে নামতে পারে হায়দ্রাবাদ।

সানরাইজার্সের সম্ভাব্য একাদশ: ডেভিড ওয়ার্নার (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, যুবরাজ সিং, দিপক হুদা, ময়েজেস হেনরিকস, ইয়ন মরগান, নামান ওঝা (উইকেটরক্ষক), ভুবনেশ্বর কুমার, করন শর্মা, মুস্তাফিজুর রহমান, বারিন্দার স্রান।

কলকাতার সম্ভাব্য একাদশ: গৌতম গম্ভীর (অধিনায়ক), রবিন উথাপ্পা (উইকেটরক্ষক), মানিশ পান্ডে, সুরিয়াকুমার যাদব, সাকিব অাল হাসান, উইসুফ পাঠান, জেসন হোল্ডার/কলিন মুনরো/ক্রিস লিন, পিয়ুস চাওলা, মরনে মরকেল, সুনীল নারাইন, অঙ্কিত রাজপুত/উমেশ যাদব।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

Saturday, May 21, 2016

চট্টগ্রামে আঘাত হানলো ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা: চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু।  এর ফলে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়ায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।  চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা, সন্দ্বীপ উপেজেলার নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

শনিবার (২১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার কিছুক্ষণ পরে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে।  এসময় ঘূর্ণিঝড়ের একটানা গতিবেগ ছিল ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। 

একই গতিবেগে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু বর্তমানে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করে উত্তর-পূর্বদিকে মায়ানমারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন নগরীর পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা আতিকুর রহমান।

এদিকে রোয়ানুর প্রভাবে চট্টগ্রাম নগরীসহ আশপাশের এলাকাজুড়ে প্রচণ্ড বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।  একইসঙ্গে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতও হচ্ছে।

ঝড়ো হাওয়ায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সামনে তিনটি গাছ রাস্তার উপর ভেঙে পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম নগরীর ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর জামাল হোসেন।

জোয়ারের পানিতে নগরীর মধ্যম হালিশহর, পতেঙ্গার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর জেসমিনা খানম।

পতেঙ্গায় বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।

এদিকে বাঁশখালী, আনোয়ারা ও সন্দ্বীপ উপজেলায় প্রচণ্ড জোয়ারে বেড়িবাঁধ উপচে পানি ঢুকে গেছে লোকালয়ে।  বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

দুপুরেই পরই আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা :
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ উপকূলের দিকে আরো এগিয়েছে। এটি শনিবার দুপুর নাগাদ বরিশাল-চট্রগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘন্টায় ৬২ কি.মি. যা দমকা অথবা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাসহ সারাদেশে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

শনিবার (২১ মে) সকাল ৬টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন ১৭-তে এ তথ্য জানানো হয়।

এই বুলেটিনে আরো বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ২৫৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিম, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড বাতাস বইছে, সঙ্গে হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত।ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৭ নম্বর বিপদ সংকেত বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে জানানো হয়, উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর জেলা সমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারি থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘন্টায় ৬২-৮৮ কি.মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এদিকে শুক্রবার দুপুর থেকেই মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া শুরু হয়েছে। ১৮টি জেলার ৩ হাজার ৮৫১টি আশ্রয়কেন্দ্রে এসব মানুষকে আনা হয়। তাদের থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছেন ঘুর্ণিঝড় প্রস্তুতি কমিটির (সিপিপি) ৫৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। মাঠে থাকবেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রোভার স্কাউট ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ ও সচিব মো. শাহ কামালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে ১৮ জেলার প্রায় সাড়ে ২১ লাখ মানুষকে। বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীন রুটের নৌ চলাচল। ঘূর্নিঝড়টির প্রভাবে গত দু’দিন ধরে দেশের সব অঞ্চলেই বৃষ্টি হয়েছে, যা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি মোকাবেলায় ৫৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

রোয়ানুর প্রভাবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ)। সংস্থাটির পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মফিজুর রহমান জানান, খারাপ আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার বিকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় চট্টগ্রামে ৪৭৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোজবাহ উদ্দিন।  দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে চট্টগ্রামে ২৪২টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সাথে ঘূর্ণীঝড় পরবর্তী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধস ঠেকাতে ইতোমধ্যে মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী শনিবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলামেইল২৪ডটকম
Share:

Friday, May 20, 2016

৭ নং বিপদ সংকেত, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাসিন্দাদের

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স:

ঢাকা:
ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র প্রেক্ষিতে সতর্ক সংকেত বাড়ানোর ফলে চার জেলার উপকূলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল।



শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৭, কক্সবাজারে ৬ এবং মংলা নমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলে।

দুর্যোগ সচিব বাংলানিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার উপকূলের লোকজনকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।

এছাড়া কক্সবাবাজার উপকূলের লোকজনদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সতর্কতা বাড়লে তাদের যে কোনো সময় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে।

উপকূলের লোকজনকে সরিয়ে নিতে স্থানীয় দুর্যোগ কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, সাগরে অবস্থানরত  সকল মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ না দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বিশেষ বুলেটিনে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর জেলা ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের মধ্যে আসবে বলে জানানো হয়।

কক্সবাজার ও আশেপাশের এলাকায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মংলা সমুদ্রবন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত ছাড়াও এর আশেপাশের ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা অঞ্চল পড়বে।

রোয়ানুর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ও আশেপাশের দ্বীফ ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আসতে পারে।

এছাড়া অতিক্রমকালে কক্সাবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি বেগে দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীল সমুদ্রে অবস্থানরত সকল মাছ ধরা নৌকা ট্রলারকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়।  

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ঘর্ণিঝড়, ক্রমেই উপকূলে এগিয়ে আসছে। আগের দিন দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে থাকলেও এখন হাজার কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে।

সর্বশেষ বেলা ১২টা নাগাদ ঘুর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৬৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৪৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিম, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৭৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিম ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮১০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

সতর্কতা সংকেত ২ থেকে ৪ এবং সর্বশেষ ৭, ৬ ও ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

৭ নম্বর বিপদ সংকেতের অর্থ বন্দরে ছোট বা মাঝারী তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে নিপতিত।

ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি। ঝড়টি বন্দরকে উপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নম্বরের অর্থ, বন্দর ছোট বা মাঝারী তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে নিপতিত। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিক রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

আর ৫ নম্বর বিপদ সংকেতের অর্থ, বন্দর ছোট বা মাঝারী তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে নিপতি।
ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিক রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন