Sunday, June 12, 2016

পতিতা চরিত্রে অভিনেত্রী তিশা!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর ডেক্স

ঢাকা: 
ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম নুসরাত ইমরোজ তিশা। তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে এরই মধ্যে নিজের অভিনয় প্রতিভা প্রমাণ করেছেন। দারুণ অভিনয় দিয়ে সম্প্রতি ছোট পর্দা থেকে তিনি পদার্পণ করেছেন বড় পর্দায়ও। অভিনয়ের প্রয়োজনে নিজেকে যেকোন চরিত্রে মেলে ধরেন এ জনপ্রিয় অভিনেত্রী। আর এরই ধারাবাহিকতায় নিজেকে এবার একদম আলাদাভাবে উপস্থাপন করলেন তিনি।

পতিতার বেশে তিশা
আর এবারে ঈদকে সামনে রেখে একেবারে একটি ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘এক রাইতের স্বোয়ামী’ নামের একটি টেলিফিল্মে পতিতার চরিত্রে দেখা যাবে তিশাকে। টেলিফিল্মটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মহম্মদ মেহেদী হাসান জনি। এতে আরো অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের ও উজ্জ্বল চৌধুরী।

এ বিষয়ে তিশা বলেন, ‘টেলিফিল্মটির গল্প একেবারেই ভিন্ন ধরনের। দর্শকরা এক ভিন্ন তিশাকে দেখতে পাবেন।’ টেলিফিল্মটির গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, ‘পতিতাদের সম্পর্কে অনেকের জানার আগ্রহ থাকে। এ ধরনের গল্প নিয়েই টেলিফিল্মটি নির্মাণ করা হয়েছে। আশা করি, টেলিফিল্মটি দর্শকদের ভালো লাগবে।’ আসন্ন ঈদে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ‘এক রাইতের স্বোয়ামী’ টেলিফিল্মটি প্রচারিত হবে।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম



Share:

Sunday, June 5, 2016

বাংলাদেশের সন্ত্রাসী হামলা বিশ্ব থেকে আলাদা নয়

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা: বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে যে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাগুলো ঘটছে, তা বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা সন্ত্রাসী হামলা থেকে আলাদা কিছু নয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্রগুলো মিলে এই হামলা মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে চায়।

রোববার রাজধানীর বসুন্ধরায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির এনভায়রনমেন্ট ক্লাব আয়োজিত পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে পরিবেশ নষ্টের যোগসূত্র উল্লেখ করে বার্নিকাট বলেন, পরিবেশের কোনো সীমানা নেই। পরিবেশ নষ্টের ঝুঁকি কোনো দেশে দেখা গেছে, তার প্রভাব অন্য দেশের ওপরও পড়তে পারে। তেমনি সন্ত্রাসবাদকেও একটি দেশের সীমানায় আটকে রাখা যায় না। এর প্রভাবও অন্য দেশের ওপর পড়ে।

তিনি বলেন, আমাদের কাছে থাকা প্রতিবেদন বলছে, এখানকার সন্ত্রাসী হামলা বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের বাইরে কিছু নয়। গত ১৫ মাসে বাংলাদেশে ৪০টির বেশি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মার্শা বার্নিকাট বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রতিরোধসহ নানামুখী পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সব দেশের ঐক্য, প্রচেষ্টা এবং সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ ও জলবায়ু কেবল কোনো দেশ, জাতি অথবা সীমান্তের গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্র সবাইকে নিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ওমর রহমান। তিনি বলেন, পরিবেশবিষয়ক গণসচেতনতা গড়ে তোলার দায়িত্ব ছাত্রদের। এ ব্যাপারে ছাত্রদের আরও উদ্যোগী হতে হবে।

আলোচনা শেষে পরিবেশবিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি রাশেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

নারী সেজে অভিনব প্রতারণা!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
মোবাইল ফোনে নারীকণ্ঠে ফোন করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার গভীর রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার আরেফিননগর এলাকা থেকে দুই ভাইকে গ্রেফতার করে বায়েজিদ থানা-পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন নেজাম উদ্দিন (২৩) ও কমর উদ্দিন (২১)। গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই নারীকণ্ঠে ফোন করে প্রতারণার জাল ফেলে অর্থ আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসীন জানান, পরিবারের অর্থসংকট মোকাবিলায় কলেজপড়ুয়া দুই ভাই ফোনের মাধ্যমে অর্থ আয় করার এক অভিনব কৌশল ঠিক করেন। তারা ‘ফেসবুকে চামিলী সেন, রাজসী বড়ুয়া ও ঝুমকা রানী নামে তিনটা ফেক আইডি খোলেন। সেসব আইডিতে সুন্দরী মেয়েদের ছবি আপলোড করে ফোন ও ভিডিও করার জন্য মোবাইল নম্বর দিয়ে আহ্বান জানান।

এরপর তাদের মোবাইলে একের পর এক ফোনকল আসতে থাকে। মোবাইল ফোনের বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাদের কণ্ঠকে নারীকণ্ঠে রূপান্তর করে দুই ভাই আগ্রহীদের সঙ্গে কথা বলে প্রতি কলের জন্য ৩০০, ৫০০ কিংবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতেন। এভাবে দুই ভাইয়ের প্রতি মাসে আয় ছিল প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

এই প্রতারণার বিষয়টি শুক্রবার পুলিশের নজরে আসার পর পুলিশ নগরীর আরেফিননগরের একটি ভাড়া বাসা থেকে দুই ভাইকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫টি মোবাইল ফোন। তাদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছেন, তারা দুজনই চট্টগ্রামের এমইএস কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে এখন বেকার জীবনযাপন করছেন। পারিবারিক অর্থসংকটের কারণে তারা টাকা রোজগারে প্রতারণার এই অভিনব পন্থাটি বেছে নিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

Muhammad Ali in his own words: Ten greatest Ali quotes

Prothom Alo24 Desk

Dhaka:
As renowned a boxer Muhammad Ali was, "The Greatest of All Time" had a gift for words. Ali's eloquence has resulted in phrases like that still resonate in society and transcend sports.


The former heavyweight champion died Friday night at the age of 74, finally succumbing to a long battle with Parkinson's disease.

He was never shy and was always able to drop a memorable line. Here are 10 of his best quotes.

1. "Float like a butterfly, sting like a bee."

2. "I'm the greatest thing that ever lived! I'm the king of the world! I'm a bad man. I'm the prettiest thing that ever lived."

3. "I hated every minute of training, but I said, ‘Don’t quit. Suffer now and live the rest of your life as a champion.'"

4. "The man who views the world at 50 the same as he did at 20 has wasted 30 years of his life."

5. "It's just a job. Grass grows, birds fly, waves pound the sand. I beat people up."

6. "I know where I'm going and I know the truth, and I don't have to be what you want me to be. I'm free to be what I want."

7. "I done wrestled with an alligator, I done tussled with a whale; handcuffed lightning, thrown thunder in jail; only last week, I murdered a rock, injured a stone, hospitalized a brick; I'm so mean I make medicine sick."

8. "Champions aren't made in gyms. Champions are made from something they have deep inside them — a desire, a dream, a vision. They have to have the skill, and the will. But the will must be stronger than the skill."

9. "The best way to make your dreams come true is to wake up."

10. "Friendship … is not something you learn in school. But if you haven’t learned the meaning of friendship, you really haven’t learned anything."

Source: Sporting News/Yahoo
Share:

Saturday, June 4, 2016

দুই মাথা নিয়ে অদ্ভূত শিশুর জন্ম!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
ভারতের বিহার রাজ্যের বক্সার জেলায় বেসরকারি হাসপাতালে অদ্ভূত যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন মা শিবরাজ দেবী। যমজ সন্তানের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চিকিৎসার জন্য তাদের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


বুধবার বিকেলে জন্ম নেওয়া এই যমজ সন্তানের একজন ছেলে অন্যজন মেয়ে।

জানা যায়, এক ছেলে এবং এক মেয়ের পর তৃতীয়বার সন্তানসম্ভবা হয়ে খুবই উত্তেজিত ছিলেন ২৪ বছরের শিবরাজ দেবী। একইভাবে তৃতীয়বার বাবা হওয়ার আশায় প্রবল আনন্দে মেতেছিলেন ৩০ বছরের ছোট্টু সিং। অবশেষে বুধবার বিকেলে যমজ সন্তানের জন্ম দিলেন শিবরাজ।

আর তারপরেই দেখা দিল সমস্যা। মুহূর্তের মধ্যে উধাও হয়ে গেল সব আনন্দ। শিবরাজ দেবীর গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ যমজ সন্তানের দেহ একটি। যমজ দু’জনের একজন ছেলে ও একজন মেয়ে। তাদের দু’জোড়া হাত থাকলেও পা রয়েছে একজোড়া। দু’জনের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু অঙ্গও রয়েছে একটি করে।

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজ কুমার গুপ্তা বলেন, তলপেটের নিচ থেকে তাদের অঙ্গ সব জোড়া রয়েছে। একজনের যৌনাঙ্গ দেখা যাচ্ছে। যাতে বোঝা যাচ্ছে সে মেয়ে। অন্য আরেকজনের যৌনাঙ্গ এখনও দেখা যায়নি। তবে মনে হচ্ছে অপরটি ছেলে। যমজের ক্ষেত্রে সাধারণত উভয়ের লিঙ্গ একই হয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে আলাদা।

সদ্য জন্মানো এক শরীরের দুই সন্তানের শারীরিক অবস্থা একটু স্থিতিশীল হলে তাদের তিন ঘণ্টা দূরত্বের একটি বড় হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হার মানে সেই বড় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্মানো ওই দুই শিশুর চিকিৎসার খরচ চালানোর মতো অবস্থা নেই কারখানার শ্রমিক ছোট্টু সিংয়ের। সে কারণে সন্তানদের বাড়ি নিয়ে যেতে চাইছেন ছোট্টু-শিবরাজ।

ছোট্টু সিং জানালেন, গর্ভবতী অবস্থায় সবরকম পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের যাবতীয় পরামর্শ মেনে চলেছিল শিবরাজ। একবারের জন্যও বোঝা যায়নি যে শিবরাজের গর্ভে বড় হচ্ছে যমজ সন্তান।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

Wednesday, June 1, 2016

নিজামীর ফাঁসি নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থানে বিরক্ত ভারত

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান নিয়ে ভারত চিন্তিত ও বিরক্ত। ভারতের কূটনৈতিক মহল এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা পাকিস্তানের নেওয়া অবস্থানকে ভালো চোখে নিচ্ছে না। ভারতের প্রশাসনিক মহলের সূত্র থেকে পওয়া খবরে জানা যাচ্ছে মূলত দুটি বিষয় নিয়ে নাখুশ ভারত।


 
প্রথম বিষয় গত ১১ মে (বুধবার) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বক্তব্য, যেখানে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের সংবিধান এবং আইনের পক্ষ নেওয়াই ছিল নিজামীর এক মাত্র অপরাধ।

একই দিনে পাকিস্তানের পার্লামেন্ট একটি ‘ফাতেয়া’ জারি করে। বিনা বাঁধায় একটি রেজুলিউশনও পাশ হয়। যেখানে এই ফাঁসির ঘটনায় গভীর চিন্তা প্রকাশ করা হয়েছে। পাকিস্তানের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিভাগের মন্ত্রী এই বিষয়ে তাদের গভীর চিন্তা ব্যক্ত করেন।

দ্বিতীয়ত গত ২৪ মে (মঙ্গলবার) পাকিস্তানের পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলিতে একটি রেজুলিউশান নেওয়া হয়। যেখানে প্রস্তাব দেওয়া হয় জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীরকে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘নিশান-এ পাকিস্তান’ প্রদান করার। শুধু তাই নয় পাকিস্তানের মধ্যে অন্তর্গত  পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলিতে এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কারাগারে মানবতা বিরোধী অপরাধে বন্দি এবং মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত সমস্ত জামায়াত ইসলাম নেতাদের এই সম্মান দেবার প্রস্তাব আনা হয়েছিল।

লক্ষণীয় ভাবে পাকিস্তানের পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলিতে এই বিষয় নিয়ে কোন বিরোধিতা দেখা যায়নি। কূটনৈতিক মহল এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা এই বিরোধিতাহীন প্রস্তাব গ্রহণের বিষয়টিকে নজর রেখে যথেষ্ট বিব্রত। ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের একটি মহলের মতে এই দুটি ঘটনা পাকিস্তানের সঙ্গে জামায়াত ইসলামের গভীর যোগাযোগ এবং সমর্থনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

বিশ্লেষকদের মতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলিতে এই ধরণের একটি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরকার, রাজনৈতিকদল এবং জনগণের পক্ষে একাধিক প্রতিবাদ হওয়াই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু সেই ধরণের কোন প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকে সবকটি পক্ষ।

স্বাভাবিক রাজনৈতিক অবস্থায় একটি সার্ব্বভম্য দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্যদেশের এই ধরণের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক রাজনীতির শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে মনে করছেন ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা আরও অবাক হয়েছেন গোটা বিশ্বের এই নিয়ে চুপ থাকার বিষয়টিও। তাদের আশা আগামী দিনে এই বিষয়টিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলও খুব দ্রুত সরব হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Share:

সহজেই ভালো বেতনে যে চাকরি পাওয়া যায়

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা: মার্চেন্ডাইজিং দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগত। এখানে কাজের বিশাল ক্ষেত্র। সহজেই মিলবে আপনার চাকরি। ভালো বেতন, বিদেশ ভ্রমণ ও নানা সুযোগ-সুবিধার কারণেই বায়িং হাউসের চাকরি অনেকের-ই প্রথম পছন্দ।
ছবি: প্রতিকী


বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের ব্যাপক চাহিদা বিশ্ববাজারে। রপ্তানি আয়ের প্রধান খাতও এটি। গার্মেন্টের তৈরি পণ্য বিক্রিতে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে কাজ করে বায়িং হাউস। পোশাক খাতের এসব প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মার্চেন্ডাইজাররা। এ পেশায় আছে অনেক কাজের সুযোগ।

কাজের ধরন


বায়িং হাউস ফ্যাশন এক্সপ্রেসের সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার মাঈদুল ইসলাম জানান, মার্চেন্ডাইজারদের কাজের প্রধান ক্ষেত্র দুটি—ফ্যাক্টরি ও বায়িং হাউস। বায়িং হাউসে কাজের পরিধি বড়। বায়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পণ্য বিক্রির প্রস্তাব দেন বায়িং হাউসের মার্চেন্ডাইজাররা। বায়ার রাজি হলে প্রোডাক্টের স্যাম্পল দেখানো হয়। প্রোডাক্ট তৈরিতে কী কী উপকরণ ব্যবহার করা হবে, মান, কতটুকু টেকসই হবে—এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা করা হয়। পছন্দ হলে দামের বিষয়টি চূড়ান্ত করে চুক্তি করা হয়। চাহিদা অনুযায়ী ফ্যাক্টরিতে প্রোডাক্ট তৈরি থেকে শুরু করে শিপমেন্ট পর্যন্ত পুরো কাজ দেখতে হয় মার্চেন্ডাইজারদের। ফ্যাক্টরির মার্চেন্ডাইজাররা বায়িং হাউসের মাধ্যমে পাওয়া কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তৈরি ও পণ্যের মানের বিষয়টি দেখভাল করেন। বায়িং হাউসের মার্চেন্ডাইজারদের কাছে পণ্য বুঝিয়ে দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের কাজ। অনেক ক্ষেত্রে দেশের বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ইমপোর্ট করা, এলসি খোলার কাজও করেন ফ্যাক্টরির মার্চেন্ডাইজাররা।

যেমন যোগ্যতা থাকা চাই:

মার্চেন্ডাইজারস ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি ও বায়িং হাউস এশিয়ান গ্লোবাল সোর্সিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মাওলা জানান, মার্চেন্ডাইজার হওয়ার জন্য যেকোনো বিষয়ে স্নাতক হলেই চলে। তবে অগ্রাধিকার পায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেক্সটাইলের যেকোনো বিষয়ের ছাত্রছাত্রীরা। মার্চেন্ডাইজারদের বিভিন্ন দেশের বায়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। এ জন্য ইংরেজিতে যোগাযোগের দক্ষতা থাকতে হয়। পাশাপাশি অন্য দেশের ভাষা জানা থাকলে বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয়। কম্পিউটারেও দক্ষতা থাকা চাই।

যেভাবে চাকরি পাবেন:
বায়িং হাউস ও ফ্যাক্টরিতে মার্চেন্ডাইজার নিয়োগের জন্য পত্রিকায় তেমন বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় না। অনেক প্রতিষ্ঠান অনলাইন জব পোর্টালের মাধ্যমে সিভি চায়। তবে বেশির ভাগ নিয়োগ হয়ে থাকে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও পরিচিতির মাধ্যমে। বিভিন্ন বায়িং হাউস, ফ্যাক্টরি ও মার্চেন্ডাইজিং পেশায় কর্মরতদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। মাঈদুল ইসলামের পরামর্শ, বিভিন্ন জব পোর্টালের গার্মেন্ট, টেক্সটাইল বা মার্চেন্ডাইজিং ক্যাটাগরিতে নিয়মিত চোখ রাখতে হবে। বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রথম কয়েক দিনের মধ্যেই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে সরাসরি সিভি জমা দিয়ে রাখতে পারেন। সাধারণত ভাইভার মাধ্যমেই নিয়োগ দেওয়া হয়। অনেক সময় লিখিত পরীক্ষাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে গার্মেন্ট বা মার্চেন্ডাইজিংসম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে ভাইভা নেওয়া হয় ইংরেজিতে। এতে প্রার্থীর ইংরেজির দক্ষতাও যাচাই হয়ে যায়। নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পায় অভিজ্ঞ বা টেক্সটাইল বিষয়ে পড়াশোনা করা প্রার্থীরা। অনভিজ্ঞ প্রার্থীরাও আত্মবিশ্বাস, এ পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার আগ্রহ দেখাতে পারলে চাকরি পেতে পারেন।

পদোন্নতি:


গোলাম মাওলা জানান, অনভিজ্ঞদের সাধারণত অ্যাসিস্ট্যান্ট মার্চেন্ডাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। যোগ্যতা অনুযায়ী মার্চেন্ডাইজার, সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার ও মার্চেন্ডাইজার ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পেতে পারেন। পদোন্নতি হয় কাজ ও দক্ষতার ভিত্তিতে। বায়ারকে আকৃষ্ট করা, সঠিক সময়ে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারলে চাকরি শুরুর বছরখানেকের মধ্যেই পদোন্নতি পেয়ে মার্চেন্ডাইজার হতে পারেন অ্যাসিস্ট্যান্ট মার্চেন্ডাইজার।

বেতন ও সুযোগ-সুবিধা:

শুরুতে একজন মার্চেন্ডাইজার ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা বেতন পান। অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে বাড়ে বেতনও। সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার বা মার্চেন্ডাইজিং ম্যানেজার দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন। বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতাও দেওয়া হয়।

মার্চেন্ডাইজাররা বিভিন্ন দেশে গার্মেন্ট খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মেলা বা প্রদর্শনীতে অংশ নেন। মার্চেন্ডাইজারের কাজে সন্তুষ্ট হলে অনেক সময় বিদেশ ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান বায়ার। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সুযোগ পান মার্চেন্ডাইজাররা।

প্রশিক্ষণের খোঁজখবর

স্নাতক শেষে মার্চেন্ডাইজিংয়ের ওপর কোর্স করা যায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছয় মাস থেকে এক বছরমেয়াদি কোর্স আছে। কোর্স করা থাকলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউএফটি) অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিংয়ে এক বছরমেয়াদি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমায় খরচ পড়বে ৯১ হাজার টাকা। অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিংয়ে দুই বছরমেয়াদি এমবিএ করতে চাইলে গুনতে হবে দুই লাখ ৮০ হাজার ৭০০ টাকা। ভর্তি করা হয় স্প্রিং এবং ফল—দুই সেমিস্টারে।

মার্চেন্ডাইজারস ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজিতে (এমআইএফটি) এক বছরমেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স শুরু হয় জানুয়ারিতে। খরচ পড়বে ৫০ হাজার টাকা। ছয় মাসমেয়াদি এক্সিকিউটিভ কোর্সে খরচ পড়বে ২৫ হাজার, চার মাসের সার্টিফিকেট কোর্সে ১৫ হাজার টাকা। দুটি কোর্সই শুরু হয় জুলাইয়ে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজিতে (এনআইএফটি) ছয় মাসের অ্যাডভান্স সার্টিফিকেট কোর্সে খরচ পড়বে ৩৫ হাজার টাকা। দুই বছরমেয়াদি এমবিএ কোর্সে শিক্ষার্থীদের সিজিপিএর ওপর কোর্স ফি নির্ভর করে। খরচ সর্বনিম্ন এক লাখ ১৬ হাজার ৫০০ থেকে এক লাখ ৫৪ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এক বছরের ডিপ্লোমায় গুনতে হবে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

 যেখানে প্রশিক্ষণ নেবেন:  

১. বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি)
১০৫ এসআর টাওয়ার, উত্তরা, সেক্টর-৭, ঢাকা। ফোন : ৫৮৯৫০৯৮৬, ৫৮৯৫০৯৮৭, ৪৮৯৫০৫৩৫

২.  মার্চেন্ডাইজারস ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (এমআইএফটি)
হাউস-২০, তৃতীয় তলা, শাহ মখদুম এভিনিউ, উত্তরা, সেক্টর-১১, ঢাকা।
ফোন : ৫৫০৮৫২৩৯, ০১৭১৬৬৭২৬৬৩

৩. বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন টেকনোলজি
৩/গ শ্যামলী, রোড-১, ঢাকা-১২০৭।
ফোন : ০১৯৭৯৭৯৯৩৯৩, ০১৫৫২৬৪৪৪৭৯

৪. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (এনআইএফটি)
৭৩ মহাখালী, ওয়্যারলেস গেট, ঢাকা।
ফোন : ০১৬৭৮৬৬৬৬২৪, ০১৭৩১২২০০৯৯


তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

স্ত্রীকে বাজি ধরে হারলেন স্বামী!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
বিশ্বের সবচেয়ে দামী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আইপিএলে নিজের স্ত্রীকে নিয়ে বাজি ধরলেন কানপুরের গোবিন্দনগরে এক স্বামী। শেষপর্যন্ত বাজিতে হেরেও যান তিনি।



চলতি আইপিএলের এক ম্যাচে নিজের স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়ার আড্ডায় বসেছিলেন এ ব্যক্তি।

অভিযোগ উঠে, এরপরই জুয়ারি রবীন্দ্র সিং ও তার লোকজন ওই গৃহবধূকে নির্যাতন করতে শুরু করে। পরিস্থিতি জটিল হলে, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান স্বামী।

পুলিশ জানায়, গৃহবধূর স্বামী, শেয়ার বাজারে সমস্ত টাকা খুইয়ে ফেলেন। শেষে আইপিএলএর জুয়ায় নিজের স্ত্রীকেই বাজি রাখেন। অথচ, সেখানেও বাজি হেরে যায় তিনি।

এদিকে এ ঘটনার পর স্বামীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন ওই গৃহবধূ। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। এরপর থেকেই নানাভাবে তার ওপর অত্যাচার চালায় স্বামী। এমনকি, বাপের বাড়ি থেকে পাওয়া সব গয়নাও জোর করে তার কাছ থেকে নিয়ে নিয়ে খুড়িয়ে ফেলে স্বামী।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন