Monday, June 20, 2016

রাস্তাতেই করা যাবে মোটর সাইকেল রেজিস্ট্রেশন

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স
ঢাকা: বিআরটিএ’তে মোটর সাইকেল রেজিস্ট্রেশন! নানা নিয়ম-কানুন, এ কক্ষ থেকে সে কক্ষ দৌড়াদৌড়ি, ঘুরতে ঘুরতে জুতার তলা ক্ষয়ে যাওয়ার জোগার, তারপরও ভাগ্য প্রসন্ন না হলে রেজিস্ট্রেশনে লেগে যেতে পারে মাসখানেক সময়। কতো ঝক্কিঝামেলা!

তবে এখন আর বিআরটিএ যেতে হবে না। পুলিশি মামলার ঝামেলা এড়াতে বাইক নিবন্ধন করে ফেলুন সংসদ ভবনের পাশে খোলা রাস্তায়।

২৩ জুন (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে ‘আন্তর্জাতিক সিভিল সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষ্যে স্পট রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দেবে বিআরটিএ। এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিআরটিএ। এই বিজ্ঞপ্তিটি ওয়েবসাইটের পাশাপাশি বিআরটিএ কার্যালয়েও প্রদর্শিত হচ্ছে ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৩ জুন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার মোটরসাইকেল স্পটে রেজিস্ট্রেশন করা হবে। আগ্রহী সেবাগ্রহীতাদের মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মোটরসাইকেলসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে আসার অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাস্তায় চলার পথে পুলিশি মামলার ঝামেলা এড়াতে বাইক নিবন্ধন এই সুয়োগ নেয়া উচিৎ। সাধারণত রেজিস্ট্রেশন হাতে পেতে মাসখানেক সময় লেগে যায়। সঙ্গে কিছু ঝামেলা তো থাকেই।

এভাবে রেজিস্ট্রেশনের জন্য যেসব কাগজ সঙ্গে আনতে হবে-

১. মালিক ও আমদানিকারক/ডিলার কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর করা নির্ধারিত আবেদনপত্র।
২. মালিকের ৩ কপি সদ্য তোলা স্ট্যাম্প সাইজের রঙিন ছবি।
৩. বিল অব এন্ট্রি, ইনভয়েস, বিল অব লেডিং ও এলসিএ কপি (ফটোকপি আমদানিকারক অথবা শো রুম মালিক কতৃক সত্যায়িত)
৪. সেল সার্টিফিকেট/সেল ইন্টিমেশন/বিক্রয় প্রমাণপত্র।
৫. প্যাকিং লিস্ট, ডেলিভারি চালান ও গেইট পাস
৬. (ক) মূসক-১, (খ) মূসক-১১(ক) এবং (গ) ভ্যাট পরিশোধের চালান
৭. সিকেডি মোটরযানের ক্ষেত্রে বিআরটিএর টাইপ অনুমোদন ও অনুমোদিত সংযোজনী তালিকা
৮. রেজিস্ট্রেশন ফি জমাদানের রসিদ
৯. ব্যক্তি মালিকানাধীন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র/ পাসপোর্ট/ টেলিফোন
বিল/ বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদির যেকোন একটির সত্যায়িত ফটোকপি এবং মালিক প্রতিষ্ঠান হলে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে চিঠি।
১০. ১২৫ ও তদূর্ধ্ব সিসি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ৫০ (পঞ্চাশ)
টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গিকারনামা (অঙ্গিকারনামার নমুনা ওয়েবসাইটে ও
স্পটে পাওয়া যাবে)।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

Sunday, June 19, 2016

ধর্ষণের অভিযোগে ভারতীয় ক্রিকেটার গ্রেফতার

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর ডেক্স:

ঢাকা: জিম্বাবুয়েতে সফররত ভারত জাতীয় ক্রিকেট দলের এক ক্রিকেটারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত দলের হারের পরদিন রোববার দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘নিউ জিম্বাবুয়ে’ এ খবর প্রকাশ করে।


 
জিম্বাবুয়ের এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে শুক্রবার হারারেতে ওই ক্রিকেটারকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। হারারের সহকারী পুলিশ কমিশনার চ্যারিটি চারাম্বা গ্রেফতারের নিশ্চিত করলেও ওই ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি।

নিউ জিম্বাবুয়ে-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হারারের মেইকলেস হোটেলে ঘটেছে এ ঘটনা। ওই নারীর অভিযোগ রক্তাক্ত অবস্থায় এক ভারতীয় ক্রিকেটারের রুমে তার জ্ঞান ফেরে। তিনি ওখানে কীভাবে গেছেন, সেই ধারণাও নেই তার। ওই হোটেলেই বর্তমানে ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দল রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা চ্যারিটি চারাম্বা বলেন, অভিযোগকারী নারী এক ভারতীয়র কথা বলেছে। আইনি বাধার কারণে আমি এ মুহূর্তে জানাতে পারছি না তিনি ভারতীয় খেলোয়াড় না কর্মকর্তা। তবে অভিযুক্তকে শনিবার আদালতে তোলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি জানান, এ ঘটনার তদন্ত শেষ করেছে পুলিশ। আর আদালতেই বিষয়টির সুরাহা হবে। বিষয়টি কূটনৈতিক পর্যায়ে রয়েছে।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

গর্ভ ভাড়া দেওয়াই চার বোনের পেশা..!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

গর্ভ ভাড়া দিয়ে নিঃসন্তান দম্পতির মুখে হাসি ফোটান তাঁরা। আর এতেই চলে তাঁদের সংসার। শুধু গর্ভ ভাড়া দিয়েই প্রতি বছর ১০ হাজার পাউন্ড (১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা) আয় করেন মেক্সিকোর চার বোন।

এনিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের দৈনিক ডেইলি মেইল।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মেক্সিকোর উন্নত অঞ্চলগুলোর অন্যতম টাবাসকোতে গর্ভ ভাড়া বা ‘সারোগেসি’ বাণিজ্যের বাজার এখন প্রায় ৯০ মিলিয়ন পাউন্ডের। সেখানে হারনান্দেজ বোনদের মতো অনেকেই গর্ভ ভাড়া দিয়ে রুটিরুজি জোগান।

ওই চার বোন ডেইলি মেইলকে জানান, গর্ভ ভাড়া দিয়ে তাঁরা নয় মাসে যা রোজগার করেন, সেই পরিমাণ অর্থ আয় করতে তাঁদের ভাইদের ২০ বছর সময় লাগবে।
হার্নান্দেজ বোনদের সবচাইতে বড় জন মিলাগ্রোস (৩০) জানান, তাঁর হাত ধরে বাকি তিন বোনের এই ব্যবসায় আসা। এখন মার্থা (২৯), মারিয়া (২৭) এবং পাউলিনা (২২) এই ব্যবসায় বেশ আয় করছে।

মিলাগ্রোস আরো বলেন, ‘প্রতিটি নারীর কাছে তাঁর সন্তান অমূল্য ধন। কিন্তু আধুনিক যুগে সন্তান ধারণে অক্ষম নারীদের মা হওয়ার ধরন পাল্টেছে। দিন যত এগোচ্ছে, প্রযুক্তি ততই মানুষের অপূর্ণতাকে পূর্ণতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাই জমি ভাড়া নিয়ে ফসল উৎপাদনের মতো মায়ের গর্ভ ভাড়া নিয়ে সন্তান উৎপাদন আজ আর অবাক হওয়ার কোনো বিষয় নয়।’

মিলাগ্রোস জানান, নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তানের জন্য একটি ব্যবস্থা গর্ভ ভাড়া বা সারোগেশন। সারোগেশনের অর্থ হলো গর্ভধারণে সক্ষম মায়ের ভ্রুণে শুক্রাণু প্রতিস্থাপন করে সন্তান লাভ। তবে ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রে সারোগেশনের ব্যয় খুব বেশি। আর তাই ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রের সন্তান ধারণে অক্ষম নারীরা সারোগেশনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছে বেশি।

হার্নান্দেজ বোনদের মেঝো জন সার্গস মার্থা বলেন, ২৩ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের এক নিঃসন্তান দম্পতির জন্য গর্ভধারণ করেছিলেন তিনি। ৩৬ বছর বয়েসের ওই নারী ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। ক্যান্সারের কারণে তাঁর গর্ভাশয়ের একটি অংশ অপসারণ করতে হয়। এতে চিরদিনের মতো সন্তান ধারণে অক্ষম হয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু তাঁর যে একটা সন্তান চাই। শেষে মেক্সিকোর এক এজেন্টের (চিকিৎসক) মাধ্যমে তাঁর (মার্থা) সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই নারী। শেষে তাঁর মাধ্যমেই সন্তানের মুখ দেখেছিলেন ওই নারী।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদককে মার্থা জানান, চুক্তি অনুযায়ী জন্মদানের পর শিশুটি ১০ দিন তাঁর কাছে ছিল। বুকের দুধ খাওয়াতে হয়েছিল শিশুটিকে, এরপর সদ্যোজাত শিশুটিকে পরিবার নিয়ে যায়।

হার্নান্দেজ বোনদের আরেকজন বলেন, এটা তাদের পারিবারিক ব্যাবসায় পরিণত হয়েছে। যদিও তা চার দেয়ালের বাইরে বলার মতো বিষয় নয়।
মার্থা জানালেন, গর্ভধারণের বিষয়ে কখনো কখনো অভিযোগের শিকার হতে হয়। বর্তমানে এক ফরাসির চার মাসের শিশুকে গর্ভে নিয়ে বেড়ানো এই নারী বলেন, ‘একবার প্রতিবেশিরা আমাকে শিশু পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করেছিল।’

‘‘আমরা কোনও অন্যায় করছি না। কিন্তু আমরা চার বোনই বেকার ‘অবিবাহিত মা’ যারা আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছি।’’
দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে গর্ভ ভাড়া দেওয়া আইনত অবৈধ। তবে এই অঞ্চলের দরিদ্র নারীদের অভাবের সুযোগ নিয়ে তাদের দিয়ে এই কাজটি করিয়ে নিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আর পরিবারে আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য আনতে নিজেদের গর্ভ ভাড়া দেন দরিদ্র নারীরা। আর এই দরিদ্র নারীদের দিয়েই ব্যবসা করে যাচ্ছেন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ও বেসরকারি হাসপাতাল।

কিন্তু এই যে এত টাকার বাণিজ্য হচ্ছে, তার খুব সামান্যই পাচ্ছেন গর্ভ ভাড়া দেওয়া নারীরা। শুধু তাই নয়, এসব নারীরা দরিদ্র ও অল্পশিক্ষিত হওয়ায় অনেক সময় তাঁদের না জানিয়েই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় জানা যায়, কিছুসংখ্যক চিকিৎসক নিশ্চিত সাফল্যের আশায় অনেক নারীকে না জানিয়েই গর্ভে পাঁচ থেকে ছয়টি ভ্রূণ প্রবেশ করিয়ে থাকেন। অথচ চিকিৎসাশাস্ত্র বলছে, এটি ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে গর্ভ ভাড়া দেওয়া নারীর জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে।

(সংগৃহীত)
Share:

এককাপ চায়ের দাম ৮ লাখ টাকা..!

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
সকালে ঘুম থেকে উঠে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক ছাড়া অনেকের যেন দিন শুরু হয় না। আবার দিনের বেলা কাজের ফাঁকে একটু বিশ্রামের ছুতোয় কিংবা ক্লান্তি দূর করতে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে থাকেন অনেকেই। আমাদের দেশে পথে ঘাটে চোখে পড়ে অনেক চায়ের দোকান। শহরে ৫-৬ টাকায়, গ্রামে ২-৩ টাকায় মেলে এক কাপ গরম চা। একটু দামি রেস্তরাঁ বা ফাস্ট ফুডের দোকান হলে এক কাপ চায়ের জন্য মূল্য দিতে হতে পারে ৫০-১০০ টাকা। কিন্তু এক কাপ চা পানে যদি পকেট থেকে বের হয়ে যায় লাখ টাকা তবে তা ভাবার বিষয়।




চায়নার ‘ডং হং পাও’ এমন এক ধরনের চা, যার এক কাপ করতে দিতে হবে অবিশ্বাস্য মূল্য। এক কাপ চায়ের দাম ১০ হাজার মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরলে বাংলাদেশি টাকায় ৮ লাখ টাকা! এটাই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দামি চা।
এক কেজি ‘ডং হং পাও’ চায়ের দাম ১ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। যদি আপনি সোনার দামের সঙ্গে এই চায়ের দাম তুলনা করেন, তাহলে দেখা যায় এক গ্রাম সোনার যে দাম তার থেকে এক গ্রাম ডং হং পাও চায়ের দাম ৩০ গুণ বেশি।

বিবিসি-র এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০২ সালে এক ভদ্রলোক ২৮ হাজার ডলার দিয়ে মাত্র ২০ গ্রাম চা কিনেছিলেন। এই চা চীনের উইয়ি পর্বতমালায় চাষ করা হয়। ঔষধি গুণাগুণের জন্যই এই চায়ের রয়েছে জগৎজোড়া খ্যাতি।

চীনা উপাখ্যান অনুযায়ী, মিং সাম্রাজ্যের এক রাজার মা মুমূর্ষু অবস্থায় এই চা পানে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেন। এরপরই এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। সেই থেকে নানা রোগের ওষুধ হিসেবে এই চা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

চীনের উইয়ি পর্বতের উচ্চতম স্থানে ছয়টি ঝোপে এই চা চাষ করা হয়। মিং শাসনামল থেকে চা চাষের স্থানগুলোকে অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় লাল গাউন দিয়ে আচ্ছাদিত করে রাখা হয়। এ জন্য এই চা পাতাকে ইম্পেরিয়াল রেড রোবও বলা হয়ে থাকে।

বর্তমানে এই চা অত্যন্ত দুর্লভ এক বস্তু, যা চীনাদের জাতীয় সম্পদ। বিবিসির প্রতিবেদনে থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালের পর প্রাচীন ওই ঝোঁপ থেকে নতুন করে কোনো চা উৎপাদিত হচ্ছে না, আর হবেও না।

বিশ্বে গুটিকয়েক ভাগ্যবান মানুষের কাছে এই চা সংরক্ষিত আছে। ২০০৫ সালের আগেই তারা এ চা কেনেন। তারা পরম যত্নে এই চা সংরক্ষণ করছেন। কারণ তাদের সংরক্ষণকৃত চা শেষ হলে পৃথিবী থেকে শেষ হয়ে যাবে মহামূল্যবান ‘হং ডং পো’ চা। আর সে কারণেই এর মূল্য আকাশ ছোঁয়া। আর কিছু দিন গেলে এই চা হীরার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হবে- এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই!!

তথ্যসূত্র: সময়ের কণ্ঠস্বর

Share:

Tuesday, June 14, 2016

জাতীয় সঙ্গীত গাইবেন সানি লিয়ন

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর ডেক্স

ঢাকা:
সানি লিয়ন আবারো আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। তবে এবার তিনি আলোচিত হচ্ছেন গায়িকা হিসেবে। এবং আলোচনার সঙ্গত কারণও রয়েছে। কারণ শোনা যাচ্ছে, তিনি ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে চলেছেন এক নামজাদা ক্রীড়ানুষ্ঠানে।

প্রো কাবাডি নামের কাবাডি প্রতিযোগিতাটি বিগত কয়েক বছর বেশ পরিচিতি লাভ করেছে। এই বছর শুরু হতে চলেছে প্রো কাবাডির সিজন ফোর। সেই প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত কিছু কর্মীর সূত্রে শোনা গিয়েছে, সানিকে এবার প্রো কাবাডির কোনো একটি ম্যাচের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে শোনা যাবে। এবং এই গান গাওয়ার জন্য নাকি কোনো পারিশ্রমিক নেবেন না সানি। কমেডিয়ান কপিল শর্মাকেও নাকি এই প্রতিযোগিতায় জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এই প্রস্তাবে আগ্রহী হলেও এখনো স্পষ্ট কোনো ধরনের উত্তর দেননি।


তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

ছাগলের গর্ভে মানব শিশুর জন্ম (ভিডিওসহ)

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর ডেক্স
 

ঢাকা: অদ্ভুত প্রাণীর জন্ম দিয়েছে একটি ছাগল। মালয়েশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ফেলদার একটি গ্রামে মানবশিশুর মতো দেখতে এই ছাগশাবকের জন্ম হয়েছে। জন্মের পরই এর মৃত্যু হয়েছে। অনেকে এটিকে গ্রিক পৌরানিক কাহিনীর ছাগল ও মানুষের সংমিশ্রণে জন্ম নেওয়া হরিণশাবক হিসেবে দাবি করেছেন।

ব্রিটেনের জনপ্রিয় পত্রিকা মিররের খবরে বলা হয়, ছাগশাবকটির জন্মের পর বিস্মিত খামার মালিক ইব্রাহিম বসির (৬৩) কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। গ্রামবাসী এই ছাগশাবকটির মৃতদেহের জন্য অর্থ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এমন আদল নিয়ে জন্ম নেওয়ার রহস্য উদঘাটনের জন্য তিনি শাবকটিকে ভেটেরিনারি সার্ভিসেস বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

এ বিষয়ে ইব্রাহিম স্থানীয়দের বলেন, অদ্ভুত ছাগশাবকটিকে দেখে আমি অবাক হয়ে যাই। এর মুখ, নাক, ছোট ছোট চারটি পা এমনকি দেহের গঠন নরম তুলতুলে একটি মানবশিশুর মতো। এর পুরো শরীর হালকা বাদামি লোমে ঢাকা। দেহের সঙ্গে কোনো নাড়ি সংযুক্ত ছিল না।

ইব্রাহিম আরো জানান, খামারের কর্মচারী জামালউদ্দিন আবদুস সামাদ (৫০) তাকে প্রথমে খবর দেন। তিনি বলেন, জন্মের পর মা ছাগল এটিকে পদদলিত করেছে বলে মনে হচ্ছে।

ছাগলের গর্ভে জন্মানো মানব শিশুর ভিডিওটি  নিচে দেওয়া হলো:


তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম
Share:

Monday, June 13, 2016

দেখে নিন কিভাবে নকল ডিম তৈরি করা হয়! (ভিডিওসহ)

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর ডেক্স
 
ঢাকা: চীনের কারখানায় তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত ডিম। কৃত্রিম উপায়ে কারখানায় তৈরি করা এসব ডিম চীনের প্রাচীর টপকে ছেয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ আশপাশের দেশগুলোতে। বাংলাদেশ-ভারতের আম-জনতার কাছে আসল-নকলের কবলে পড়ার কথা অজানা থাকলেও, চাঞ্চল্যকর এ তথ্য প্রকাশ করেছে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং ইনডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সিসহ বেশ কয়েকটি বিদেশি সংবাদমাধ্যম।

এসব সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ ওই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চীন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হচ্ছে। চোরাপথে সেই ডিম ভারতসহ আশপাশের অন্যান্য দেশেও বিস্তৃত হয়েছে নকল ডিমে। যা দেখতে একেবারে হাঁস-মুরগির মতো।

২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অব টঙোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে। তাতে অবশ্য এ কথাও বলা আছে যে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুণ নেই । কোনো প্রোটিনও নেই। বরং তা মানবদেহের মারাত্মত ক্ষতি করছে।
কিভাবে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিম। 

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, কুসুম ও সাদা অংশের সমন্বয়ে কৃত্রিম ডিম তৈরি করতে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহৃত হয়। তবে, তার আগে কুসুম তৈরি করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। সরাসরি ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কালারিং ডাই দিয়ে লাল বা গাঢ় হলুদ রংয়ের কুসুম তৈরি করা হয়। তার ওপর অতি পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ তৈরি করা হয়। যাতে কুসুম ও সাদা অংশ এক না হয়ে যায়। সাদা অংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রিজিন জিলাটিন ও এলাম।
প্লাস্টিকের ছাঁচ ডিমের সাদা অংশ তৈরি করে তার মাঝখানে ডিমের কুসুম তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে ডিমের উপরের শক্ত খোলস তৈরি করা হয়। এর জন্য ব্যবহার করা হয় ওয়াঙের। মিশ্রণটিতে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিন, বেনজয়িক এসিড, বেকিং পাউডার, ক্যালসিয়াম কার্বাইড। সাদা অংশকে ওয়াঙের দ্রবণে কিছুক্ষণ নাড়ানো চাড়ানো হয়। বাইরে থেকে স্বল্প তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় হুবহু ডিমের মতো দেখতে একটি বস্তু।
নকল ডিম চেনার উপায়: 

কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। অল্প চাপে ভেঙে যায়। এই ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়। ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় এবং এর খোলস মসৃণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনে তৈরি হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

দীর্ঘদিন এই ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।
নিচের ভিডিও দেখে নিন কীভাবে নকল ডিম তৈরি করছে চীন:



তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম


Share:

Sunday, June 12, 2016

দ্বিতীয় দিনে সারাদেশে ৪৮ জঙ্গিসহ গ্রেফতার দুই হাজার

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর ডেক্স
 
ঢাকা: জঙ্গি দমনে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই হাজার ১২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৮ জনকে কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য বলছে পুলিশ।


 
শনিবার সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এ নিয়ে শুক্রবার থেকে দুই দিনে ৮৫ জঙ্গিসহ মোট পাঁচ হাজার ৩২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জঙ্গিসহ তিন হাজার ১৯২ জনকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছিল পুলিশ সদর দপ্তর।

রোববার পুলিশের ডিআইজি (মিডিয়া) একেএম শহিদুর রহমান জানান, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ জঙ্গিসহ পরোয়ানাভুক্ত, নিয়মিত মামলার, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার মামলার মোট দুই হাজার ১২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর মধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানার এক হাজার ৪৯৬ জন, নিয়মিত মামলার ৫৮৮ জন (অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার মামলার ৪১ জন এবং মাদক মামলার ৩৯১ জন) আসামি রয়েছে বলে জানা এই পুলিশ কর্মকর্তা।

গত এক বছরে লেখক, প্রকাশক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের হত্যার পাশাপাশি বিদেশি, হিন্দু পুরোহিত, খ্রিস্টান যাজক, বৌদ্ধভিক্ষু আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি চট্টগ্রামে একই কায়দায় এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী খুন হওয়ার পর এই সাঁড়াশি অভিযানের ঘোষণা আসে।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়.কম

Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন