Saturday, August 13, 2016

সিরিয়ায় রাশিয়ান বিমান হামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভ‍ূত তরুণী নিহত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: 
সিরিয়ার রাক্কায় রাশিয়ান বিমান হামলায় খাদিজা সুলতানা নামে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক তরুণী নিহত হয়েছে।

গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ যোগদানের উদ্দেশে সিরিয়ায় যায় খাদিজা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) খাদিজার পরিবারের আইনজীবী তাসনিম আকঞ্জি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে এমন তথ্য দিয়েছেন।

তাসনিম জানান, চলতি বছরের মে মাসে রাক্কায় যে ভবনে খাদিজা থাকতো সেই ভবনে হামলা চালায় রাশিয়ান বাহিনী। এরপর থেকে খাদিজার সঙ্গে পরিবারের কেউ যোগাযোগ করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে-ওই হামলায় খাদিজা নিহত হয়েছেন।

খাদিজার মৃত্যুর বিষয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তেমন কিছু জানাতে পারেনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সিরিয়ার সঙ্গে ব্রিটেনের সব কনসুলার সার্ভিস বিচ্ছিন্ন থাকায় এ ধরনের খবর আমরা নিশ্চিত করতে পারছি না।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ফেব্রয়ারি মাসে পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত বেথনাল গ্রিন থেকে তিন কিশোরী আইএস এ যোগদানের লক্ষ্যে গেটউইক বিমানবন্দর হয়ে সিরিয়ায় পালিয়ে যায়। এর মধ্যে খাদিজাও ছিলেন।

তথ্য: সংগৃহীত


Share:

মেসি ফিরলেন আর্জেন্টিনা দলে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: কেউ বৃষ্টিতে ভিজে প্ল্যাকার্ড নিয়ে তার যাতায়াতের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকলো। কেউ দীর্ঘ আবেগময়ী চিঠি লিখলো। কেউ ইভেন্টের পর ইভেন্ট খুললো। কেউ সভার পর সভা, র্যালির পর র্যালি করলো। কেউ স্ট্যাটাসের পর স্ট্যাটাস দিলো। কেউ হ্যাশট্যাগের পর হ্যাশট্যাগ চালু করলো। কর্তা ব্যক্তি বা কিংবদন্তিরা গণমাধ্যমে কথা বলতে থাকলেন। সবারই এক ডাক, ‘ফিরে এসো মেসি!’

এতো ডাক হয়তো আবেগী করে তুলছিল তাকে। কিন্তু লুকোতে চাইছিলেন। তবে সবচেয়ে বেশি যে আবেগ, দেশ এবং দেশের প্রিয় জার্সির প্রতি, সেটা আর লুকোতে পারলেন না। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের চার চারটি ফাইনালে গিয়েও শিরোপা হাতছাড়া করার সব অভিমান উড়িয়ে দিয়ে দেশের জার্সিতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন লিওনেল মেসি।

খোদ মেসিই শুক্রবার (১২ আগস্ট) এক বিবৃতির মাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে ফের খেলতে নামার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, আর্জেন্টিনার নতুন কোচ এদগার্দো বাউজা বার্সেলোনায় উড়ে গিয়ে মেসির সঙ্গে বৈঠক করার পর এমএল১০ এই আলোচিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে মেসি বলেন, “শেষ ফাইনালটায় হারের পর আমি অনেক কিছু ভেবেছি এবং অবসরের ব্যাপারটা গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছিলাম। কিন্তু এই দেশ (আর্জেন্টিনা) এবং এই জার্সিকে আমি খুব ভালোবাসি।”

২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনাল, গত বছরের কোপা আমেরিকার ফাইনালের পর গত জুনে শতবার্ষিক কোপা আমেরিকার ফাইনালেও হেরে যাওয়ায় জাতীয় দলকে আকস্মিক বিদায় বলে দেন মেসি। এ নিয়ে প্রায় পুরো ফুটবলবিশ্ব বিস্মিত হয়।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে দেশটির কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা, ব্রাজিলিয়ান গ্রেট পেলে, আরেক কিংবদন্তি রোনালদো এমনকি মেসির এসময়ের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কথা বলেন বার্সেলোনার প্রাণভোমরাকে। রাস্তায় নেমে, ইভেন্ট খুলে, চিঠি লিখে কোটি ভক্ত মেসিকে ফিরে আসার আহ্বান জানাতে থাকেন। কিন্তু কিছুতেই সাড়া দিচ্ছিলেন না এমএল১০।

এরমধ্যেই ক’দিন আগে আর্জেন্টিনা দলের কোচ হন এদগার্দো বাউজা। কোচ হওয়ার পরপরই দল গোছানোর সঙ্গে সঙ্গে মেসিকে জাতীয় দলে ফেরানোর মিশনে নামেন তিনি। হাতে তার ক্লাবের ম্যাচ বাকি থাকা সত্ত্বেও তিনি যোগাযোগ করতে থাকেন মেসির সঙ্গে। এরপর গত সপ্তাহে বার্সেলোনায় উড়ে গিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) এলএম১০ এর সঙ্গে বৈঠকে বসেন। তার আগে কোচের সামনেই মেসি হুয়ান গাম্পার ট্রফিতে সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে মাঠ মাতান। তার জোড়া  গোলের সুবাদে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় বার্সেলোনা।

বৈঠকে আলোচনার পর দেশে ফিরে বাউজা জানান, তিনি মেসির ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছেন। কিন্তু সে বিষয়টি মেসি জানাবেন বলে তার ওপরই ছেড়ে দেন। অবশ্য, সেপ্টেম্বরে উরুগুয়ে ও ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচের জন্য বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিনগত রাত ৩টায় (আর্জেন্টাইন সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা) দল ঘোষণার কথা কোচ বাউজার। তার আগে তিনি মেসিকে ফোন করবেন বলেও জানান।

আর ফোন করার আগেই বিবৃতি দিয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন পাঁচবারের বিশ্বসেরা ফুটবলার বা ব্যালন ডি’অর খেতাবজয়ী মেসি। সিদ্ধান্ত জেনে গেলেন বাউজা, সুখবর পেয়ে গেলো আর্জেন্টিনাও।

তথ্য: সংগৃহীত



Share:

Saturday, August 6, 2016

খোলা মাঠে পায়খানা করে ৪.৪ ভাগ ভারতীয়


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

ভারতের ৪.৪ ভাগ নাগরিক খোলা ময়দানে মলত্যাগ করেন বলে এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। কলকাতা থেকে দিল্লি পর্যন্ত মন্ত্রী আমলারা মাঠে ঘাটে ছুটে যাচ্ছেন এই কাজ বন্ধ করতে। কিন্তু কে শোনে কার কথা? ঘরে টয়লেট আছে, তবু অনেকেই নাকি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ছুটছেন খোলামাঠে।

স্বচ্ছ ভারত অভিযানের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। প্রত্যেক বাড়িতে শৌচাগার থাকতেই হবে এটাই এখন সরকারের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। তবে একটা কথা আছে না ‘আ মরি স্বভাব তো কখনো যাবে না’, এই মাঠে ঘাটে মলত্যাগের স্বভাবটাই কিছুতেই পরিবর্তন করা যাচ্ছে না। স্রেফ খারাপ স্বভাবের কাছে হার মানতে হচ্ছে সরকারকে। লোকসভায় প্রকাশিত একটি তথ্যই তার প্রকৃষ্ট উদাহারন।

বুধবার লোকসভায় বিবৃতি দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় পানীয় জল ও স্যানিট্রেশন মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চন্দাপ্পা জিগাজিনাগি জানান, এত অভিযানের পর এখনও দেশের ৪.৪ শতাংশ মানুষ ঘরে টয়লেট থাকা সত্ত্বেও খোলামাঠে যান যাচ্ছেন প্রাতঃকৃত্য সারতে। ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অফিসের সূত্রেই এই তথ্য উঠে এসেছে তার কাছে।

কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এও জানানো হয়েছে, ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসের পর থেকে সরকার গ্রামে ২১০.৬২ লাখ টয়লেট তৈরি করেছে। নির্মল গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ৭২,০৯৬টি গ্রামকে। কিন্তু এখন ওই ৪.৪ শতাংশই কেন্দ্রের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। তাই শুরু করতে হচ্ছে নয়া প্রচারাভিযান।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

ঐক্যের নামে নতুন খেলা শুরু করেছে খালেদা জিয়া : হানিফ


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জঙ্গিবাদ বিরোধী জাতীয় ঐক্যের ডাকের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ‘তার দল এবং জোটের সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের’ তালিকা দিলেই জঙ্গি-সন্ত্রাস নির্মূল হবে।

শুক্রবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় গুলশান হামলার পর সাধারণ মানুষ জঙ্গি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে দাবি করে খালেদার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের নামে ‘নতুন খেলা’ শুরু করার অভিযোগও করেন তিনি।

হানিফ বলেন, ‘গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর যখন দেশের সাধারণ মানুষ জঙ্গি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে তখন বিএনপিনেত্রী নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে খেলা শুরু করেছেন। এই খেলার নাম হচ্ছে ‘জাতীয় ঐক্য-ঐক্য খেলা।’

খালেদা জিয়ার জাতীয় ঐক্যের ডাকের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আপনি কিসের ঐক্য চান বেগম জিয়া? দেশবাসীও জিজ্ঞাসা করে, আপনি কিসের ঐক্য চান? আমরা তো বহুবার বলেছি, আপনার সঙ্গে ঐক্যের প্রয়োজন নেই।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

সৌদি আরবে মানবেতর জীবন যাপন করছে বাংলাদেশী শ্রমিকরা


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম
সৌদি আরবে আটকা পড়া শ্রমিকদের একজন ফরিদপুরের মিজানুর রহমান। আঠারো বছর ধরে তিনি সেখানে কাজ করছেন। কিন্তু হঠাৎ করে কাজ হারানোয় এবার তার দিন কাটছে কোনও রকমে একবেলা খেয়ে।

তিনি টেলিফোনে বিবিসি বাংলাকে বলেন, “এখন একবেলা খানা খাই। তিন বেলার খাবারের জায়গায় দিনের মধ্যে একবেলা খাই। ভারতের কিছু বড় বড় কোম্পানি আছে তারা সাহায্য করছে। তারা মূলত ভারতীয়দের সাহায্য করছে, সেখান থেকে আমরাও কিছু কিছু পাই”।

বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের একটি বড় অংশই কাজ করে সৌদি আরবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ক্রমাগত পড়তে থাকায় সৌদিতে বহু কোম্পানিতে কাজ বন্ধ হতে শুরু করেছে গত বছর থেকেই।

সবচেয়ে বেশি শোচনীয় অবস্থা নির্মাণ সংস্থাগুলোর। অনেক প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের হঠাৎ করেই ছাঁটাই করা হয়েছে। অনেকে মাসের পর মাসে বেতন পাচ্ছেন না, শ্রমিকদের জন্য নির্মিত শিবিরগুলোতে তাদের দিন কাটছে প্রায় অভূক্ত অবস্থায়।

মিজানুর রহমান জানান, যেখানে তিনি কাজ করতেন সেখানে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ফিলিপিন্স এবং শ্রীলংকার শ্রমিকরা কাজ করতো। একবছর আগে কোম্পানির নিবন্ধন বাতিল হয়ে যায়। এরপর থেকে বেতন বন্ধ করে দেয়া হয়।

গত চারমাস ধরে খাওয়াও বন্ধ করে দেয়া হয় । ইসলামী দাওয়াত সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠান রমজান মাসে খাবার দিয়েছিল। এরপর আরেকটি কোম্পানি কিছু চাল-ডাল দিয়ে যায়। পাকিস্তান এবং ভারতীয় কোম্পানি সাহায্য করেছে।

“এখন করুণ অবস্থা কারও কাছে এক টাকাও নাই” বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, “দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু তারা ব্যবস্থা নিবেন কিভাবে? দূতাবাসের কোনও কর্মকর্তা এসে দেখেন নি আমারা কি অবস্থায় আছি। খেয়ে আছি না না খেযে আছি এসে কেউ দেখে নাই। শুধু বলে আসবো আসবো”।

তিনি আরও বলেন, কারও আকামা নাই। আকামা ছাড়া গেটের বাইরে যাওয়া যায় না। গেটের বাইরে গেলেই পুলিশ আক্রমণ করে। একবার পুলিশ ধরলেই ২০হাজার টাকা জরিমানা করে।

“এখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনও মন্ত্রী বা বড় কোন বড় মানুষ যদি আমাদের পাশে দাঁড়ায় তাহলে হয়তো একটা কিছু হবে। যদি কোনও প্রতিষ্ঠানে বদলি হয়ে কাজ করতে পারি, তা বদলি হতেও ৭০/৮০ হাজার টাকা লাগে। মানুষ খেতেই পায় না এত টাকা কোথা থেকে দিব?”

আরেকজন বাংলাদেশী শ্রমিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা এলাকার আব্দুল করিম জানান, ১৪০ জনেরও বেশি বাংলাদেশী শ্রমিক এখন এ অবস্থায় আছেন।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শ্রমিক, যারা সে দেশে বেকার রয়েছেন, তারা যাতে অন্য চাকরিতে ঢুকতে পারেন বা দেশ ত্যাগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে।

ভারতীয় শ্রমিকদের মধ্যে প্রায় আট হাজার বেকার হয়ে পড়েছেন। তবে তাদের ভবিষ্যত নিয়ে কথা বলতে সেদেশের মন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিং এখন জেদ্দায় রয়েছেন। পাকিস্তানেরও কয়েকশো শ্রমিক এখন সেখানে কর্মহীন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা
Share:

সহজে চুল পড়া বন্ধ ও খুসকি দূর উপায়

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

চুল নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সেইসব সমস্যার মধ্যে অকালে চুল পড়ে যাওয়া যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে খুসকি। এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন, সাহায্য নিতে হয় দামি ওষুধের। কিন্তু কেমন হয়, যদি কোনো ঘরোয়া কৌশলে মুক্তি মেলে এসব সমস্ত ঝামেলা থেকে?

ক্যাস্টর অয়েল এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান, যাতে আছে রাইসিনোলেইক অ্যাসিড ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদানগুলো চুল পড়া বন্ধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, নারকেল তেলের সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে রাতে শোওয়ার আগে মাথায় মেখে নিতে হবে। বালিশে তেল লেগে যাওয়ার ভয় থাকলে মাথায় একটি শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। তারপর ঘুমিয়ে পডুন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন।

যারা খুসকির সমস্যায় ভুগছেন, তারা এক চামচ অলিভ অয়েলের সঙ্গে সমপরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল আর অর্ধেক করে কাটা পাতি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মাথায়, চু‌লের গোড়ায়, লাগিয়ে আধ ঘণ্টাখানেক পরে ধুয়ে ফেলুন মাথা। দিন সাত এমনটা করার পরেই মুক্তি মিলবে খুসকি থেকে। আসলে ক্যাস্টর অয়েলের মধ্যে অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টি ফাংগাল ও অ্যান্টিভাইরাল গুণ রয়েছে। সেই গুণগুলিই খুসকির হাত থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

Thursday, August 4, 2016

আল্ট্রাসনোগ্রাফি কি এবং কেন? আল্ট্রাসনোগ্রাফির উপকারিতা ও অপকারিতা


Ultrasonography
প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

আল্ট্রাসনোগ্রামের কথা শুনলেই আমাদের চোখের সামনে মনিটরের পর্দায় গর্ভবতী মায়ের অনাগত বাচ্চার ছবি ভেসে উঠে। আল্ট্রাসনোগ্রাফিকে সনোগ্রাফিও বলা হয়। সনোগ্রাফির মাধ্যমে চিকিৎসক স্ক্রিনের ছবি বিশ্লেষণ করে রোগ নির্ণয় করে থাকেন। আল্ট্রাসনোগ্রাফি মূলত গর্ভকালীন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ডাক্তারি পরীক্ষা। তথাপি আল্ট্রাসনোগ্রামের আরো অনেক উল্লেখযোগ্য ব্যবহার রয়েছে যা আমাদের অজানা।
আল্ট্রাসনোগ্রাফির ব্যবহারঃ

১। গর্ভাবস্থাঃ সনোগ্রাফির মাধ্যমে বাচ্চা ডেলিভারি তারিখ থেকে শুরু করে বাচ্চার গঠন-প্রকৃতি, লিঙ্গ, মায়ের সম্ভাব্য কোন অসংগতি যা বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর, মায়ের পেটের ভিতর বাচ্চার অবস্থান, বাচ্চার নড়াচড়া, জমজ বাচ্চা-সহ বিভিন্ন বিষয় জানা যায়। গর্ভকালীন যেকোন ইমার্জেন্সিতে আল্ট্রাসনোগ্রাফি একজন চিকিৎসকের জন্য সর্বোত্তম নির্ভরযোগ্য ডাক্তারি পরীক্ষা পদ্ধতি। আল্ট্রাসনোগ্রাফির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অন্যান্য রেডিওলোজীকাল পরীক্ষার তুলনায় কম বলে এটা বেশ নিরাপদ।

২। রোগ নির্ণয়ঃ সনোগ্রাফির মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন লিভার, স্প্লিন বা প্লিহা, কিডনি, অগ্ন্যাশয়, পাকস্থলী, পিত্তথলি, চক্ষু, থাইরয়েড, মূত্রথলীসহ নারী ও পুরুষের যৌনাঙ্গের নানাবিধ রোগ সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।

৩। বায়োপসি ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যেঃ বায়োপসি ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সনোগ্রাফি ব্যবহার করা যায়। যেমন শরীরের কোন অঙ্গের পাথর নিরাময়ের জন্যও সনোগ্রাফি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪। রক্তনালীর গতিপথ ও প্রবাহ নির্ণয়ঃ বর্তমানে সনোগ্রাফির আরেকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার হল রক্তনালীর গতিপথ ও প্রবাহ নির্ণয় করা। এতে করে আমাদের রক্তসঞ্চালন ব্যবস্থার রোগও ডায়াগনোসিস করা সম্ভব।
৫। ইকোকার্ডিওগ্রামঃ হৃৎপিন্ডের গতি-প্রকৃতি বোঝার জন্য যে ইকো করা হয় তা মূলত সনোগ্রাফিরই অন্য আরেকটি ব্যবহার।
আল্ট্রাসনোগ্রাফির উপকারিতাঃ১. এক্স-রে কিংবা সিটি স্ক্যানে ক্ষতিকর আয়োনাইজিং তরঙ্গ ব্যবহৃত হয় যা বিকিরণ নি:সরণ করে শরীরের ক্ষতি সাধন করে। সনোগ্রাফি এক্ষেত্রে খুবই নিরাপদ। এতে কেবল শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। এর কোন ক্ষতিকর বিকিরণজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

২. সনোগ্রাফি ব্যথামুক্ত এবং কোন ধরনের ইঞ্জেকশান বা কাঁটা ছেড়া মুক্ত পরীক্ষা পদ্ধতি। ফলে এটা রোগীর জন্য স্বস্তিদায়ক এবং চিকিৎসকের জন্য সহজগম্য।

৩. শরীরের বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের জন্য এক্স-রে কিংবা সিটি স্ক্যান অপেক্ষা সনোগ্রাফি বেশি নির্ভরযোগ্য।
৪. সনোগ্রাফি রোগীর জন্য সহজ ও সাশ্রয়ী।

আল্ট্রাসনোগ্রাফির অপকারিতাঃ
যুগের উন্নতির সাথে সাথে টেকনোলজি অনেক অগ্রসরমান হওয়ায় সনোগ্রাফির জগতেও অনেক উদ্ভাবন ঘটেছে। এখন খুব সহজেই 4D ব্যবহার করে বাচ্চার মুখাবয়ব পর্যন্ত নির্ণয় করা যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে মনে রাখা দরকার প্রয়োজনের অতিরিক্ত টেকনোলোজির ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। তাই বাচ্চা ও মা সুস্থ থাকলে শুধুমাত্র ফ্যান্টাসি বা বিনোদন হিসেবে 4D ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে 4D তে অনেক বেশি উচ্চ কম্পাংকের শব্দ তরংগ ব্যবহৃত হয়, যাতে মায়ের পেটের ভিতরে অবস্থানরত বাচ্চার অতি সংবেদনশীল টিস্যুর ক্ষতিসাধন হতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় সনোগ্রাফির সময় এ ব্যাপারে চিকিৎসক ও রোগী উভয়েরই সচেতন থাকা জরুরী।

আল্ট্রাসনোগ্রাফির জন্য প্রস্তুতিঃ
১। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে কখনও ভরা পেট কিংবা খালি পেট, কখনও পূর্ণ মূত্রথলি কিংবা শূন্য মূত্রথলি এবং প্রয়োজন ভেদে সারারাত খালি পেটেও সনোগ্রাফি প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য পরীক্ষার পূর্বে চিকিৎসকের দিক নির্দেশনা রোগীকে অবহিত করতে হবে।

২। পোশাকঃ সনোগ্রাফির জন্য আরামাদায়ক সুতি পোশাক পরিধান করা উত্তম।

৩। সময়ঃ সাধারনত একটি সনোগ্রাফি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা সময় লাগতে পারে। এটি নির্ভর রোগীর রোগের অবস্থা ও চিকিতসকের দক্ষতাভেদে বিভিন্ন সময় পার্থক্য হতে পারে।

লেখক: ডা. ফাতেমা তুজ জোহরা, এম.ফিল (ইন কোর্স), নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড এলাইড সাইন্সেস, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

Share:

Sunday, July 31, 2016

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ৫টি কারন ও চিকিৎসা


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

স্বাস্থ্য ডেক্স:
আহ্, গ্যাস্ট্রিক যদি না থাকতো। এই আশা আমাদের সমাজের শতকরা ৮০-৯০ জন মানুষের। আসলেই কি গ্যাস্ট্রিক না থাকা সম্ভব? না, গ্যাস্ট্রিক না থাকা সম্ভব না। কারন মেডিকেলের ভাষায় গ্যাস্ট্রিক মানে হলো পাকস্থলী। কিন্তু আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষ গ্যাস্ট্রিক বলতে যা বুঝায় সেটি হলো গ্যাস্ট্রিক আলসার। চলুন তাহলে গ্যাস্ট্রিক আলসার সম্পর্কে জেনে নেই-

গ্যাস্ট্রিক আলসার কি?


দীর্ঘদিন ধরে পাকস্থলীর ভিতরের স্তরে ঘা থেকে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয় তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার বলে। বেশিরভাগ সময় পাকস্থলীর অ্যান্ট্রাম নামক অংশের দিকে হয়।

যেসব কারনে গ্যাস্ট্রিক আলসার হয়:

১. হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারনে গ্যাস্ট্রিক আলসার হতে পারে।
২. খাবারে অনিয়ম করলে বা নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাবার না খেলে।

৩. ভাজা-পোড়া খাবার বা তৈলাক্ত খাবার বেশি খেলে।

৪. দীর্ঘদিন ধরে কারো পাকস্থলীতে ঘা থাকলে।
৫. উচ্চ মাত্রার ব্যথার ওষুধ ব্যবহারকারীদের হতে পারে।
৫. ধূমপান।

যাদের ঝুঁকি বেশি:


১. নারীদের তুলনায় পুরুষদের গ্যাস্ট্রিক আলসার বেশি হয়।
২. ধূমপায়ীদের গ্যাস্ট্রিক আলসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

রোগ নির্ণয়:

১. সাধারণত রোগের উপসর্গ দেখেই গ্যাস্ট্রিক আলসার নির্ণয় করা যায়।
২. নিশ্চিত হওয়ার জন্য এন্ডোস্কপি করা যেতে পারে।
৩. রোগ নির্ণয়ে এইচ.পাইলরি কিট টেস্ট হচ্ছে আধুনিক পদ্ধতি।

চিকিৎসা:

১. যাদের হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া দিয়ে গ্যাস্ট্রিক আলসার হয় তাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শমত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা আবশ্যক। মনে রাখতে হবে ওষুধ নিয়ম মেনে গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে চিকিৎসা ফলপ্রসূ হবে না এবং পরবর্তীতে রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

২. এছাড়া রোগীকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। নিয়মিত ও সময়মত খাবার গ্রহণ করতে হবে। ভাজা পোড়া ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। খাবারের সাথে সাথে বেশি পরিমাণে পানি খাওয়া যাবে না এবং খাবার গ্রহণের পরপরই ঘুমাতে যাওয়া যাবে না।

৩. সব ধরণের নেশা জাতীয় দ্রব্য পরিহার করতে হবে। ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

লেখক: ডাঃ শেখ মইনুল ইসলাম, চিকিৎসক ও তরুণ উদ্যোক্তা। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, হিউম্যান এইড বাংলাদেশ।
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন