Thursday, August 18, 2016

অফিসে সিনেমায় দেখায় মগ্ন কর্মকর্তা, পিছনে চুপে চুপে এসে হাজির মন্ত্রী , অতঃপর কি ঘটল দেখুন ভিডিওতে


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ভারতের কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলিতে মাঝেমধ্যেই আচমকা হানা দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজে ফাঁকি চোখে পড়লে হাসপাতালের বড় কর্তা থেকে শুরু করে সাফাইকর্মী, কাউকেই রেয়াত করেন না তিনি। এই দৃশ্যের সঙ্গে কলকাতা-সহ রাজ্যবাসী পরিচিত। এবার একই ধরনের ঘটনা দেখা গেল দিল্লিতে।

সরকারি হাসপাতালের বাইরে রোগীদের ভিড়, দীর্ঘক্ষণ লাইন দিয়ে অপেক্ষা— এগুলোই পরিচিত ছবি। কিন্তু সেই সময়ে হাসপাতালের ভিতরে কর্মীরা কী করেন? সবাই যে ফাঁকি মারেন, এমনটা নিশ্চয়ই নয়। কিন্তু কয়েকজন কর্মী যে সরকারি চাকরির সুবিধে নিয়ে অফিসে এসে কাজে চূড়ান্ত ফাঁকি দেন, তার প্রমাণ আবারও হাতেনাতে পাওয়া গেল। সাক্ষী থাকলেন খোদ দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ শিশোদিয়া। দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতালে সম্প্রতি আচমকা হানা দিয়েছিলেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী।

হাসপাতালের তখন রোগীদের যথেষ্টই ভিড় ছিল। কাউন্টারে, কাউন্টারে পরিষেবা পাওয়ার জন্য লম্বা লাইন। এরই মধ্যে মণীশ শিশোদিয়ার নজর যায় এক কর্মীর দিকে। বাইরে যখন রোগীদের লম্বা লাইন, তখন নিজের আসনে বসে দিব্যি কম্পিউটারে সিনেমা দেখছিলেন ওই কর্মী।

সিনেমা দেখায় ওই কর্মী এতটাই মগ্ন ছিলেন যে খোদ উপ-মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পিছনে এসে দাঁড়ালেও তিনি টের পাননি। মণীশ শিশোদিয়া তাঁকে হাল্কা ধাক্কা দিয়ে ডাকতেই সম্বিত ফেরে ওই কর্মীর।

ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গিয়ে যতক্ষণে কম্পিউটারে চলতে থাকা সিনেমা বন্ধ করলেন, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এরপরেই দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ধমকাতে শুরু করেন। ওই কর্মীর তখন ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা। ওই কর্মী কোন আধিকারিকের অধীনে কাজ করেন তাও জানতে চান মণীশ। বাইরে যখন রোগীদের লম্বা লাইন, তখন কীভাবে তিনি অফিসে এসে সিনেমা দেখছেন, ওই কর্মীকে সেই প্রশ্নও করেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী।

অভিযুক্ত কর্মীটি বারবার অনুরোধ করলেও কাজ হয়নি। ওই দফতরের ইন্সপেক্টরকে অবিলম্বে ওই কর্মীকে সরিয়ে দিয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন তিনি। গোটা পর্বের ভিডিওটি আম আদমি পার্টির নিজস্ব ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: এবেলা
Share:

এবার ট্রেনের চাকায় মারা গেলো চার হাতি

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স
ঢাকা: বাংলাদেশে হাতি বঙ্গবাহাদুর মৃত্যুর একদিন পরেই শ্রীলঙ্কায় প্রাণ গেলো তিন শাবকসহ এক বয়স্ক হাতির। ট্রেনে কাটা পড়ে হাতি চারটির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির রাজধানী কলম্বোর উত্তর অংশে সদ্য উন্নয়ন করা রেললাইনের মধ্যে কাটা পড়ে হাতি চারটির নির্মম মৃত্যু হয়।

লঙ্কান বন্যপ্রাণি বিভাগের পরিচালক ডাব্লুউএসকে পাঠিরাত্না বলেছেন, মূলত ট্রেনটি রাতে না দেখার কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে হাতি চলাচলের রাস্তায় রাতে ট্রেন চলাচলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হবে; প্রয়োজনে দেওয়া হবে বিশেষ আলোক ব্যবস্থা।

দেশটিতে প্রতি বছর বহু হাতির মৃত্যু হচ্ছে। এরমধ্যে মানবসৃষ্ট কারণে মৃত্যু কমপক্ষে ২০০ হাতির। এছাড়া ৫০টি হাতির মৃত্যু হয় স্বাভাবিক নিয়মে। এতে করে হাতির সংখ্যা কমতে কমতে শ্রীলঙ্কায় এখন দাঁড়িয়েছে মাত্র সাত হাজারে। যা ১৯৯০ সালে ছিল ১২ হাজারের মতো।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হল শেয়ার করুন
Share:

জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫৮২৭৬


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স
ঢাকা: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবার মেধা তালিকায় সর্বোচ্চ ৫৮ হাজার ২৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৮টি সাধারণ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৫০ জন শিক্ষার্থী। আর মাদ্রাসা, কারিগরি মিলে পেয়েছেন ৯ হাজার ৩২৬ জন।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতবারের তুলনায় এবার ১৫ হাজার ৩৮২ জন বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

ঢাকা বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ হাজার ১১০ জন। এর মধ্যে ছেলে ১৫ হাজার ২৪৫ জন এবং মেয়ে ১২ হাজার ৮৬৫ জন। ২০১৫ সালে এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৮ হাজার ৮৯৩ জন। তার মধ্যে ছেলে ১০ হাজার ৩০২ জন এবং মেয়ে ৮ হাজার ৫৯১ জন।

রাজশাহী বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৫ জন। ছেলে ৩ হাজার ৫৮০ জন, মেয়ে ২ হাজার ৪৯৩ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া ৫ হাজার ২৫০ জনের মধ্যে ছেলে ২ হাজার ৮৬৫ জন, মেয়ে ২ হাজার ৩৮৫ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৯১২ জন। ছেলে ৯৫৮ জন এবং মেয়ে ৯৪৪ জন। গত বছর ছিল ১ হাজার ৪৫২ জন। যার মধ্যে ছেলে ৭৫৪ জন, মেয়ে ৬৯৮ জন।

যশোর বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৮৬ জন। এর মধ্যে ছেলে ২ হাজার ৬১৬ জন, মেয়ে ১ হাজার ৯৭০ জন। গত বছর বোর্ডটিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৯২৭ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৯৮ জন, মেয়ে ৮২৯ জন।

বরিশাল বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৮৭ জন। এর মধ্যে ছেলে ৪১৬ জন, মেয়ে ৩৭১ জন। ২০১৫ সালে একই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৩১৯ জন। তার মধ্যে ছেলে ৬৬০ জন এবং মেয়ে ৬৫৯ জন।

সিলেট বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩৩০ জন। এর মধ্যে ছেলে ৭৯৪ জন, মেয়ে ৫৩৬ জন। ২০১৫ সালে সিলেট বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৩৫৬ জন। যার মধ্যে ছেলে ৭৯৮ জন, মেয়ে ৫৫৮ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে ছেলে ২ হাজার ৩৩৪ জন, মেয়ে ১ হাজার ৫৬৫ জন। ২০১৫ সালে এ শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ হাজার ৩৯৫ জন। তার মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৫০৮ জন, মেয়ে ৮৮৭ জন।

এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৪১৪ জন। এর মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৭৬৭ জন, মেয়ে ৬৪৭ জন। এইচএসসি ভকেশনাল এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৮৭ জন। এর মধ্যে ছেলে ৩ হাজার ২৩৪ জন, মেয়ে ৩ হাজার ৩৫৩ জন।

অন্যান্য ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৫ জন। এর মধ্যে ছেলে ১৮৩ জন এবং মেয়ে ১৪২ জন।


সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হল শেয়ার করুন
Share:

বঙ্গ বাহাদুরের বিষয়ে হাইকোর্টে রিট


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
ভারত থেকে আসা বন্য হাতি বঙ্গ বাহাদুরের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং এক কোটি টাকা ক্ষতিপুরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) হাইকোর্টে বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুচ আলী আকন্দ।

পরে ইউনুচ আলী আকন্দ বলেন, সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে সরকার। কিন্ত ভারত থেকে আসা হাতিটি সংরক্ষণ ও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি। তাই এ রিট দায়ের করা হয়েছে।

রিটে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে সভাপতি করে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি বণ্যহাতিটির মৃত্যুর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক কোটি টাকা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

রিটে মৎস ও পশু সম্পদ, বন ও পরিবেশ, স্বরাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিব, প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক  এবং জামালপুরের জেলা প্রশাসককে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ২৬ জুন বন্য হাতিটি ভারতের আসাম থেকে বন্যার পানিতে ভেসে কুড়িগ্রাম সীমান্ত হয়ে বিভিন্ন জেলা ঘুরে শেষে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার কামড়াবাদ ইউনিয়নের কয়বা গ্রামে গত ১৬ আগস্ট মারা যায়।


সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন
Share:

Wednesday, August 17, 2016

ডায়াবেটিস কি? কেন হয়?

 
প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স 

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের শক্তির জন্য প্রয়োজন গ্লুকোজ। খাবার খাওয়ার পর জটিল বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া গ্লুকোজ রক্তের মাধ্যমে শরীরের কোষ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এ গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করার পর শক্তির উৎস হিসাবে কাজ করবে। তবে গ্লুকোজ কোষের ভিতরে প্রবেশের জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় চাবি হলো ইনসুলিন নামক প্রোটিন হরমোন। এটা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হবার পর রক্তবাহিত হয়ে কোষের আবরণী পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সেখানে পৌঁছে তা জৈব রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলস্বরূপ কোষের রুদ্ধ দুয়ার খুলে দেয়। আর তারপরই গ্লুকোজ পৌঁছে যায় কোষের ভেতরে, শক্তি জুগিয়ে উজ্জীবিত করে তোলে দেহকে।

কিন্তু কোন কারণে যদি অগ্ন্যাশয়ে গোলযোগ দেখা দেয় তবে ইনসুলিন আর ঠিকমতো নি:সৃত হতে পারে না। কিংবা কোষীয় আবরণের কাছাকাছি পৌঁছে ঠিকমত কাজ করতে পারেনা। ফলে কোষে গ্লুকোজের জোগান ব্যাহত হয়। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়তে থাকে, শক্তির অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে কোষ। মোদ্দাকথা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেলে তখনই শরীরের ভেতর নানা জৈব-রাসায়নিকের বিপাকীয় কর্মকান্ডের হেরফের হয়।

অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিক মেলাইটাস (ইনসুলিন ডিপেনড্যান্ট ডায়াবেটিস মেলাইটাস) বা টাইপ ১ ডায়াবেটিস হয়। অন্যান্য দেশে টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা মোট ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যার ১০ থেকে ১২ শতাংশ। আমাদের দেশে এর হার ৩ – ৮ শতাংশের মত। অন্যদিকে প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা কম ইনসুলিন নিঃসরণ হলে বা প্রতিবন্ধকতার কারণে ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ করতে না পারলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস (ইনসুলিন ইনডিপেনড্যান্ট ডায়াবেটিস মেলাইটাস) হয়। আমাদের দেশে এটিই প্রধান ডায়াবেটিস।

লেখক: ডা. শাহজাদা সেলিম, সহকারী অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
Share:

জঙ্গি মারজান ‘শিবিরের সাথী’

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

রাজধানীর গুলশান হামলার সন্দেহভাজন পরিকল্পনাকারী জেএমবি নেতা নুরুল ইসলাম মারজান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আরবি বিভাগের এ শিক্ষার্থী ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অসম্পূর্ণ রাখেন। এরপর আর ভর্তি হননি তিনি।

এরমধ্যে গত নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে পুলিশি তল্লাশিতে উদ্ধার কয়েকটি ল্যাপটপ ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের নথিপত্র যাচাই করে মারজানের সংগঠনটির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, পুলিশ ওই সব নথিপত্র যাচাই বাছাই করে বলেছিল, নুরুল ইসলাম ইসলামী ছাত্র শিবিরের ‘সাথী’।

মারজান গুলশানের ক্যাফেতে হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে গণমাধ্যমে সংবাদ আসার পর তার সনদ ও ছবি দেখে আরবি বিভাগের নুরুল ইসলাম হিসেবে শনাক্ত করা হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী জানান।

নজিরবিহীন এ হামলা তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট বলছে, কানাডা প্রবাসী তামিম চৌধুরী এ হামলার হোতা। তিনি ‘নিও জেএমবি’র নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন।

গুলশান হামলার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি নিখোঁজ ছাত্রদের তালিকা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিখোঁজ ছয় ছাত্রের তালিকা দেয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে তাদের সবার খোঁজ পাওয়া যায়। তবে ওই তালিকায় ছিলেন না মারজান।

মারজানকে নিয়ে উপাচার্য বলেন, ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় বর্ষের ষষ্ঠ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর থেকে তার আর খোঁজ নেই।
তৃতীয় বর্ষে পুনঃভর্তি না হওয়ায় নুরুল ইসলাম আর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন।

পাবনার হেমায়েতপুরের আফুরিয়া গ্রামের হোসিয়ারি শ্রমিক নিজাম উদ্দিনের ছেলে মারজান পঞ্চম শ্রেণি পাসের পর পাবনা শহরের পুরাতন বাঁশবাজার আহলে হাদিস কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিলেন।

এরপর পাবনা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে দাখিল ও আলিম পাস করেন। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি।

এরমধ্যে মারজান বিয়ে করেন জানিয়ে তার পরিবার বলছে, গত আট মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না তাদের।

মারজান ছাড়াও বগুড়ায় বোমা বানামোর সময় বিস্ফোরণে নিহত জেএমবি নেতা ফারদীনের সহযোগী হিসেবে গত ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম নগরী থেকে গ্রেপ্তার চবির তিন শিক্ষার্থীর একজন নাইমুর রহমান নয়নও (২৫) ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছিল পুলিশ।-বিডিনিউজ।

গত জুনে মাদারীপুরে এক কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার সময় জনতার হাতে আটকের পর পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত গোলাম ফাইজুল্লাহ ফাহিমও ছাত্র শিবিরের কর্মী ছিলেন বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা ও হত্যাকাণ্ডের জন্য জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের সম্পৃক্ততার কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালও।

গত রোববার গাইবান্ধায় জঙ্গিবাদবিরোধী এক সভায় তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পরে যারা রগ কাটত, তারাই এখন নিজেদের আইএস বলছে।

গুলশান হত্যাকাণ্ডসহ গত দুই বছরে বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে অনেকগুলোতেই মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের নামে দায় স্বীকারের বার্তা এসেছে। তবে বাংলাদেশে তাদের অস্তিত্ব নাকচ করে আসছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মারজানের বিভাগ আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের গ্রন্থাগার থেকে বিপুল পরিমাণ ‘ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টিকারী’ বই ও প্রচারপত্র জব্দ করেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রক্টর আলী আজগর বলেন, “আমরা বিভিন্ন বিভাগ থেকে ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টিকারী বই জব্দ শুরু করেছি।

“বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরি, মসজিদ লাইব্রেরি ও হল লাইব্রেরিগুলোতে অনেক বই আছে, যেগুলো কোনো অ্যাকাডেমিক কাজে লাগে না বরং ধর্মীয় বিদ্বেষ সৃষ্টি করে। সাতদিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্থান থেকে এসব বই তুলে নেওয়া হবে।”

রোববার আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে উদ্ধার বইগুলোর মধ্যে জামায়াতের তাত্ত্বিক গুরু আবুল আলা মওদুদী, যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও বিতর্কিত ভারতীয় বক্তা জাকির নায়েকসহ বিভিন্ন লেখকের দুই শতাধিক বই রয়েছে বলে সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক বিভাগকে তাদের গ্রন্থাগোরে সংরক্ষিত বইয়ের তালিকা দিতে বলেছিল। এর প্রেক্ষাপটে বিভাগগুলো যে তালিকা দিয়েছিল তাতে এসব বই নেই।

“আরবি বিভাগ থেকে বেশ কিছু লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে, যেগুলো ধর্মীয় বিদ্বেষ সৃষ্টিকারী।’’

এ বিষয়ে আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান ইসমাইল চৌধুরী বলেন, “বিভাগে কিছু লিফলেট আমার আগের চেয়ারম্যান হজ থেকে আসার সময় এনেছিলেন। আর কিছু লিফলেট কীভাবে এখানে এলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

উপাচার্য জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের তালিকা চাইলে আরবি বিভাগ তা দেয়নি বলে তাদের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

Tuesday, August 16, 2016

মারা গেলো বঙ্গ বাহাদুর


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
ভারতের আসাম থেকে বন্যার পানিতে ভেসে জামালপুরে আসা হাতি ‘বঙ্গ বাহাদুর’ মারা গেছে।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) সকাল পৌনে ৭টার দিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কয়ড়া গ্রামের বাইদা বিলে মারা যায় হাতিটি।

হাতি মারা যাওয়ার বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন হাতি উদ্ধার দলের প্রধান ঢাকা বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন বিভাগের পরিদর্শক অসীম মল্লিক।

স্থানীয়রা জানায়, হাতিটি সোমবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা রাতেই মারা যায়। কিন্তু এই হাতির মৃত্যু নিয়ে র‍াতভর চলে চরম নাটকীয়তা। শেষ পর্যন্ত সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হাতির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন হাতি উদ্ধারকারী দলের প্রধান অসীম মল্লিক।

সোমবার ২য় দফা শিকল ছিড়ে ছুটে যাওয়ার পর ৪টি ট্র্যাঙ্কুলাইজার গান দিয়ে ডার্ট ইনজেকশন দিলে অসুস্থ হয়ে পড়ে হাতিটি। পরে অসুস্থ হাতিটি দুপুরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত আজ সকাল পৌনে ৭টার দিকে মারা যায়।

ভারতের আসাম রাজ্যের কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্কের দলছুট এই বন্যহাতিটি বন্যার পানিতে ভেসে গত ২৮ জুন কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত দিয়ে ঢুকে পড়ে বাংলাদেশে।

দেড় মাস ধরে এটি কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জামালপুরের চরাঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। হাতিটি উদ্ধারে ৪ আগস্ট একটি ভারতীয় বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশে আসে। ৫ থেকে ৭ আগস্ট চেষ্টা করেও হাতিটিকে উদ্ধার করতে না পেরে ৮ আগস্ট ভারতীয় দল ফিরে যায়।

পরে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বন বিভাগের উদ্ধারকারী দল দূরনিয়ন্ত্রিত চেতনানাশক ছুড়ে হাতিকে উদ্ধার করে।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

Monday, August 15, 2016

হে আল্লাহ! পবিত্র হজের জন্য আমাদের কবুল করো


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স
 
প্রেমময় এক ইবাদতের নাম পবিত্র হজ। হজ বিশ্ব মুসলিমের এক মহাসমাবেশ। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের, বিভিন্ন বর্ণের, ভাষা এবং আকার-আকৃতির মানুষ একই ধরনের পোশাকে সজ্জিত হয়ে সমবেত হন। আল্লাহপ্রেমের চূড়ান্ত প্রেমিকদের এই পবিত্র সফরে নেই কোনো পার্থিব চাওয়া-পাওয়া। শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টিই কাম্য।

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে আল্লাহ তার পবিত্র ঘর বাইতুল্লাহ নির্মাণের আদেশ দেন। এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ দিলাম, তোমরা আমার গৃহকে তওয়াফকারী, অবস্থানকারী (ইতিকাফকারী) এবং রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র করো।’ -সূরা বাকারা: ১২৬

উল্লিখিত আয়াতদ্বয়ে আল্লাহতায়ালা পবিত্র কাবাকে নিজের ঘর হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাই প্রতিটি মুমিনের অন্তরই যেন সে ঘরটির সঙ্গে আধ্যাত্মিক সুতোয় বাঁধা। মুসলিম মাত্রই হৃদয়ের মণিকোঠায় পোষণ করেন এই পবিত্র ঘরে হাজিরা দেওয়ার আকুল মিনতি।

হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে বাইতুল্লাহকে পুনঃনির্মাণ করে তার শ্রমকে স্বার্থক করার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন। আল্লাহতায়ালা হজরত ইবরাহিমকে (আ.) তার দোয়া কবুল করে নিদের্শ দিলেন, ‘আর হে (ইবরাহিম! তুমি) মানুষের মাঝে হজের ঘোষণা দাও। তারা দূর-দূরান্ত থেকে তোমার কাছে আসবে হেঁটে। আসবে সর্বপ্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রসমূহের পিঠে সওয়ার হয়ে।’ -সূরা হজ: ২৭

এ আয়াতের তাফসিরে হজরত আবুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ইবরাহিম (আ.) পবিত্র কাবা শরিফ নির্মাণের পর আল্লাহকে বললেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার নির্দেশে বাইতুল্লাহকে নির্মাণ করেছি। অতপর আল্লাহ তাকে হজের ঘোষণা দিতে আদেশ দিলেন- তিনি বললেন, আমার আওয়াজ কী করে (অতদূর) পৌছবে? আল্লাহতায়ালা বললেন, তুমি ঘোষণা করে দাও। তোমার ঘোষণার আওয়াজ বিশ্ব মানবতার কানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমার। হজরত ইবরাহিম (আ.) বললেন হে রব! ঘোষণায় কী বলব? আল্লাহতায়ালা বললেন, বলো- ‘হে মানবমন্ডলী! তোমাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিতে এবং জান্নাতে পৌঁছাতে আল্লাহতায়ালা তোমাদের ওপর হজ ফরজ করেছেন।’

হজরত ইবরাহিম (আ.) ঘোষণা দিলে আসমান ও জমিনের সবাই সে ঘোষণা শুনতে পায়। -তাফসিরে কুরতুবি: ১২/৩৭
অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, হজরত ইবরাহিম (আ.) আবু কুবাইস পাহাড়ে উঠে নিজের দু’কানে আঙ্গুল দিয়ে সুউচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা করলেন, হে মানব সম্প্রদায়! আল্লাহ তোমাদের ওপর হজ ফরজ করেছেন। তোমরা তোমাদের প্রভুর আহবানে সাড়া দাও। তখন পুরুষের ঔরসে ও নারীর গর্ভে যারা ছিল সবাই ‘লাব্বাইকা’ বলে সাড়া দিল। -তাফসিরে রুহুল মাআনি: ১৩/৪৮

বর্ণনান্তরে হজরত ইবরাহিম (আ.) সাফা পাহাড় অথবা মাকামে ইবরাহিমে দাঁড়িয়ে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। হজরত সাইদ ইবনে জুবাইর (রা.) বলেন, হজের জন্য বিশ্বমানবতাকে আহবান করার পর পাহাড় ঝুঁকে পড়ে। সমস্ত দুনিয়ায় এ ঘোষণার আওয়াজ গুঞ্জরিত হয়। পিতার ঔরসে, মায়ের গর্ভে যারা ছিল তাদের কানেও আল্লাহতায়ালা সে শব্দ পৌঁছে দেন। পাথর, বৃক্ষরাজি এবং প্রত্যেক ওই ব্যক্তি যার হজ নসিব হবে সবাই সমস্বরে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ বলে ওঠে। -তাফসিরে ইবনে কাসির: ৫/৪১৪

মুফাসসির মুজাহিদ (রহ.) বলেন, অতএব যে লোক এ পর্যন্ত হজ করেছে সে অবশ্যই সেই আওয়াজ শুনেছিল এবং (লাব্বাইকা বলে) সাড়া দিয়েছিল। এ আহবান শুনে সাড়া দেয়নি এমন কোনো ব্যক্তি কিয়ামত পর্যন্ত হজ করবে না। যে ব্যক্তি সে আহবানে একবার সাড়া দিয়েছিল, সে জীবনে একবার হজ করবে, আর যে দুই বা ততোধিকবার সাড়া দিয়েছিল, সে সেই অনুযায়ী ততবার হজ করার সৌভাগ্য অর্জন করবে। -তাফসিরে কাবির, ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি: ১১/১০২

সেদিন হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর আজানের জবাব দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল কি-না জানি না। তবু যতদিন লাব্বাইকের এই পবিত্র মিছিলে শরিক হয়ে আল্লাহর মেহমান হওয়ার ডাক না পড়বে, ততাদিন পতীক্ষায় প্রহর গুণতেই থাকব। হে মাওলা! তুমি আমাদের মনে আকুতিকে কবুল করো!

লেখক: যুবায়ের আহমাদ, খতিব, বাইতুশ শফিক মসজিদ, বোর্ড বাজার, গাজীপুর

Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন