Sunday, August 28, 2016

চারুলার ছাত্রী ভাবনা


প্রথম আলো২৪

বিনোদন ডেস্ক: 
চারুকলায় যারা পড়াশোনা করে তাদের চলাফেরা সাজগোজ একটু অন্যরকম হয়। তাদের একটু অন্যরকম চোখেও দেখে কিছু কিছু মানুষ। এবার চাড়ুকলার ছাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মডেল এবং অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। আর এই চরিত্রের জন্য আড়ং থেকে তিনটি নোলক বানিয়েছেন শনা হাবিব ভাবনা। ‘চিলেকোঠার গল্প’ নামের নাটকে তাকে এগুলো পড়তে দেখা যাবে।

এখানে ভাবনার চরিত্রের নাম রানু। সে বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্রী। বাবা-মা থাকেন গ্রামে। রাত জেগে ছবি আঁকে। দিনে টিউশনি করে, ছবি বিক্রি করে, ফ্রিল্যান্স আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে দিনরাত কাজ করে কোনোভাবে চলে।

ঢাকায় পড়াশোনা করতে এসে যে সমস্যাটা রানুকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে তার নাম আবাসন। চারুকলায় পেইন্টিং নিয়ে পড়ার কারণে তার জীবনযাত্রার ধরন ও অনুষঙ্গ একটু অন্যরকম।

মেয়েদের হোস্টেলের সীমিত সুযোগে সৃষ্টিশীলতার চর্চা যথাযথভাবে হয়ে উঠবে না সেটা ভালোই বুঝতে পেরেছিলো রানু। তারপর থেকেই নানারকম প্রচেষ্টা। কয়েকজন মিলে ফ্ল্যাট ভাড়া, আত্মীয়ের বাসায় পেইং গেস্ট, বান্ধবীর বাসায় সাবলেট। সবখানেই প্রথম কিছুদিন খুব সুন্দর যায়, তারপর মাস শেষ না হতেই শুরু হয় নানারকম সমস্যা।

তাই রানু চাইছে নিজের মতো করে থাকার জন্য আলাদা এক টুকরো জায়গা। সেটা চিলেকোঠা হলে বেশি ভালো হয়। অনেক ঘুরে অবশেষে ছয়তলা বাড়ির ছাদে এক রুমের একটি চিলেকোঠা ভাড়া নিতে পারে রানু। এটা পেতে লম্বা সাক্ষাৎকারের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। মালিকের প্রধান শর্ত একটাই- কোনো ব্যাচেলর ভাড়া দেবেন না। ‘বাচ্চা-কাচ্চাহীন শিক্ষিত দম্পতির অগ্রাধিকার।’

পরিচিত বড় ভাই রাশেদের বুদ্ধিতে তাকেই স্বামী সাজিয়ে চিলেকোঠা ভাড়া পায় রানু। প্রেমিক জামাই সেজে মিথ্যে কথা বলতে চায় না। পরে ধরাও পড়ে। একদিন বাড়িওয়ালার কাছ থেকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ আসে। নিয়তি মেনে আবার নতুন বাসা খুঁজতে পথে নামে রানু। এবার প্রকৃতই তার সঙ্গী হয় রাশেদ।

নাটকটিতে রাশেদ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মীর রাব্বী। এ ছাড়াও আছেন ঝুনা চৌধুরী, ফারহানা মিঠু প্রমুখ। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন প্রসূন রহমান, পরিচালনায় ফয়সাল রাজিব।

গত ২৫ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় নাটকটির দৃশ্যধারণ হয়েছে। আসছে ঈদুল আজহায় দেশ টিভির বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে ‘চিলেকোঠার গল্প’

তথ্য: ইন্টারনেটে থেকে সংগৃহীত
Share:

এবার জাজের ছবি থেকেই বাদ পরীমনি


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

বিনোদন ডেস্ক:
‘রক্ত’র শুটিং চলাকালিন নতুন খবর আসে জাজ মাল্টিমিডিয়ার আরো একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন হালের ক্রেজ অভিনেত্রী পরীমনি। কিন্তু হঠাৎ করেই শোনা গেলো জাজের ‘পাষান’ ছবি থেকে বাদ পড়ছেন পরী। নতুন নায়িকা হিসেবে নেয়া হয়েছে এমিকে। জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকার উত্তরার একটি লোকেশনে এই নতুন নায়িকাকে নিয়ে ছবিটির শুটিং শুরু করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির।

জানা গেছে, চার মাস আগে ‘পাষাণ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন পরীমনি। বিষয়টির সত্যতা জানার জন্য পরীমনির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বাদ দেওয়ার বিষয়টিকে উড়িয়ে দেন তিনি।

পরীমনির বলেন, বাদ দেওয়া হয়নি। নতুন ছবির শুটিংয়ের জন্য হাতে শিডিউল না থাকার কারণে নিজ থেকেই সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। পরীমনি বলেন, ‘একই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ‘রক্ত’ ছবিটি কিন্তু ঈদে মুক্তি পাচ্ছে। এখনো এই ছবির শুটিং শেষ করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া হাতে আরও চারটি ছবির কাজ রয়েছে। তাই সরে দাঁড়াতে হয়েছে।’

নায়িকা বাদ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানালেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। পরিচালক কথা না বললেও প্রযোজক ঠিকই কথা বলেছেন। আবদুল আজিজ বলেন, ‘সময়মতো শুটিংয়ে আসেন না পরীমনি। তিনি আমাকে নানাভাবে ভুগিয়েছেন। তাঁর কারণেই ‘রক্ত’ ছবিতে প্রায় এক কোটি টাকা বাড়তি খরচ গুনতে হয়েছে। নতুন কোনো ছবিতে তাঁকে নিয়ে আর ভুগতে চাই না। তাই বাদ দিয়েছি।’

‘পাষাণ’ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার ওম, বাংলাদেশের বিপাশা কবির, মিশা সওদাগর, সাদেক বাচ্চু, শিমুল খান, মিজু আহমেদ প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
Share:

প্রত্যাহার হচ্ছে জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে কবরও

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম। নিউজ ডেক্স

ঢাকা:
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারে এরইমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এবার জাতীয় সংসদ এলাকা থেকে তার কবর সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৭ আগস্ট) গাজীপুরের কাশিমপুরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা জানান। এর আগে, গত বুধবার (২৪ ‍আগস্ট) মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আক ম মোজাম্মেল হক বলেন, জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধকালীন এবং যুদ্ধপরবর্তী বিতর্কিত ভূমিকা প্রমাণ করে, তিনি স্বাধীনতা চাননি। এ ধরনের বিতর্কিত ব্যক্তির কবর পবিত্র সংসদ এলাকায় থাকতে পারে না। তাই সংসদ এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরানো হবে।

বঙ্গবন্ধু হত্যায় যারা সরাসরি জড়িত ছিল তাদের বিচার হলেও নেপথ্যে যারা ছিল তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে দেশি বা বিদেশি যারা জড়িত ছিল তাদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন করা হবে।

এর আগে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ও জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

অন্যদিকে, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারে মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। তিনি অনুমোদন দিলে বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। তখন সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

২০০৩ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে পুরস্কার দেওয়ায় আপত্তি জানিয়ে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগ ওই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করে। তখন এই পদক দু’টি বিতরণ না করে প্রদর্শন ও সংরক্ষণের জন্য জাতীয় জাদুঘরে দিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর জিয়াউর রহমানের পদকটি গ্যালারি থেকে সরিয়ে গুদামে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মন্ত্রিসভা কমিটি জিয়াউর রহমানের পুরস্কার প্রত্যাহারের পাশাপাশি জাতীয় জাদুঘর থেকে ওই পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্রও সরিয়ে ফেলার সুপারিশ করেছে।

সূত্রমতে, মন্ত্রিসভা কমিটি মনে করে একইসঙ্গে দু‘জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে জিয়াউর রহমানকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছাকাছি মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তাছাড়া, স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। যারা দেশ ও মানুষের কল্যাণে অসাধারণ অবদান রেখেছেন তারাই পান এই পুরস্কার। জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রপতি পদ বা রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহণের বিষয়টি হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করায় তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে আমলে নিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এ জন্যই কমিটি পুরস্কার প্রত্যাহার এবং মেডেল ও সম্মাননাপত্র জাদুঘরে সংরক্ষণের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কমিটি মনে করে, এই পুরস্কার যদি জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে আগামী প্রজন্মের কাছে ভুল ইতিহাস উপস্থাপিত হবে এবং একটি ভুল বার্তা যাবে।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

Saturday, August 27, 2016

নারায়ণগঞ্জে অভিযানে জঙ্গিনেতা তামিমসহ নিহত ৩

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম । নিউজ ডেক্স
 
ঢাকা: নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে ‘নব্য জেএমবি’র শীর্ষনেতা তামিম আহমেদ চৌধুরীসহ অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।

কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি তামিম (৩০) গুলশান হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে পুলিশ দাবি করে আসছে। তাকে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা ছিল।  

২০১৩ সালে কানাডা থেকে আসার পর তামিম বাংলাদেশেই ছিলেন বলে গোয়েন্দারা ধারণা করছিলেন। তার নির্দেশনায়ই গত ১ জুলাই জঙ্গিরা গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়েছিল বলে গোয়েন্দাদের দাবি।  

গুলশান হামলার পর বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি আস্তানার সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছিল পুলিশ। এর মধ্যে ঢাকার কল্যাণপুরে একটি আস্তানায় অভিযানে নয় জঙ্গি নিহত হন।  

এরপর শনিবার ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় বড় কবরস্থানের পাশের একটি তিনতলা ভবন ঘিরে অভিযানে নামে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের একটি দল।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ঢাকা থেকে এসে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের একটি দল পাইকপাড়ার একটি বাড়ি ঘিরে এই অভিযান চালাচ্ছে।”

এরপর অভিযানে র্যাব ও জেলা পুলিশ সদস্যরাও যোগ দেন। ভোর থেকে ঘিরে রাখার পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোলাগুলি শুরু হয়।

সেখানে উপস্থিত নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন তখন সাংবাদিকদের বলেন, “ভবনটির ভেতরে ঢুকতে অভিযান শুরু হয়েছে।”

প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গোলাগুলির পর শব্দ কমে আসে।  এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই বাড়িতে থাকা তামিমসহ তিনজনের নিহত হওয়ার খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেন ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার ছানোয়ার হোসেন।
খানিক পর কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলামও তিনজনের মধ্যে তামিমের থাকার খবর খবর নিশ্চিত করে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বাকি দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

সন্ত্রাস দমনে গঠিত ডিএমপির এই শাখার প্রধান মনিরুল বলেন, “জেএমবির এক সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যে এই আস্তানার খোঁজ মেলে। এরপর এখানে ‘অপারেশন হিট স্টর্ম’ চালানো হয়।”  অভিযান শেষ হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানালেও পাইকপাড়ার ওই এলাকা বেলা ১১টার দিকেও ঘিরে রাখা ছিল। সেখানে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। 

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, “অভিযান শুরুর পর জঙ্গিরা বাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, তারা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলেছে।”

তামিমকে গ্রেপ্তার করা গেলে জেএমবির ‘নতুন ধারার’ আদ্যোপান্ত বেরিয়ে আসবে বলে আশা করেছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক।   

গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলায় ঘরছাড়া তরুণ-যুবকদের জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিখোঁজ ১০ জনের যে প্রথম তালিকা দিয়েছিল, তাতে সিলেটের তামিমের নাম এসেছিল। 

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের বিভিন্ন প্রকাশনার উপর ভিত্তি করে তাকে সংগঠনটির বাংলাদেশ শাখার সমন্বয়ক বলা হচ্ছিল আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে।

তবে আইএস-সংশ্লিষ্টতার দাবি প্রত্যাখ্যান করে আইজিপি শহীদুল এক সংবাদ সম্মেলনে তামিমকে ‘নব্য জেএমবি’র শীর্ষনেতা বলে চিহ্নিত করেন। 

তিনি বলেছিলেন, “এখানে (গুলশান হামলা) মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী। নিও জেএমবির নেতৃত্ব সে দিচ্ছে। এই তামিম চৌধুরীর পর যারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রধান তাদেরকেও আমরা চিহ্নিত করেছি।”

কানাডার পাসপোর্টধারী তামিম ২০১৩ সালের অক্টোবরে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে আসার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন বলে গত ২ অগাস্ট জানিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল।

তামিম সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের বড়গ্রামের প্রয়াত আব্দুল মজিদ চৌধুরীর নাতি। মজিদ চৌধুরী একাত্তরে শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন বলে স্থানীয়দের তথ্য। 

তামিমের বাবা শফি আহমদ জাহাজে চাকরি করতেন। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তিনি সপরিবারে কানাডায় পাড়ি জমান।

তামিমের মতোই ২০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকের জন্য। তিনি আরেক জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে পুলিশের দাবি। 

তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ


Share:

Saturday, August 20, 2016

ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ কুমিল্লায় নিহত ৫

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম। নিউজ ডেক্স

ঢাকা: কুমিল্লার মুরাদনগরে মালবোঝাই ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন।

শনিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে মুরাদনগরের দাররা ইউনিয়নের মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের পায়ব গ্রামের ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। পরে দুপুরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৪ জন মারা যান।

নিহতরা হলেন- মুরাদনগর উপজেলার কাচারকান্দী গ্রামের আ. লতিফ মিয়ার ছেলে অটোরিকশাচালক মো. রুবেল (৩৫), তার ছোট ভাই মো. সোহেল (৩২), পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের সোহাগ মিয়া (৪০), তার স্ত্রী নাছিমা বেগম (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত এলাহী বক্সের ছেলে আব্দুল মান্নান (৬৫)।

আহত ব্যক্তি হলেন- উপজেলার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের মাসুম মিয়ার ছেলে হিমেল (১২)। আহত হিমেল বর্তমানে কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হতাহতরা সবাই সিএনজি চালিত অটোরিকশার যাত্রী।

স্থানীয়রা জানান, মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের পায়বে পান্নারপুল থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে পাঁচপুকুরিয়া থেকে আসা অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে সোহেলের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় রুবেল ও মান্নানকে দেবিদ্বার এবং সোহাগ, হিমেল ও নাছিমাকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরের পর রুবেল, নাছিমা, মান্নান ও সোহাগের মৃত্যু হয়।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (২০ আগস্ট) মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

২৮ আগস্ট দেশব্যাপী পেট্রোল পাম্প বন্ধ

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম। নিউজ ডেক্স

ঢাকা:
ইজারা মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশব্যাপী আগামী ২৮ আগস্ট (রোববার) পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। ওইদিন সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সাময়িক এই ধর্মঘট পালিত হবে।

শনিবার (২০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে হোটেল রাজমনী ইসাখানে ‘পেট্রোল পাম্প ও ট্যাঙ্ক-লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজমুল হক।

সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের (সওজ) ইজারা মাশুল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ১২ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, আমরা ধর্মঘটের মতো কঠিন কর্মসূচি দিতে চাই না, আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান চাই। সে কারণেই বিগত ছয় বছর ধরে কোনো কঠিন কর্মসূচি দেওয়া হয়নি। তেল বিক্রয়ের কমিশন বৃদ্ধিসহ অন্য বেশ কিছু বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকার পরও ছয় বছরেও এর কোনো বাস্তবায়ন নেই।

‘আগামী ২৮ আগস্টের পূর্বে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করা হলে ওইদিন ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দেশের সব পেট্রোল পাম্প ও ট্যাঙ্কলরি মালিক শ্রমিকরা কর্ম-বিরতির প্রতীকী কর্মসূচি পালন করবেন। ট্যাঙ্কলরির মাধ্যমে তেল উত্তোলন, পরিবহন এবং বিপণনও বন্ধ থাকবে’।

উদাহরণ দিয়ে নাজমুল হক বলেন, পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থান সড়ক, মহাসড়কের পাশে। এ কারণে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের জমি সংযোগ সড়ক হিসেবে ইজারা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর পরপরই সওজের জমির ইজারা মাশুল বাড়ানো হচ্ছে। যা অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, মালিকদের অসহায়ত্বের বিষয় ১২ দফা দাবি তুলে ধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের চলতি বছরের ২১ মার্চ, ১৭ এপ্রিল ও ৩০ জুন তারিখে আবেদনপত্র দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাঙ্কলরি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন, আলহাজ মো. শাজাহান, সদস্য সচিব আকতার হোসেন প্রমুখ।
সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

আপনার সহযোগিতায় বাঁচতে চায় করিম



প্রথম আলো২৪.কম
 
নিউজ ডেক্স:  তোর কিছুই হবে না, ১৪ দিনেই সুস্থ হয়ে যাবি আপা। ডাক্তার বলছেন না, শুনিস নাই?

বড় বোন চায়নার কাছে এই আকুতি ছোটভাই আব্দুল করিমের।

বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার করিম দুই বছর চাকরিও করেছেন। এখন তার বউ খোঁজার সময়, কিন্তু ভাগ্যের কি খেলা, আজ তার খুঁজতে হচ্ছে একটি কিডনি। পরিবারে বাবা মা অনেক আগেই মারা গেছেন। ছয়-ভাইবোনের সবার ছোট করিমকে নিয়ে এখন আর তেমন আগ্রহ নেই বাকী ভাইবোনদের। অন্যরা তো বলেই দিয়েছে, বাঁচলে বাঁচবে, মরলে তো তাদের কিছু করার নেই।

শুধু বড় বোন চায়না ফেলতে পারেন নি আদরের ছোট ভাইটিকে। আগলে রেখেছেন মায়ের আদরে, পাশে রয়েছেন। প্রতি সপ্তাহে তিনবার ডাইলাইসিস করতে হচ্ছে। এই চিকিৎসা ব্যববহুল।

করিমের সুস্থ জীবনে ফিরে আসার জন্য প্রয়োজন একটি কিডনি। ডাক্তার বলেছেন, কিডনি ট্রান্সফার করা গেলে এযাত্রা বেঁচে যাবেন করিম।পাবেন সুস্থ জীবন। কিন্তু কিডনি বদলানো ওপরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ছয় লাখ টাকা। তার দরিদ্র বোনের পক্ষে এই চিকিৎসা চালিয়ে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।


অসুস্থ করিম এসেছিলেন বাংলানিউজের অফিসে। কথা বলার সময় তার চোখে যে আকুলতা দেখেছি, এই পৃথিবীতে আরও কিছুদিন নিশ্বাস নিতে চায় করিম, দুচোখ ভরে দেখতে চায় প্রিয় জন্মভূমিকে, হয়তো সুস্থ হলে একদিন সবার সাথে আড্ডা দিতে চায় কোনো নদী তীরে।

আরও কতো যে স্বপ্ন...নিজের একটি ছোট ঘর হবে...কেউ একজন তার জন্য ভাত রেধে ‍অপেক্ষায় থাকবে...

যারা সুস্থভাবে আজ বেঁচে আছি, তাদের পক্ষে করিমের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারা সত্যিই সম্ভব নয়। আমরা একবার নিজেকে করিমের জায়গায় চিন্তা করি...

এই তরুণ আমাদের জন্য অনেক কিছু দিতে পারবে, যদি সে বেঁচে থাকতে পারে। আমরা সবাই মিলে কি পারিনা, একজন করিমকে তার বেঁচে থাকার স্বপ্ন পূরণে সাথী হতে...


করিমকে সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ করুন:
হিসাব নং-০১০০০৫০০১৫৮৬১
জনতা ব্যাংক, উত্তরা শাখা।
মোবাইল ও বিকাশ নম্বর: ০১৭১২২৪০৩৭৯


তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

আওয়ামী লীগও বিশ্বাস করে জিয়া দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি: খন্দকার মোশাররফ

প্রথম আলো২৪.কম


নিউজ ডেক্স: শহীদ জিয়াউর রহমানই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, তা আওয়ামীও বিশ্বাস করে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান মুক্তি পরিষদ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী সাইয়েদুল আলম বাবলু।

‘বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ মান্নানের মুক্তির দাবি’ শীর্ষক এ সভায় তিনি বলেন, বর্তমান কতৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা ছাড়ার আর বেশী সময় নেই। ইতিমধ্যে তাদের নিজেদের মধ্যেই শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের এক সংসদ বলেছেন, শহীদ জিয়াউর রহমানই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। একথা বলে তারা প্রমান করেছেন, আওয়ামী লীগও মনে মনে বিশ্বাস করে শহীদ জিয়াই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। সুতরাং আওয়ামী লীগের মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটবে যে ঘটনায় তাদের নিজেদের পতন নিজেরাই ডেকে আনবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, অধ্যাপক এম এ মান্নানের মুক্তির দাবিতে গাজীপুরে দোকানে দোকানে আলোচনা ও রাস্তায় প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে। আর এই প্রতিবাদি এক সময় গণআন্দোলনে রুপ নেবে। আর এই অত্যাচারি, ফ্যাসিস্ট এবং অনির্বািচত সরকার বেশী দিন টিকে থাকতে পারবে না। কারণ বিএনপি চেয়ারপারসনের নেতৃত্বে দেশের জনগণ এই সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলে তাদের ‘সরকার’ পতন নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশ একটি কারাগারে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির নেতা বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে বিরোধী দলকে নির্যাতিত হতেই হয়। আর তাই দেশের বিরোধী মত, জনগণ ও বিরোধী দল আজ কারাগারে বন্দি রয়েছে। কিন্তু এতে বিএনপির নেতাকর্মীদের হতাশ না হওয়ার জন্য পরামর্শ দেন তিনি।

জঙ্গিবাদ দমন না করে ক্ষমতাসীনরা বিএনপির সাথে ব্লেইম গেম খেলছে বলে মন্তব্য করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে মোশাররফ বলেন, তিনি ‘প্রধানমন্ত্রী’ আমেরিকার যাওয়ার জন্য টিকিট করে রেখেছেন। কারণ বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলেই তিনি ‘ প্রধানমন্ত্রী’ যাতে দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন।

তথ্যসূত্র: আমাদরে সময়
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন