Sunday, September 18, 2016

আফগানিস্তান-ইনল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবেন তাসকিন-সানি!

 প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

স্পোর্টস ডেস্ক:
১৪ দিনের মধ্যেই তাসিকন আহেমদ ও আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশনের রেজাল্ট আসার কথা। নির্বাচকরা আশা করছে তাসকিন-সানির ইতিবাচক ফলাফলই আসবে। সেজন্য তাদের দলে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস শনিবার মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন। 

তিনি বলেন, আফগানদের বিপক্ষে সবগুলো ম্যাচই দিবা-রাত্রির হবে। দুপুর আড়াইটা থেকে ম্যাচ শুরু হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবার কঠিনই হবে। ভালোভাবে চেকিং হবে। তাছাড়া স্টেডিয়ামের প্যারামিটারে ফিজিক্যাল চেকটা করা হবে।’

উল্লেখ্য, আগামী বুধবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে আসছে আফগানিস্তান। শুক্রবার একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে আফগানরা। এরপর মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান। একই ভেন্যুতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শেষ দুটি ম্যাচ।

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

Saturday, September 17, 2016

ওষুধ ছাড়াই প্রেসার স্বাভাবিক রাখার কয়েকটি ট্রিপস

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

স্বাস্থ্য ডেস্ক:
ক্রমেই বদলাচ্ছে জীবনযাপনের ধরন। আর সেই বদলির বাড়তি পাওনা ঘরে ঘরে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। বাড়তি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাইফস্টাইল মডিফিকেশন না করে বেশিরভাগ মানুষই দারস্থ হন ওষুধের। 


ক্রমেই বদলাচ্ছে জীবনযাপনের ধরন। আর সেই বদলির বাড়তি পাওনা ঘরে ঘরে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। বাড়তি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাইফস্টাইল মডিফিকেশন না করে বেশিরভাগ মানুষই দারস্থ হন ওষুধের কিন্তু জানেন কি কয়েকটি সহজলভ্য খাবারেই আপনি হার মানাতে পারেন রক্তচাপের চোখ রাঙানিকে?

নারকেলের পানি –
গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডাব বা নারকেলের পানি রক্তচাপ কমাতে পারে ১২ পয়েন্ট পর্যন্ত। ২০ আউন্স নারকেলের জলে ১৫০০ মিলিগ্রাম পট্যাশিয়াম আছে। এই খনিজ মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
 
তিলের তেল –
এই তেলে স্বাস্থ্যকর পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। আর রয়েছে সিসামিন কম্পাউন্ড। ব্লাড ভেসেলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এই তেল। ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্তচাপ। রান্নায় ব্যবহার করার পাশাপাশি স্যালাড ড্রেসিং হিসেবেও ব্যাবহার করতে পারেন তিলের তেল।
 
দারচিনি –
যাঁদের হাইপারটেনশনের সমস্যা আছে তাঁরা যদি নিয়মিত আধ চা-চামচ দারচিনিগুঁড়ো খেতে পারেন, তাহলে ১২ সপ্তাহের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে অবাধ্য রক্তচাপকে।
 
চা খান ইচ্ছেমতো –
গ্রিন টি-র মাহাত্ম্য নিয়ে সবাই সরব হলেও, ব্ল্যাক টিও কিন্তু একইভাবে উপকারী। এতে আর্টারি রিল্যাক্সিং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
 
সবুজের সংস্পর্শে থাকুন –
প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক তো কবেই হারিয়ে গেছে। কিন্তু হৃদয়কে বাঁচাতে আর রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবুজ প্রকৃতির জুড়ি মেলা ভার। সবুজের সু-প্রভাব আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখে, স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের প্রভাব কম পড়ে শরীরে। তাই চেষ্টা করুন, সামান্য হলেও কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটাতে।
 
সোজা হয়ে বসুন –
শিড়দাঁড়া সোজা করে বসার চেষ্টা করুন সব সময়। ঘাড়ের কাছে এমন কিছু স্পর্শকাতর স্নায়ু আছে যা মস্তিষ্কে শান্তির বার্তা পাঠায়। কুঁজো হয়ে বা বেঁকে বসলে এই সব স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়।
 
আলু রাখুন খাবারে –
হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। আলু রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খাবারে সিদ্ধ বা বেকড আলু রাখুন। এতে রয়েছে পট্যাশিয়াম, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড এবং ট্রাইপটোফান। রক্ত ধমনীর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে আলু। ।
 
জোরে শ্বাস নিন –
ধীরে ধীরে গভীর নিঃশ্বাস নিন। প্রতিমিনিটে ১০টি গভীর শ্বাস নিন। এতে স্ট্রেস দূর হয়। ফলে হৃদয়ের উপরে বাড়তি চাপ পড়ে না, আর রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

Share:

বিয়েতে লাল শাড়ি ব্যবহার করা হয় কেন? জেনে নিন রহস্য


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রাচীনকাল থেকেই বিয়েতে লাল শাড়ির ব্যবহার চলছে৷ আধুনিক বিজ্ঞান মতে, রঙ মানুষের মনকে প্রভাবিত করতে পারে৷ যেমন কোনও হাল্কা বা সাদা রঙ মনকে শান্ত ও স্নিগ্ধ করে তোলে৷ ঠিক তেমনই কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙ প্রেমিক প্রেমিকার মনকে রাঙিয়ে তুলতে সক্ষম৷ আবার কালো রঙ নির্বাক শোক ও প্রতিবাদের ভাষা হিসেবেই ধরা হয়৷ 

সেক্ষেত্রে বিয়ের দিনে লাল বেনারসী পরিহিতা নববধূকে দেখে যেমন মোহময়ী লাগে তেমনই বরের চোখও ঘনিয়ে আসে ভালবাসার নেশায়৷ তখনই বুকের মধ্য জ্বলে ওঠে প্রেমের আগুন এবং উথলে ওঠে আবেগ৷ অর্থাৎ লাল রঙ যেন মানুষের কামনা-বাসনা, ভালবাসার মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে৷ ওই রঙ যেন যৌবনের দূত৷

তথ্য: সংগৃহীত
Share:

Monday, August 29, 2016

রামপাল বিশয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উন্মুক্ত বিতর্কের চ্যালেঞ্জ সিপিবি’র


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

নিউজ ডেস্ক:
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাখান করে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্য, উন্মুক্ত বিতর্কে অংশ নেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।

রোববার (২৮ আগস্ট) সিপিবি’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ এক বিবৃতিতে এ চ্যালেঞ্জ জানান।

গত শনিবার (২৭ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে বক্তব্য দেন এবং রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে ও সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না বলে জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য নিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে সিপিবি নেতারা বলেন, ঘরের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে ভুল, মনগড়া, অগ্রহণযোগ্য বক্তব্য না দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বা তার কোনো প্রতিনিধিকে উন্মুক্ত, প্রকাশ্য বিতর্কে অংশ নেওয়ার জন্য আবারও চ্যালেঞ্জ জানাই। আমরা বিদ্যুৎ চাই, কিন্তু তা কোনোভাবেই সুন্দরবনকে ধ্বংস করে নয়। বিদ্যুৎপ্রকল্প রামপাল থেকে সরিয়ে অন্যত্র করা সম্ভব। কিন্তু সুন্দরবন ধ্বংস হলে আরেকটা সুন্দরবন বানানোর ‘কৌশল’ নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর হাতে নেই। আমরা সুন্দরবনও চাই, বিদ্যুৎও চাই। সুন্দরবনকে ক্ষতিগ্রস্ত না করেই বিদ্যুৎ উৎপাদন ও উন্নয়ন সম্ভব।

বিবৃতিতে নেতারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন শুধুমাত্র আবেগনির্ভর নয়, যুক্তির ওপর নির্ভর করেই দেশবাসীর সমর্থনে এই আন্দোলন গড়ে উঠেছে এবং অগ্রসর করা হচ্ছে। রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যে সুন্দরবন ধ্বংস হবে, তা যুক্তি ও তথ্য দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে তথ্যভিত্তিক যুক্তি খণ্ডন না করে, সুন্দরবন ধ্বংসের পথে হাঁটার কথাই বলেছেন। সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনের যৌক্তিকতা ভুল প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে, প্রধানমন্ত্রী গায়ের জোরে রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলেছেন।

সিপিবি নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বামপন্থীদের সম্পর্কে বিষোদগার ও কুৎসা করেছেন। বামপন্থীদের সম্পর্কে তার মন্তব্য অসত্য এবং বাস্তবতার পরিপন্থী। যুগে যুগে বামপন্থীরা আদর্শিক দায়বোধ থেকেই নানা নির্যাতন সহ্য করে জনগণের স্বার্থে আন্দোলন গড়ে তুলেছে। দেশের স্বার্থে বামপন্থীরা অনন্য অবদান রেখে চলেছে- এ কথা সর্বজনবিদিত। বামপন্থীদের সম্পর্কে অসত্য ও অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করে প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রী নিজেকেই প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করেছেন। 


তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Share:

Sunday, August 28, 2016

অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নয়, গাঁজা পাঁচার!


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

নিউজ ডেস্ক:
  রোগী পরিবহনের ভান করে অ্যাম্বুলেন্সে করে গাঁজা পরিবহনের পথ বেছে নিয়েছিল একদল মাদক ব্যবসায়ী। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বিশ্বরোড মোড় থেকে ৬৪ কেজি গাঁজাসহ একটি অ্যাম্বুলেন্স আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

রোববার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে গাঁজাসহ অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করা হয়। তবে অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ মাদক পাচারকারীরা পালিয়ে গেছে।

খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ূন কবীর জানান, সকালে সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে টহলরত হাইওয়ে পুলিশ সিলেট থেকে আসা একটি অ্যাম্বুলেন্সকে থামার সংকেত দেয়। এসময় অ্যাম্বুলেন্সটি সংকেত অমান্য করে ঢাকার দিকে ছুটতে থাকে। পুলিশ ধাওয়া করলে খাটিহাতার কাছে ফাঁকা জায়গায় গাড়ি থামিয়ে চালক ও পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালিয়ে সিটের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২৪ প্যাকেট গাঁজা (৬৪ কেজি) উদ্ধার করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

চারুলার ছাত্রী ভাবনা


প্রথম আলো২৪

বিনোদন ডেস্ক: 
চারুকলায় যারা পড়াশোনা করে তাদের চলাফেরা সাজগোজ একটু অন্যরকম হয়। তাদের একটু অন্যরকম চোখেও দেখে কিছু কিছু মানুষ। এবার চাড়ুকলার ছাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মডেল এবং অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। আর এই চরিত্রের জন্য আড়ং থেকে তিনটি নোলক বানিয়েছেন শনা হাবিব ভাবনা। ‘চিলেকোঠার গল্প’ নামের নাটকে তাকে এগুলো পড়তে দেখা যাবে।

এখানে ভাবনার চরিত্রের নাম রানু। সে বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্রী। বাবা-মা থাকেন গ্রামে। রাত জেগে ছবি আঁকে। দিনে টিউশনি করে, ছবি বিক্রি করে, ফ্রিল্যান্স আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে দিনরাত কাজ করে কোনোভাবে চলে।

ঢাকায় পড়াশোনা করতে এসে যে সমস্যাটা রানুকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে তার নাম আবাসন। চারুকলায় পেইন্টিং নিয়ে পড়ার কারণে তার জীবনযাত্রার ধরন ও অনুষঙ্গ একটু অন্যরকম।

মেয়েদের হোস্টেলের সীমিত সুযোগে সৃষ্টিশীলতার চর্চা যথাযথভাবে হয়ে উঠবে না সেটা ভালোই বুঝতে পেরেছিলো রানু। তারপর থেকেই নানারকম প্রচেষ্টা। কয়েকজন মিলে ফ্ল্যাট ভাড়া, আত্মীয়ের বাসায় পেইং গেস্ট, বান্ধবীর বাসায় সাবলেট। সবখানেই প্রথম কিছুদিন খুব সুন্দর যায়, তারপর মাস শেষ না হতেই শুরু হয় নানারকম সমস্যা।

তাই রানু চাইছে নিজের মতো করে থাকার জন্য আলাদা এক টুকরো জায়গা। সেটা চিলেকোঠা হলে বেশি ভালো হয়। অনেক ঘুরে অবশেষে ছয়তলা বাড়ির ছাদে এক রুমের একটি চিলেকোঠা ভাড়া নিতে পারে রানু। এটা পেতে লম্বা সাক্ষাৎকারের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। মালিকের প্রধান শর্ত একটাই- কোনো ব্যাচেলর ভাড়া দেবেন না। ‘বাচ্চা-কাচ্চাহীন শিক্ষিত দম্পতির অগ্রাধিকার।’

পরিচিত বড় ভাই রাশেদের বুদ্ধিতে তাকেই স্বামী সাজিয়ে চিলেকোঠা ভাড়া পায় রানু। প্রেমিক জামাই সেজে মিথ্যে কথা বলতে চায় না। পরে ধরাও পড়ে। একদিন বাড়িওয়ালার কাছ থেকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ আসে। নিয়তি মেনে আবার নতুন বাসা খুঁজতে পথে নামে রানু। এবার প্রকৃতই তার সঙ্গী হয় রাশেদ।

নাটকটিতে রাশেদ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মীর রাব্বী। এ ছাড়াও আছেন ঝুনা চৌধুরী, ফারহানা মিঠু প্রমুখ। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন প্রসূন রহমান, পরিচালনায় ফয়সাল রাজিব।

গত ২৫ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় নাটকটির দৃশ্যধারণ হয়েছে। আসছে ঈদুল আজহায় দেশ টিভির বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে ‘চিলেকোঠার গল্প’

তথ্য: ইন্টারনেটে থেকে সংগৃহীত
Share:

এবার জাজের ছবি থেকেই বাদ পরীমনি


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম

বিনোদন ডেস্ক:
‘রক্ত’র শুটিং চলাকালিন নতুন খবর আসে জাজ মাল্টিমিডিয়ার আরো একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন হালের ক্রেজ অভিনেত্রী পরীমনি। কিন্তু হঠাৎ করেই শোনা গেলো জাজের ‘পাষান’ ছবি থেকে বাদ পড়ছেন পরী। নতুন নায়িকা হিসেবে নেয়া হয়েছে এমিকে। জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকার উত্তরার একটি লোকেশনে এই নতুন নায়িকাকে নিয়ে ছবিটির শুটিং শুরু করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির।

জানা গেছে, চার মাস আগে ‘পাষাণ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন পরীমনি। বিষয়টির সত্যতা জানার জন্য পরীমনির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বাদ দেওয়ার বিষয়টিকে উড়িয়ে দেন তিনি।

পরীমনির বলেন, বাদ দেওয়া হয়নি। নতুন ছবির শুটিংয়ের জন্য হাতে শিডিউল না থাকার কারণে নিজ থেকেই সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। পরীমনি বলেন, ‘একই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ‘রক্ত’ ছবিটি কিন্তু ঈদে মুক্তি পাচ্ছে। এখনো এই ছবির শুটিং শেষ করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া হাতে আরও চারটি ছবির কাজ রয়েছে। তাই সরে দাঁড়াতে হয়েছে।’

নায়িকা বাদ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানালেন ছবিটির পরিচালক সৈকত নাসির। পরিচালক কথা না বললেও প্রযোজক ঠিকই কথা বলেছেন। আবদুল আজিজ বলেন, ‘সময়মতো শুটিংয়ে আসেন না পরীমনি। তিনি আমাকে নানাভাবে ভুগিয়েছেন। তাঁর কারণেই ‘রক্ত’ ছবিতে প্রায় এক কোটি টাকা বাড়তি খরচ গুনতে হয়েছে। নতুন কোনো ছবিতে তাঁকে নিয়ে আর ভুগতে চাই না। তাই বাদ দিয়েছি।’

‘পাষাণ’ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার ওম, বাংলাদেশের বিপাশা কবির, মিশা সওদাগর, সাদেক বাচ্চু, শিমুল খান, মিজু আহমেদ প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
Share:

প্রত্যাহার হচ্ছে জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে কবরও

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম। নিউজ ডেক্স

ঢাকা:
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারে এরইমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এবার জাতীয় সংসদ এলাকা থেকে তার কবর সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৭ আগস্ট) গাজীপুরের কাশিমপুরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা জানান। এর আগে, গত বুধবার (২৪ ‍আগস্ট) মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আক ম মোজাম্মেল হক বলেন, জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধকালীন এবং যুদ্ধপরবর্তী বিতর্কিত ভূমিকা প্রমাণ করে, তিনি স্বাধীনতা চাননি। এ ধরনের বিতর্কিত ব্যক্তির কবর পবিত্র সংসদ এলাকায় থাকতে পারে না। তাই সংসদ এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরানো হবে।

বঙ্গবন্ধু হত্যায় যারা সরাসরি জড়িত ছিল তাদের বিচার হলেও নেপথ্যে যারা ছিল তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে দেশি বা বিদেশি যারা জড়িত ছিল তাদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন করা হবে।

এর আগে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ও জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

অন্যদিকে, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারে মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। তিনি অনুমোদন দিলে বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। তখন সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

২০০৩ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে পুরস্কার দেওয়ায় আপত্তি জানিয়ে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগ ওই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করে। তখন এই পদক দু’টি বিতরণ না করে প্রদর্শন ও সংরক্ষণের জন্য জাতীয় জাদুঘরে দিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর জিয়াউর রহমানের পদকটি গ্যালারি থেকে সরিয়ে গুদামে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মন্ত্রিসভা কমিটি জিয়াউর রহমানের পুরস্কার প্রত্যাহারের পাশাপাশি জাতীয় জাদুঘর থেকে ওই পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্রও সরিয়ে ফেলার সুপারিশ করেছে।

সূত্রমতে, মন্ত্রিসভা কমিটি মনে করে একইসঙ্গে দু‘জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে জিয়াউর রহমানকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছাকাছি মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তাছাড়া, স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। যারা দেশ ও মানুষের কল্যাণে অসাধারণ অবদান রেখেছেন তারাই পান এই পুরস্কার। জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রপতি পদ বা রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহণের বিষয়টি হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করায় তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে আমলে নিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এ জন্যই কমিটি পুরস্কার প্রত্যাহার এবং মেডেল ও সম্মাননাপত্র জাদুঘরে সংরক্ষণের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কমিটি মনে করে, এই পুরস্কার যদি জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে আগামী প্রজন্মের কাছে ভুল ইতিহাস উপস্থাপিত হবে এবং একটি ভুল বার্তা যাবে।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন