Tuesday, November 8, 2016

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে বাতিল হতে চলেছে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। আজ মধ্যরাত থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে ঘোষণা করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার ও বৃহস্পতিবার ভারতে সব এটিএম ও ব্যাঙ্ক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বদলের সময়সীমাও বলে দেওয়া হয়েছে। ১০ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে এই নোট বদল করা যাবে ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিসে। 

এ ছাড়া ৯-১০ নভেম্বরের মধ্যে টাকা তোলার উর্ধ্বসীমা হবে ২০০০। পরে সেই উর্ধ্বসীমা বাড়ানো হবে। বাস, ট্রেন ও বিমানের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে পুরনো নোটে ছাড় দেওয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে টাকার কালোবাজারী ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

Share:

Wednesday, November 2, 2016

মিরাজকে বাড়ি করে দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে চমক দেখিয়ে দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় আসা ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের পরিবারের জন্য খুলনায় বাড়ি বানিয়ে দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাড়ি তৈরির জন‌্য উপযুক্ত স্থান খুঁজে বের করতে তিনি খুলনার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম জানিয়েছেন।

মিরাজের ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পিছনে দারিদ্র্যের সঙ্গে তার লড়াইয়ের গল্প সংবাদমাধ‌্যমে উঠে আসার পর প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দিলেন।

আশরাফুল আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের পরিবারের জন্য বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশনা ইতোমধ্যে খুলনার জেলা প্রশাসককে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। বাড়ি করার জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজে বের করে এই ব্যবস্থা নেবে জেলা প্রশাসন।”

১৯ বছর বয়সী তরুণ অলরাউন্ডার মিরাজ ইংল‌্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টেই অভিষিক্ত হন। দুই টেস্টে ১৯টি উইকেট নিয়ে এই অফ স্পিনার হয়েছেন ম্যান অফ দি সিরিজ। তার কৃতিত্বেই দ্বিতীয় টেস্ট জয় পায় বাংলাদেশ, ১-১ সমতায় শেষ হয় টেস্ট সিরিজ। 

খুলনার খালিশপুরের বিআইডিসি সড়কের নর্থ জোনের ৭ নম্বর প্লটে বৃহত্তর বরিশাল কল্যাণ সমিতির অফিসের পিছনে যে টিনের বাসায় মিরাজরা থাকেন, সেখানে ঘর মাত্র দুটি। বাঁশের চাটাই দিয়ে বারান্দার একটি অংশ ঢেকে তৈরি হয়েছে আরেকটি ঘর। তারই এক ঘরে রাখা হয়েছে মিরাজের পাওয়া সারি সারি মেডেল।

গণমাধ‌্যমে আসা খবরে বলা হচ্ছে, ওই বাসায় ঢোকার গলি এতোই সরু যে সেখানে রিকশা যেতে পারে না। মিরাজকে শুভেচ্ছা জানাতে হঠাৎ অতিথি বেড়ে যাওয়ায় তাদের বসার ব‌্যবস্থা হয়েছে রাস্তার পাশে চেয়ার পেতে।

অভিষেকেই তারকা খ‌্যাতি পাওয়া ক্রিকেটারের বাবা জালাল হোসেন রেন্ট-এ কারের মাইক্রোবাস চালক। তার ছোট মেয়ে খুলনার একটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ছে। আর ছেলে মিরাজ উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছে এ বছরই।
Share:

Saturday, October 29, 2016

নষ্ট মেমরি ঠিক করার উপায়!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মেমরি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটার মধ্যে আপনি রাখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ সব ডাটা। এছাড়াও জীবনের সৃত্মি চিহ্নিত কিছু ছবি আমরা আমদের মোবাইলের মেমরি কার্ডের মধ্যেই রাখি। তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হয়ে যায়। ফলে আপনি পরেন মহাবিপাকে। অবশেষে আপনার প্রয়োজনীয় কিছু ডকুমেন্ট হারিয়ে আপনি হতাশায় ভোগেন। নানান ভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা বাহ্যিকভাবে নষ্ট মেমরি কার্ডকে ঠিক করা কঠিন। তারপও আধুনিক কম্পউটারের যুগে সবই সম্ভব।

এবার আপনাদের জানাবো কিভাবে নষ্ট মেররি কার্ড ঠিক করবেন।

ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে:
মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না। এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকেরিকভারি সফটওয়্যার মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারে।

আর এ জন্য যা করতে হবে আপনাকে:

প্রথমে কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run asadministratorনির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড

প্রম্পট চালু হলে এখানেchkdskmr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।

কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।

এখানেconvertlostchainsto filesবার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদিinvalid filesystemদেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করেFormat-এ ক্লিক করুন।File systemথেকেFATনির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না। (সূত্র: ইন্টারনেট)
Share:

A দিয়ে শুরু নামের ব্যক্তিরা কেমন হয়?

নিউজ ডেস্ক: জ্যোতিষীরা মানুষের হাত দেখে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত বলে দেয়। তবে মানুষের নামের প্রথম অক্ষর দেখে জানা যায় সেই মানুষটির আচার-আচরণসহ অনেক কিছুই। চলুন জেনে নেওয়া যাক, যাঁদের নাম ইংরেজী বর্ণমালার প্রথম লেটারটি দিয়ে শুরু, তাঁরা কেমন মানুষ?

১) A বোঝায় চরিত্রের দৃঢ়তা। নিজের বিচার বুদ্ধির উপর এঁরা বরাবর ভরসা করেন।

২) A দিয়ে যাঁদের নাম শুরু তাঁরা সাহসী হন।

৩) যে কোনও কাজে এঁদের প্রচণ্ড উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়। এঁরা উদ্যমী চরিত্রের।

৪) জীবনকে উপভোগ করে বাঁচতে ভালোবাসেন।

৫) এঁরা সহজে কারুর উপর নির্ভরশীল হন না, নির্ভরশীল হতে পছন্দ করেন না।

তবে, A দিয়ে যাঁদের নাম শুরু, তাঁদের সবই তাই বলে ভালো নয়!

১) নামে যদি একের বেশি A থাকে, সেক্ষেত্রে স্বার্থপরতা লক্ষ্য করা যায়।

২) ওরে বাব্বা! এঁরা নাকি সন্দেহবাতিক হন। বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড A দিয়ে হলে কিন্তু সাবধান।

৩) এঁরা একটু জেদী, একগুঁয়ে ও একবগ্গা প্রকৃতির হন। (সূত্র: ইন্টারনেট)
Share:

জোর করে খাওয়াতে গিয়ে শিশুকে মেরে ফেললেন বাবা

প্রতীকী ছবি
ইংল্যান্ডের ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, নিজের শিশুকে জোর করে খাওয়াতে গিয়ে হত্যা করেছেন তিনি।

নর্থ ওয়েস্ট লন্ডনের বাসিন্দা এই মানুষটির বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন ও হত্যার মামলা আদালতে তোলা হয়েছে। সরকারি কৌঁসুলিরা আদালতে জানান, এই পিতার অভ্যাস ছিল, তিন বছরের শিশুপুত্রকে নিজের কোলের উপর শুইয়ে খাওয়ানো। মূলত দুধ, পাউরুটি, উইটবিক্স এবং ওট মিশ্রিত একটি খাবার খাওয়ানো হতো শিশুটিকে।

শিশুটি অনেক সময়েই খেতে চাইত না সেই খাবার। সেক্ষেত্রে জোর করেই তার মুখে খাবার গুঁজে দিতেন বাবা। অনেক সময়েই বাচ্চাটির নাকেও খাবার ঢুকে যেত এবং পুরো মুখে লেগে যেত খাবার। শিশুটি কান্নাকাটি করলেও তেমনভাবে ভ্রূক্ষেপ করতেন না। সেইভাবেই জোর করে খাওয়াতে গিয়ে কয়েক দিন আগে ঘটে যায় দুর্ঘটনা।

খাওয়ানোর সময় হঠাৎই নিথর হয়ে যায় শিশুটি। তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সরকারি কৌঁসুলিদের বক্তব্য, ভদ্রলোক নিজের সন্তানের প্রতি অমানবিকতা ও উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছেন। তার কড়া শাস্তিরও দাবি উঠেছে। আপাতত মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। যে ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে তাতে ওই ব্যক্তির অপরাধ যদি প্রমাণিত হয় তাহলে জেলে যেতে হবে তাকে
Share:

Monday, October 24, 2016

বরের বয়স ১২ বছর কনের ১১!

ডেস্ক নিউজ : বরের বয়স ১২ আর কনের ১১। মিসরের রাজধানী কায়রো থেকে ৭৫ মাইল দূরে ধুমধাম অনুষ্ঠানে বিয়ে হয়ে গেল তাঁদের দু’জনের। আর বিয়ের ছবিটি সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়াতেই শুরু হয় বিতর্ক।

জানা যায়, নাসের হাসান নামে এক মিসরীয় ব্যবসায়ীর বড় ছেলের বিয়ে দিতে আয়োজন করেছিলেন বিশাল অনুষ্ঠানের। শুধু বড় ছেলের বিয়ে দিয়েই যেন মন ভরেনি নাসেরের। তাই ঠিক করলেন, এক পার্টিতেই ছোট ছেলে ওমরের বিয়েটাও সেরে পেলবেন। কিন্তু ছোট ছেলের বয়স মাত্র ১২!

কী আর করা। এদিকে ১১ বছরের পাত্রীও রাজি। সেই বিয়ের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেতেই সমস্যার যতো সৃষ্টি। কারণ, মিশরের আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নীচে বিয়ে অপরাধ। কিন্তু আইনের প্রতি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিয়ের বিষয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাল নাসেরকে। সংবাদ মাধ্যম এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, এই ঘটনার মধ্য অন্যায়ের তেমন কিছু দেখছি না। বর-কনে দুজন দুজনকে খুব ভালবাসে। ছোট বেলাতেই তাই বিয়েটা সেরে রাখা হল। বড় হলে যাতে ছেলে বা মেয়ে কেউ অন্য কাউকে বিয়ে করতে না চায়। এখন দেখার বিষয় মিসরের আইন কী বলে?

Share:

Thursday, October 13, 2016

নাঙ্গলকোটের কৈরাশ গ্রামে অজ্ঞাত ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন দেহ ও মাথা উদ্ধার



কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে  জোড্ডা ইউনিয়নের  কৈরাশ গ্রামের স্থানীয় একটি পুকুরে পাওয়া গেল অজ্ঞাত যুবকের লাশ  স্থানীয় জনগন জানায় আজ সকাল বেলায় পুকুরের ঘাটে প্রথমে দেখা যায় মাথাটি পরবর্তিতে পুকুরের পাড়ে ক্ষেতে আইলে পাওয়া যায় বিচ্ছিন্ন দেহটি স্থানীয় জনগন ধারনা করছে ও এলাকার নুরুল হকের ছেলে সিপাত(১৮) এ নিয়ে এলাকার জনগনের মাজে বেশ উত্তেজনা কাজ করছে।ছেলেটির মা ও ভাই এসে বলছে আজ চার পাঁচদিন নিখোঁজ।আরো জানায় বন্দুর সাথে বাজারে যায়। তারপর আর কোনো সন্ধান মেলেনি সিপাতের এ নিয়ে তার বন্ধু জানায় বাজারে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর বন্ধুর কাছ থেকে আলাদা হয়ে যায়।তারপর তার বন্ধু বাড়িতে চলে আসে।পুলিশ আসার অপেক্ষায় এখনো লাশের মাথা তোলা হয়নি।
Share:

ফরিদার বোনকে বিয়ে করেছে ৭ আইএস জঙ্গি!

ঘটনা ১: ফরিদার (নাম পরিবর্তিত) বোন যখন সবে ১৬ বছরে পা দিয়েছে, ওরা তখনই তাকে তুলে নিয়ে যায়। ফরিদার বোন খুব সুন্দরী। তাই তাকে সাত-সাত জনের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও সিরিয়াতেই রয়েছে ফরিদার বোন। তাকে প্রত্যেক রাতে সাত-সাতটি ‘স্বামী’র শয্যাসঙ্গী হতে হয়। কোনও কোনও রাতে একই সঙ্গে তাকে শয্যাসঙ্গী হতে হয় তিন বা চারটি ‘স্বামী’র। ফরিদার বোনের ইচ্ছে-অনিচ্ছের ওপর কিছুই নির্ভর করে না। তার সাত ‘স্বামী’র যখন যেখানে যেমন ইচ্ছে হবে, ফরিদার বোনকে তখনই সেখানে সেই ‘দাবি’ তেমন ভাবেই মেটাতে হবে। হবেই। ফরিদার কপাল একটু ভাল। সে ওই রোজ রাতের অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেয়ে সবে ঘরে ফিরতে পেরেছে। তবে ফরিদার অভিজ্ঞতার ঝুলি ভরে একেবারে উপচে গিয়েছে! ফরিদা চোখের সামনে দেখেছে, একটা লোক পর পর চারটি মেয়েকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করল। একটি মেয়েকে পর পর দু’বার ধর্ষণ করল আধ ঘণ্টার মধ্যেই! আর একটি মেয়েকে ধর্ষণ করল তার ঘুম ভাঙিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে। ফরিদা দেখেছে, মায়ের বুকের দুধ খাওয়া শিশুটিকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে ওই মেয়েটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল একটি লোক। তার পর আরও তিনটি লোক ঝাঁপিয়ে পড়ল ওই মেয়েটির ওপর। ফরিদার কথায়, ‘‘মেয়েটিকে ছিঁড়ে ওরা (আইএস জঙ্গি) ফালাফালা করে দিল।’’

ঘটনা ২: ফরিদার নিজের গল্পটাও কম মর্মান্তিক নয়। ফরিদাও দেখতে বেশ চটকদার ছিল। গায়ের রং ফেটে পড়ছে। যেমন চোখ, তেমনই তার ‘ক্লিভেজ’। ফরিদাকে এ সবের ‘খেসারত’ দিতে হয়েছে নির্মম ভাবে। ফরিদাকে বিয়ে করতে হয়েছিল পাঁচ জনকে। আইএসের পাঁচ জঙ্গিকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়েছিল ফরিদাকে। ফরিদার কথায়, ‘‘একেক জন আমাকে কিনেছে। আমাকে নিয়ে যতটা পারে, ফুর্তি করেছে। রাতের পর রাত। আমাকে দিনেও ঘুমোতে দেয়নি ওদের প্রয়োজন মেটাতে। তার পর আমাকে অন্য আরেক জনের কাছে বেচে দিয়েছে। আমার প্রথম ‘স্বামী’র এক বন্ধুর আমাকে দেখে ভাল লেগে গেল। সে আমাকে কিনে নিয়ে গিয়ে আমাকে নিয়ে ক’দিন ধরে খুব ফুর্তি করল। তার পর শখ ফুরোলে আমাকে তার আরেক বন্ধুর কাছে বেচে দিল। এই ভাবে পাঁচ জন আমাকে কিনেছে, চার জন বেচেছে। আমার পাঁচ-পাঁচটা ভাইকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ওরা কুপিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। কিরকুকে আমার বাড়ি ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। যে ভাবে আমার ভাইদের ওরা খুন করেছে একের পর এক, আমার বাড়ি তছনছ করেছে, তা আমি ১০০ বছরেও ভুলতে পারব না। আমি এখনও কাঁদি ওদের কথা ভেবে। আমার স্বামী এখনও বেঁচে রয়েছে। কিন্তু, তার কাছে মুখ দেখাব কী করে? আমি তো আর কখনওই সুখী করতে পারব না আমার আদত স্বামীকে!

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন