Thursday, March 1, 2018

অর্থ আত্মসাৎ করেননি, অনিয়ম করেছেন

ড. কামাল হোসেন/ছবি: ফাইল ফটো
বেগম জিয়া অর্থ আত্মসাৎ করেননি, তবে সরকার অর্থব্যবস্থাপনার অনিয়ম করেছেন এমনটাই মনে করেন ড. কামাল হোসেন। রায়ের কপি নিয়ে গত বুধবার ড. কামাল তাঁর চেম্বারের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এই মনোভাব জানান। তবে, এই মামলায় তিনি বা তাঁর চেম্বার জড়িত হবেন না বলে স্পষ্ট মনোভাব ব্যক্ত করেছেন, ড. কামাল হোসেন।

গত সোমবার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁকে বেগম জিয়ার পক্ষে হাইকোর্টে লড়ার জন্য অনুরোধ করেন। ড. কামাল ক্রিমিনাল প্র্যাকটিস করেন না, এই যুক্তিতে মামলা গ্রহণ করেননি। তবে বিএনপি মহাসচিবের অনুরোধে ড. কামাল অধ:স্তন আদালতের রায়ের কপি গ্রহণ করেন।

ড. কামাল হোসেনের চেম্বারের সূত্রে জানা গেছে, তাঁর দুই আইনজীবী রায় তাঁকে পড়ে শুনিয়েছে। ড. কামাল নিজেও রায়ের বিভিন্ন অংশ পড়েছেন। এরপর তিনি তাঁর সহকারী আইনজীবীদের সঙ্গে এনিয়ে আলোচনাও করেন। সূত্র মতে, ড. কামাল তার জুনিয়রদের বলেছেন, টাকাটা যে সরকারি টাকা এতে কোনো সন্দেহ নেই। সরকারি টাকা যে কেউ তাঁর ইচ্ছা মতো এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করতে পারে না। এটা অন্যায় এবং অনিয়ম। আলোচ্য মামলায় সরকারি টাকা বেআইনি ভাবে বিভিন্ন হাত ঘুরেছে। তবে ড. কামাল মনে করেন, বেগম জিয়া টাকা আত্মসাৎ করেননি। বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ঘুরে টাকা আবার ফান্ডের অ্যাকাউন্টেই এসেছে।

সূত্র মতে, কামাল হোসেন মনে করছেন, হাইকোর্টে ভালো আর্গুমেন্ট করলে বেগম জিয়ার শাস্তি কমবে। এমনকি শুধু অর্থদণ্ডেই শাস্তি সীমাবদ্ধ হতে পারে। তবে এব্যাপারে তিনি বিএনপির আইনজীবীদের কোনো আইনি সহায়তা দেবেন কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।

যোগাযোগ করা হলে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘মামলার রায়ের প্রথম রিডিং হয়েছে। কিছু পয়েন্ট নোট করেছি। এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।’ বেগম জিয়ার পক্ষে মামলা লড়বেন কিনা, জানতে চাওয়া হলে ড. কামাল বলেন ‘না, তবে দেখি তাদের কিছু পরামর্শ দিতে পারি কিনা।’

তথ্যসূত্র: বাংলা ইনসাইডার
Share:

আওয়ামী লীগকে আয়নায় মুখ দেখতে বললেন ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ছবি: ফাইল ফটো
বিএনপিকে ‘দুর্নীতিপরায়ণ দল’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বক্তব্য আসার পর দলটিকে আয়নায় নিজেদের মুখ দেখার পরামর্শ দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে তিনি এ কথা বলেন। খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক অধিকার মঞ্চ’ নামের একটি সংগঠন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সংসদে প্রধানমন্ত্রী বেশকিছু আপত্তিকর কথা বলেছেন। একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দল (বিএনপি) যা প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঁচবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে, যে দল বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, সংসদীয় গণতন্ত্র নিয়ে এসেছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়েছে, সেই দলটিকে তিনি বললেন দুর্নীতিপরায়ণ দল।’

অনুষ্ঠানে ফখরুল বলেন, ‘এসব কথা বলার আগে তো আয়নায় নিজের মুখ দেখতে হবে। মানুষ কী বলে আপনাদের সম্পর্কে তা শুনতে হবে তো। প্রয়াত সাংবাদিক এ বি এম মুসা বলে গিয়েছিলেন যে, ‘আওয়ামী লীগ দেখলেই বলবা চোর’। বদরউদ্দিন ওমর সাহেব কয়েকদিন আগে কলকাতার এয়ারপোর্টে একেবারে নাম ধরে বলেছেন চোর। মেগা প্রজেক্টের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয়ে যাচ্ছে। ব্যাংকগুলো থেকে হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। দেশের মানুষ খুব ভালো করে জানে, কারা দুর্নীতি করছে, কারা দুর্নীতি করছে না।’

‘যেনতেন নির্বাচন করতে’ খালেদা জিয়াসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে নিচ্ছে সরকার এই অভিযোগ করে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘দেশনেত্রীর নামে চারটি মামলা। আর প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ছিল পনোরটা। ১৫টি মামলা তুলে নিয়ে এই চারটি রেখে দিলেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সাত হাজার মামলা তুলে নিয়েছেন। আর আমাদের মামলা বেড়ে দাড়িয়েছে ৭৮ হাজার। আসামির সংখ্যা একমাস আগে পর্যন্ত ছিল ১৮ লাখের ওপরে। গোটা কারাগার ভরে গিয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীতে।’

খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি ও একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি আদায়ে নেতাকর্মীদের আরো বেশি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব।

‘আমাদের কাজ এখন খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্ত করে আনা। আরেকদিকে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আদায় করার সংগ্রাম। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এই দানব সরকারকে পরাজিত করে সত্যিকার অর্থে একটি নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ২৪.কম
Share:

স্কুল শিক্ষার্থীদের সঞ্চয় ১৩শ’ কোটি টাকা ব্যাংকে

ছবি: প্রতীকি
ব্যাংকে বেড়েই চলছে খুদে শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের পরিমাণ। স্কুল ব্যাংকিংয়ের আওতায় শিক্ষার্থীরা ব্যাংক হিসাব খুলেছে ১৪ লাখ ৫৩ হাজর ৯৩৬টি। এসব হিসাবে সঞ্চয় হয়েছে ১ হাজার ৩৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিসেম্বর ২০১৭ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্কুল শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের অভ্যাসে উৎসাহিত করতে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করে। মাত্র ১০০ টাকা জমা করে নিজের নামে হিসাব খুলতে পারছেন শিক্ষার্থীরা। এতে করে যেমন উপকৃত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, তেমনি বাণিজ্যিক ব্যাংকেরও আমানতের পাল্লা ভারী হচ্ছে। এছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের সঞ্চিত টাকা বিনিয়োগ হয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের ৫৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে স্কুল ব্যাংকিংয়ের আওতায় ১৪ লাখ ৫৩ হাজর ৯৩৬টি হিসাব খোলেছে শিক্ষার্থীরা। এসব হিসাবের বিপরীতে সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে শহরের স্কুলের শিক্ষার্থীদের খোলা ৮ লাখ ৮৯ হাজার ২৯টি অ্যাকাউন্টে জমা ৯৪৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। আর গ্রামের শিক্ষার্থীদের ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯০৭টি অ্যাকাউন্টে জমা ৪১৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৯৫৬টি। আর এসব হিসাবে মোট স্থিতি ১ হাজার ১০৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে চার লাখ ২৪ হাজার ৩৩০টি হিসাব খোলা হয়েছে। এসব হিসাবের বিপরীতে সঞ্চয় দাঁড়িয়েছে ১৬৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

আলোচিত সময়ে সবচেয়ে বেশি হিসাব খোলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংকে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৯৮টি। যা মোট হিসাবের ১৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এরপরে অগ্রণী ব্যাংকের ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩৬টি হিসাব রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ডাচ-বাংলা ১ লাখ ৭১ হাজার ৩৬২টি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ১ লাখ ১ হাজার ৩০১টি এবং উত্তরা ব্যাংকে ৮৪ হাজার ১০৮টি হিসাব রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক মো. আবুল বশর বলেন, শিক্ষার্থীদের ব্যাংকমুখী করে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন সময় প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সঞ্চয়ের মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০১০ সালে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করতে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ কার্যক্রম শুরু হলেও শিক্ষার্থীরা টাকা জমা রাখার সুযোগ পায় ২০১১ সালে। এদিকে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে আর্থিক সেবা পৌঁছে দেয়ার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৫ সালে 'চাইল্ড অ্যান্ড ইউথ ফাইন্যান্স ইন্টারন্যাশনালের' (সিওয়াইএফআই) 'কান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড' পুরস্কারে ভূষিত হয় বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ২৪.কম
Share:

বাবা নয়, চিকিৎসা নিতে মাকে সঙ্গে আনতে হবে!

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে /ছবি: সংগৃহীত
লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে বাবার সঙ্গে চিকিৎসা নিতে যাওয়া শিশুদের সেবা পেতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। শিশুদের চিকিৎসায় বর্হিবিভাগের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে চিকিৎসা নিতে মায়ের সঙ্গে আসতে হবে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের প্রাঙ্গণে  নোটিশবোর্ড কিংবা বর্হিবিভাগেও কোনো নোটিশ দেখা যায়নি।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা গেছে। এ সময় বর্হিবিভাগের টিকিট না পেয়ে বাবার সঙ্গে আসা শিশুদের  ফিরে যেতে হয়েছে। এক-দু’জন অভিভাবক পরিচিত চিকিৎসকদের সহায়তা নিয়ে জরুরি বিভাগে গিয়ে চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বাবার সঙ্গে সাড়ে পাঁচ বছরের এক শিশু দাঁতের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসে। তারা বর্হিবিভাগের চিকিৎসায় টিকিট পেতে লাইনেও দাঁড়ান। বেশ কিছু সময় পার করে কাউন্টারে পৌঁছে টিকিট চাইলে তাদের দেওয়া হয়নি। কেনো দেওয়া হচ্ছে না? তা জানতে চাইলে কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা সেলিম বাংলানিউজকে জানান, টিকিট নিতে হলে বাবার সঙ্গে নয়, আসতে হবে মায়ের সঙ্গে।

টিকিট না পেয়ে ওই অভিভাবক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হোসনকে বিষয়টি জানান। পরে তিনি জরুরি বিভাগ থেকে টিকিট নিয়ে শিশুর চিকিৎসা ব্যবস্থা করেন। এভাবে চলছে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের বর্হিবিভাগের চিকিৎসা সেবা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, টিকিট কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা সেলিম পাঁচ টাকার টিকিট রোগীদের অসহায়ত্বে সুযোগ নিয়ে ৫০টায় বিক্রি করেন। নানা অজুহাতে এবং মনগড়া নিয়ম করে রোগীদের কাছ বেশি দামে টিকিট বিক্রি করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে শত শত।

হাসপাতালের বর্হিবিভাগ থেকে টিকিট নিতে আসা বেশ কয়েকজন গৃহবধূর অভিযোগ তারা পাঁচ টাকার টিকিট ৫০ টাকায় কিনেছেন। অনেকেই মনে করছেন বাবার সঙ্গে আসা শিশুদের জন্য টিকিট বিক্রি না করার কারণ বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেওয়া।

কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা অভিযুক্ত সেলিম এ ব্যাপরে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা খালেদ আহমেদ বলেন, চিকিৎসা নিতে মায়ের সঙ্গে আসতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

১০ টাকায় চাল বিক্রি শুরু ৪ মার্চ থেকে

ওএমএস চাল বিক্রি /ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা: খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে সিদ্ধ চাল বিক্রি শুরু করেছে সরকার। এছাড়া আগামী ৪ মার্চ থেকে খোলা বাজারে (ওএমএস) ৩০ টাকা করে চাল বিক্রি করা হবে।

বৃহস্পতিবার (০১ মার্চ) খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে কেজি প্রতি ১০ টাকায় মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে।

মার্চ, এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হবে। এ কর্মসূচির জন্য বছরে ৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল প্রয়োজন হবে।

পাশাপাশি আগামী ৪ মার্চ থেকে সারা দেশে ওএমএস-এ স্বল্প দামে চাল বিক্রয় শুরু করবে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাদ্য অধিদফতর। প্রতি ডিলার ১ টন করে চাল বরাদ্দ পাবে। একজন ব্যক্তি সর্বাধিক ৫ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবেন। প্রতি কেজি চালের মূল্য ধার্য করা হয়েছে ৩০ টাকা।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ইতোমধ্যেই ওএমএস-এ ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রয় করছে খাদ্য অধিদফতর।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে সরকারের গোডাউনে প্রায় ১১ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিক টন চাল এবং ৩ লাখ ৬৮ হাজার মেট্রিক টন গম মজুদ আছে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

Wednesday, February 28, 2018

অবিবাহিতদের বউ সাজলে কেমন লাগে?

ছবি: সংগৃহীত
অভিনয়ের ক্ষেত্রে তারকাদের নানা রংয়ে নানা ঢংয়ে সাজতে হয়। কিন্তু নিজের কখনো বিবাহের স্বাধ নেয়া হয়নি। অবিবাহিত এসব জনপ্রিয় তারকাদের কাছে আসলে বিয়ের সাজের ব্যাপারটা কেমন? জনপ্রিয় তারকা বিদ্যা সিনহা মিম, মেহজাবিন, সাফা কবির, তানজিন তিশা, ফারিয়া শাহরিন , শবনম ফারিয়া ও কন্ঠশিল্পী  উঠতি কণ্ঠশিল্পী জুঁই। তারা গল্পের প্রয়োজনে বা  ফটোশুটের জন্য বউ সেজেছেন। কিন্তু অবিবাহিত হয়ে বউ সাজার অনুভূতি কেমন? এমন প্রশ্নের উত্তরে কেউ কথা বলেছেন, আবার কেউ চুপ হয়ে গেছেন।

এমন প্রশ্নের উত্তরে লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা মিম বলেন, `বিয়ে সবার জীবনেই অনেক বড় একটা সিদ্ধান্ত। বউ সাজতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু সত্যি সত্যি যেদিন বউ সাজবো, তাতে যেমন উত্তেজনা কাজ করবে আবার ঠিক ভয়ও পাব। কারণ এটা সারা জীবনের সিদ্ধান্ত। আসে পাশে এতো বিচ্ছেদ দেখে সত্যি কথা বিয়ে করতে সাহস পাইনা। আমি একজনের সঙ্গেই থাকতে চাই সারাজীবন। তাই ওই মানুষটিকে যদি সঙ্গী হিসেবে পাই তাহলে আমার অনেক খুশি লাগবে। কিন্তু বিয়ের দিন আমি কাঁদতে চাই না অন্য সব মেয়েদের মতো। কারণ প্রতিদিন তো বাবা মা বাসায় আসবে।`

তানজিন তিশা বলেন, অভিনয়ের জন্য যখন বউ সাজি তখন আসলে অভিনয়ের মধ্যেই থাকি। তাই আসলে অনুভূতি বলার মতো তেমন কিছু নেই।

তথ্যসূত্র: বাংলা ইনসাইডার
Share:

‘খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি'র ঘুম কর্মসূচি’

সোহলে ও রিজভী/ ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির তরুণ নেতা হাবিবুন্নবী খান সোহেল। আত্মগোপনেই থাকেন বেশির ভাগ সময়। দলের পরবর্তী কর্মসূচি জানতে টেলিফোন করেন, বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে। জিজ্ঞেস করলেন ‘লিডার, কর্মসূচি কি?’ অপরপ্রান্ত থেকে রিজভী বলল ‘লিফলেট বিতরণ।’

সোহেল ভাবলেন, রিজভী বোধহয় তাঁর সঙ্গে রসিকতা করছেন। তাই এবার অনুরোধ করে বললেন ‘ভাই মজা কইরেন না তো, কর্মসূচি কন?’ রিজভী এবার ক্ষেপে যান ‘মজা করবো কেন, বৃহস্পতিবার এটাই বিএনপি কর্মসূচি ঠিক করছে নেতারা। একটু পরেই প্রেস কনফারেন্স করবো।’ সোহেল বলেন ‘এই আবার কোন জাতের কর্মসূচি। লিফলেট, পোস্টার এগুলো তো পোলাপান করছেই। এইটা আবার কর্মসূচি হয় নাকি?’

রিজভী একটু রাগান্বিত ভাবেই বললেন ‘কর্মসূচি হয় কি না তা তোমাদের নেতাদের জিজ্ঞেস কর।’ হতাশ সোহেল বলেন ‘নেতাদের কিছু জিজ্ঞেস করতে চাই না। আপনার সঙ্গে দেখা হইলে কইয়েন, সোহেল একটা কর্মসূচির আইডিয়া দিচ্ছে।’ অপরপ্রান্ত থেকে উৎসুক রুহুল কবির রিজভী জানতে চান, ‘কি আইডিয়া?’ জবাবে সোহেল বলেন ‘কর্মসূচি দেন ম্যাডামের মুক্তির দাবিতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ৮ ঘন্টা ঘুম কর্মসূচি। রাত ১০টা ভোর ৬টা পর্যন্ত প্রতিবাদী ঘুমের মাধ্যমে সরকারকে বাধ্য করুন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে মুক্তি দিতে।’ রিজভী হেসে বলেন, ‘ভালো কর্মসূচি দিছো।’


তথ্যসূত্র: বাংলা ইনসাইডার
Share:

Monday, January 29, 2018

বালিশ থেকে যে রোগগুলো সৃষ্টি হয়

বালিশের ছবি
আপনি শেষ বার কখন আপনার বালিশটি পরিবর্তন করেছিলেন তা হয়তো আপনার মনে নেই। হয়তো আপনি জানেন না যে বালিশেরও মেয়াদও শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই বালিশের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও সে বালিশ ব্যবহার করলে আপনার শরীরে ব্যথা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসমস্যা হতে পারে। যে লক্ষণগুলো দেখে আপনি বুঝবেন যে আপনার নতুন বালিশ প্রয়োজন সেগুলো জেনে নিন

১. আপনার ঘুমের ভঙ্গি দেখে বোঝা যায় যে, বালিশটি আরামদায়াক কিনা। আপনার ঘুমের ভঙ্গি যদি ঠিক না থাকে এবং ঘুমের সময় যদি আপনার শরীর বিশেষ করে কাঁধ এর আশেপাশের অংশ যদি ঝুলে থাকে তাহলে আপনার বালিশটি পরিবর্তনের সময় হয়েছে বুঝতে হবে।
২. ব্যথা নিয়ে ঘুম ভাঙা: বালিশ দীর্ঘ দিন ব্যবহার হতে হতে এর আকার পরিবর্তিত হয়ে যায়। সারারাত মেরুদন্ড বাঁকা করে রাখলে ঘুম থেকে জাগার পর ঘাড়, কাঁধ বা পিঠে ব্যথা হতে পারে এবং ব্যথা কোমর ও হাঁটুতেও ছড়িয়ে যেতে পারে।
৩. সকালে সতেজ অনুভব না করা: গভীর ঘুমের সময় মস্তিস্কের তরঙ্গ ধীর গতির হয়, যা আপনার শরীরকে মেরামত ও পুনরুজ্জীবিত হতে সাহায্য করে। কিন্তু বালিশের কারণে হওয়া ঘাড়ে ব্যথা গভীর ঘুমের ব্রেইনওয়ভে বাধার সৃষ্টি করে।
৪. নিয়মিত মাথাব্যথা: আপনার বালিশটি যদি ঠিক না থাকে তা হলে এর কারণে আপনার শরীরের উপরের অংশে সমস্যা তৈরি হয়। ক্রমান্বয়ে এই সমস্যার ফলে মাথা ব্যথা বাড়তেই থাকে।
৫. সব সময় ঘুম থেকে উঠেই হাঁচি দেওয়া: আপনার পুরনো বালিশটিতে ধুলো এবং অ্যালার্জিবাহক বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন