Saturday, January 23, 2016

আসছে সিম্পোনীর সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লের আরও দু দুটি সেট


একের পর এক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এনে দেশের বাজারে এরই মাঝে বেশ ভাল একটা অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড Walton। এবার তাদের সাথে পাল্লা দিতে Symphony ও ক্রমাগত নতুন সব ডিভাইস নিয়ে হাজির হচ্ছে। এরই মাঝে Walton এর ফ্যাবলেট Primo N1 এর বিপরীতে তারা বাজারে এনেছে Symphony W150।

তবে এতদিন সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে সম্বলিত Walton Primo X1 এর বিকল্প কোন ডিভাইস না থাকলেও সবার অপেক্ষার পালা হয়তো শেষ হতে যাচ্ছে। কারন এবার Symphony ও নিয়ে আসছে ফুল এইচডি সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে ও গোরিলা গ্লাস সম্বলিত Symphony Xplorer ZI ও Xplorer ZII নামের দু দুটি ডিভাইস।

Symphony Xplorer ZI

Symphony Xplorer ZI ও Xplorer ZII ডিভাইস দুটিতে যথাক্রমে থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.২ ও অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.১ জেলি বিন। এছাড়া দুটি ডিভাইসেই দেয়া হচ্ছে ১.২ গিগাহার্জের কর্টেক্স এ৭ কোয়াড কোর প্রসেসর, পাওয়ারভিআর এসজিএক্স৫৪৪ জিপিইউ, ১ গিগাবাইট র‍্যাম ও ১৬ গিগাবাইট রম।

আর Xplorer ZII তে থাকছে গোরিলা গ্লাস সমৃদ্ধ ৪.৮ ইঞ্চি প্রসস্ত সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং Xplorer ZI – এ থাকছে ৪.৮ ইঞ্চি প্রসস্ত শুধু সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। অর্থাৎ Xplorer ZII তে গোরিলা গ্লাস ব্যবহার করা হলেও Xplorer ZI – এ সেটি ব্যবহার করা হয়নি। তাই Xplorer ZI এর দাম তুলনামূলক কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দুটি ডিভাইসের রেজুলেশনই হবে ১২৮০x৭২০।

Symphony Xplorer ZII

এছাড়া Xplorer ZI ও Xplorer ZII – তে দেয়া হবে যথাক্রমে ৮ ও ১৩ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা আর 720p ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সেকেন্ডারি ফ্রন্ট ক্যামেরা। তবে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২ জেলি বিনের Photo Sphere Camera ব্যবহার করার জন্য ডিভাইস দুটিতে জায়রোস্কোপ সেন্সর আছে কিনা সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আর ব্যাকআপ হিসেবে Xplorer ZI ও Xplorer ZII তে যথাক্রমে 2000mAh ও 2200mAh ব্যাটারি থাকছে। তাছাড়া থ্রিজি, ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, জিপিএস, প্রক্সিমিটি সেন্সর, অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর, এফএম রেডিও, ফুল এইচডি ভিডিও ও গেম সাপোর্টসহ সাধারণ ফিচারগুলো তো থাকছেই আর সাথে থাকছে MUSE নামের একটি আলাদা ইউজার ইন্টারফেস।

তবে ডিভাইস দুটির দাম কেমন হতে পারে সে ব্যাপারে Symphony থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আপনার কী মনে হয় Symphony এই ডিভাইস দুটির মাধ্যমে দেশের অ্যান্ড্রয়েড বাজারে ভাল একটা অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবে ? ডিভাইস দুটি সম্পর্কে আপনাদের মতামত ও দাম সম্পর্কে আপনাদের ধারণা আমাদের অবশ্যই জানাবেন।
Share:

মেয়েরা ভালোবাসার কথা মুখে না বললেও যে ৮টি সংকেতের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয়

প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন । কিন্তু আগ বাড়িয়ে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেবেন সে সাহস নেই। দেখলেই কেমন যেন ‘ভ্যাবলা’ হয়ে যান। পেন্ডুলামের মতো দোদুল্যমান মনে টানাপোড়েন। মেয়েটিও কি ভালোবাসে? সে-ও কি প্রেমে পড়েছে? নাকি সবটাই একতরফা? নিজেরই শুধু ভালোলাগা? পড়াশোনায় মন বসছে না। খালি উচাটন। ক্লাসে লেকচার শোনায় মন নেই। কী করবেন? করণীয় কী? বলেই ফেলবেন, আই লভ ইউ? তা না হয় বলবেন। কিন্তু, বুঝবেন কী করে, তারও দুর্বলতা আছে? আসলে মেয়েরা ভালোবাসার কথা কখনো মুখে বলে না। তবে ভালোবাসার আগে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটিকে অনন্ত ৮ টি ইঙ্গিতের মাধ্যেমে বুঝানোর চেষ্ট করে যে সেও আপনাকে ভালবাসে।

১. সেজেগুজে কফিশপে ঠিক করেছেন কলেজ-শেষে একসঙ্গে দু’জনে কফি খেতে যাবেন। মেয়েটিও রাজি। দেখলেন বেশ সেজেগুজে এসেছে। একবার নয়, আপনার সঙ্গে কোথাও যাওয়ার কথা হলেই, মেয়েটি খুব সচেতন ভাবেই সাজগোজ করে আসে।

২. চুল নিয়ে খেলা নিরিবিলিতে থাকলে দেখবেন, মেয়েটি একটু ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে। আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় চুল নিয়ে খেলে যাচ্ছে আনমনে। চোখের দিকে তাকালে বুঝবেন, তার শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছে, কী চায় আর কী চায় না। নির্ভাবনায় তাকে বলতে পারেন।

৩. চোখে চোখে কথা বলো এটা ঘটনা, আপনাকে যদি অপছন্দ হয়, কোনও মেয়েই আপনার সঙ্গে ঘুরতে যেতে রাজি হবে না। যদি, দেখেন মেয়েটি আপনার কথা মন দিয়ে শুনছে, পলক পড়ছে না, একদৃষ্টে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝবেন তার মনে আপনার জন্য একটা জায়গা রয়েছে।

৪. চলো না কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসি যদি দেখেন, মেয়েটি আপনাকে বারবার বলছে, কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য, বুঝবেন, স্বস্তি বোধ না-করলে কখনোই বলত না। জানবেন, নিরিবিলিতে আপনার সঙ্গ পেতেই এভাবে পীড়াপীড়ি।

৫. প্রেমের পরশ যখন কোনও অছিলায় বা ছুঁতোনাতায় মেয়েটি আপনাকে স্পর্শ করবে, বুঝবেন তলে তলে জল অনেক দূর গড়িয়েছে।

৬. কথায় কথায় হেসে লুটোপুটি ধরুন কলেজ ক্যান্টিনে বা কফিশপে বসে বন্ধুরা চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। সেখানে সেই মেয়েটিও আছে। তার মনোযোগ কাড়তে আপনি হয়তো মজা করে কিছু বলার চেষ্টা করছেন। জানেন যদিও তাতে কারও হাসি পাবে না। দেখলেন কেউ হাসলও না। একমাত্র সে ছাড়া। বুঝবেন, এ-ও প্রেমেরই লক্ষণ।

৭. রেগে আগুন তেলে বেগুণ : মেয়েটির সামনে ভুলেও যদি অন্য মেয়ের প্রশংসা করেছেন বা কিঞ্চিত আগ্রহ দেখিয়েছেন, দেখবেন হাসিখুশি মুখটা কেমন বর্ষার মেঘের মতো কালো হয়ে যায়। রাগের মাথায়, যা নয় তাই দু-কথা আপনাকে শুনিয়েও দিতে পারে। নিশ্চিত থাকুন, মেয়েটি আপনাকে ভালোবাসে।

৮. ‘আমায় একটু বাড়ি অবধি পৌঁছে দেবে?’ যদি কখনও এমন প্রস্তাব পান, ষোলআনার ওপর আঠারোআনা নিশ্চিত থাকুন মেয়েটিও আপনাকে ভালোবাসে। এই আটটি লক্ষণ যদি মিলে যায়, দেরি না-করে, সংকুচিত না-হয়ে স্মার্টলি বলেই ফেলুন। কারণ, প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে, প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা আর নেই। হতেই পারে সে-ও আপনার বলার অপেক্ষায়। ভালোবাসা তো আর অপরাধ নয়।
Share:

নিজ সন্তানকে অভিশাপ দিলে কি হতে পারে?

অসতর্কভাবে নিজ সন্তানকে অভিশাপ দিলে কি হতে পারে? সন্তারে জন্যে মা পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন। মায়ের কাছে তার কোলের সন্তানের থেকে প্রিয় কিছু আর নাই। নিজের জীবনকে ত্যাগ করে হলেও মা সব সময় চান তার সন্তান সুস্থ, সবল ও নিরাপদ থাকুক।

দরিদ্র ঘরের মাকে দেখা যায়, নিজে না খেয়ে সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন অবলীলায়। সন্তানের অসুখে রাত জেগে তার শিয়রে বসে মাথায় পানি দিচ্ছেন। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা যুগে যুগে অনেক রূপকথা ও প্রবাদের জন্ম দিয়েছে, দিয়েই চলেছে।

এই সন্তানকেই তিনি প্রায় একটি বছর অসহ্য কষ্টে গর্ভধারণ করেছেন। এরপরে সন্তান যখন পৃথিবীর আলোতে চোখ মেলে তাকিয়েছে, তখন তিনি সব কষ্ট ভুলে গেছেন। তাকে লালন পালন করেছেন প্রতিটি ঘাম, প্রতি ফোটা অশ্রুবিন্দু বিসর্জন দিয়ে।

কিন্তু শৈশবের বালখিল্যতা কিংবা কৈশরের দুরন্তপনায় অনেক সময়ই সেই মা সন্তানের অধৈর্য হয়ে সন্তানের প্রতি অভিশাপ দিয়ে বসেন। আমাদের গ্রাম-অঞ্চলে প্রায়েই দেখা যায়, মা তার দুরন্ত ছেলেকে উদ্দেশ্য করে বলছেন, ‘তোর মুখ আমি যেনো আর না দেখি’, ‘তোর কেনো মরণ হয় না’ ইত্যাদি ধরনের নানা অভিশাপ বাক্য। অথচ তিনি নিজেও হয়তো কখনো সচেতনভাবে তেমনটি কামনা করেন না। অনেক সময় দেখা যায়, সত্যি যদি মায়ের অভিশাপের পরে সন্তান তেমন কোনো দুর্ঘটনায় পড়ে, তখন আর মায়ের অনুশোচনার শেষ থাকে না।

প্রতিটি ছোট থেকে বড় বিষয়ের মতো এ বিষয়টিকেও ইসলাম এড়িয়ে যায় নি। এ ব্যাপারেও ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়। ইসলাম কখনো কারো বিরুদ্ধে অভিশাপ দেয়া বা বদ দোয়া করাকে সমর্থন করে না। আপন সন্তান তো বটেই সামান্য জীবজন্তু বা পোকা-মাকড়, এমনকি জড় পদার্থকে অভিশাপ দেয়াও সমর্থন করে না।

হাদিসে আছে, জাবের বিন আব্দুল্লা [রা] বলেন, ‘বাতনে বুওয়াতের সফরে রাসুল [স] মাজদি ইবন ‘আমর জুহানিকে খুঁজছিলেন। উকবা আনসারি তাঁর উটের পাশ দিয়ে চক্কর দিয়ে তাকে থামায়। তারপর তার পিঠে উঠে আবার তাকে চলতে নির্দেশ দেয়। হঠাৎ উটটি একেবারে নিশ্চয় হয়ে গেলো। তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, তোর ওপর আল্লাহর অভিশাপ। রাসুল [স] একথা শুনে বললেন, কে নিজের উটকে অভিশাপ দিলো ? তিনি বললেন, আমি হে আল্লাহর রাসুল। রাসুল [স] বললেন, ‘তুমি এই উটের পিঠ থেকে নামো। তুমি আমাদের কোনো অভিশপ্তের সঙ্গী করো না। তোমরা নিজেদের বিরুদ্ধে, তোমাদের সন্তান-সন্তুতির এবং তোমাদের সম্পদের বিরুদ্ধে বদ দোয়া করো না।’ (মুসলিম)

হাদিস বিশারদগণ এর ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে যে, হতে পারে যে সময় বদ দোয়া করা হয়েছে, তা দিনের এমন সময়ে কেো হয়েছে, যখন খারাপ বা ভালো সব দোয়াই কবুল করা হয়। (মিরয়াতুল মাফাতিহ)

নি:সন্দেহে বলা যায়, এই হাদিসটি রাগের মাথায় মানুষের তার পরিবার ও সম্পদের বিরুদ্ধে দোয়া করার নিষিদ্ধতা প্রমাণ করে। তাছাড়া নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে দোয়া করার অর্থ তো নিজেই নিজের বিরুদ্ধে দোয়া করা। প্রকারন্তরে নিজেকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তোমরা নিজ হাতে নিজদেরকে ধ্বংসে নিক্ষেপ করো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত ১৯৫)

অতএব আমাদের মায়েদের ভেবে রাখতে হবে, যদি তারা তাদের সন্তানদের উদ্দেশ্যে কোনো অভিশাপ দিয়েই ফেলে, হোক সেটা রাগের বশেই, আর সেই বদ দোয়া বা অভিশাপটি এমন মুহূর্তে হয়ে গেলো, যখন আল্লাহ তায়ালা তার বান্দার প্রতিটি দোয়াই কবুল করে নেন, তখন ব্যাপারটা কেমন হবে ? যদি সত্যিই সন্তান ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে কি মা তখন সহ্য করতে পারবে। তাই প্রতিটি মায়ের উচিত, এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সংযম ও সতর্কতা অবলম্বন করা।

সূত্র: এডভাইসবিডি.কম
Share:

Thursday, January 21, 2016

কি আছে শাকিব খানের বাড়ি ‘জান্নাত’ এ


গতিময় শহুরে জীবন থেকে আরো দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে আমাদের গাড়িটি! যেন ইট-কাঠ-পাথরের এ শহর থেকে বেড়িয়ে নিজেকে প্রকৃতির আপন আলোয় খুঁজে পাওয়া। আজব শহর, যাদুর শহর ঢাকা থেকে এ ভাবনা ভাবতে ভাবতে বাতাসের ছন্দ আর গতিময়তা আরেকটু বেড়ে গেলো। আমাদের গাড়িটিও এগিয়ে চলছে আপন গতিতে। এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেলো নিজেদের মধ্যে খোশ গল্প। কত কাজ কত ভাবনা। এসব কিছু থেকেই নিজেকে সাময়িক বিরতি।

 রাস্তার দু-পাশে প্রকৃতির আপন হাতে পরশ বুলিয়ে দিয়ে, যেন নিজ হাত সাজিয়ে তুলেছে তার আপন ধরনী। প্রকৃতির এত রূপ, রং, রস ও গন্ধে মাতাল করে দেয়। এভাবেই একটু একটু করে খানিকটা পথ পাড়ি দিতে দিতে চোখ আটকে গেলো রংধনুর সাত রংয়ে। সুবিশাল অকাশের এককোনে যেন রংয়ের মেলা বসেছে। আর সেই রং নিয়ে আকাশে বসেছে সাত রংয়ের খেলা! আর সেই রংয়ের মেলায় ভেসে ভেসে তিনশ ফিটের রাস্তা অতিক্রম করে এগিয়ে চলছি আমাদের গন্তব্যের দিকে।

পাঠক ভুলেই গিয়েছি! আপনাদেরকে এখনও আসল কথা বলাই হয়নি। আমরা যাচ্ছি রাজধানী ঢাকার অদূরে অবস্থিত বাংলা ছবির এ সময়ের জনপ্রিয়, ব্যবসা সফল কিংবা সুপারস্টার, কিং খান খ্যাত শাকিব খানের পূবাইলের বাড়িতে। যেটি ছবির শুটিং স্পট হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মাঝে মাঝে যখন কাজ করতে করতে ক্লান্তি সংস্পর্শে চলে, কিংবা খানিকটা অবসাদ তাকে ঘিরে ধরার চেষ্টা করে, ঠিক তখনই এ গৃহে চলে আসেন তিনি। কিছুটা সময় নিজেরমত করে এখানে কাটিয়ে যান।

সূর্যটা তখন পশ্চিমের কোনে হেলে পড়ছে পড়ছে ভাব। আর ঠিক সেসময়েই আমরা জান্নাতের সদর দরজায় পা রাখলাম। সুবিশাল দোতালা এ বাড়িটি আড়াই বিগার উপরে অবস্থিত। শাকিব খানের দাদির নাম অনুসারেই এ বাড়ির নামকরণ। সদর দরজা পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতেই শুটিংয়ের সরঞ্জামাদির বেশ জটলা চোখে পড়ল। কারণ এখানেই হাসিবুর রেজা কল্লোলের পরিচালনায় ‘সত্ত্বা’ ছবির শুটিং চলছে। আর এর নায়ক শাকিব খান।

বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক জানালেন, ‘এখানে প্রতিদিন শুটিং করলে ৩৫০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়’। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা গেলো নিচতলায় শুটিং সেটের সরঞ্জাম দিয়ে ঠাসাঠাসি করে রাখা হয়েছে! শুটিং সংশ্লিষ্ট লোকজনের আনাগোনা লক্ষ করা গেল। কিছুক্ষন নিচতলায় অপেক্ষা করে জানা গেলো শাকিব খান বাড়ির দোতলায় অবস্থান করছেন। কিছুক্ষন পরেই সেটে আসবেন। তারা জন্য দ্বিতীয় তলায় বসেই অপেক্ষার প্রহন গনা শুরু। এরই ফাঁকে বাড়ির দক্ষিণের জানালা দিয়ে তাকাতেই মনে হল যেন, প্রকৃতর রূপ এতো অপরূপ হয়!

জলাধার- তারপর বৃক্ষরাজির সারি। দূর থেকে দেখলে মনে হয় বৃক্ষ আর জলরাশির এক অপরূপ মেলা বসেছে! এদিকে দোতলায় বসার জন্য সুন্দর ও পরিপাটি রূপে সাজানো রয়েছে সোফা। দেয়ালে দেয়ালে চিত্রকর্মের ওয়ালম্যাট টাঙানো রয়েছে। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে কথা হলো শাকিবের সঙ্গে জানালেন, ‘মূলত বাড়িটির লোকেশনের কারণেই এটি কেনা হয়েছে। বাড়ির চারপাশের পরিবেশও বেশ সুন্দর। আরও জমি কেনার চেষ্টা চলছে। এছাড়া বাড়িটি আরও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।’
সূত্র : প্রিয়.কম
Share:

অফিসে যৌনমিলনের সময় ধরা পড়লো সরকারি কর্মকর্তা!

প্রথমআলোটোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: পশ্চিম বলিভিয়ার একজন সরকারি কর্মকর্তা তার বান্ধবীর সাথে নিজ অফিস কক্ষে যৌনমিলনে লিপ্ত হয়েছেন। যৌনমিলনে মুহূর্তগুলো ধরা পড়ে অফিসের সিসি ক্যামেরায়।

সেখানকার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ওই ব্যক্তি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আর তার বান্ধবী অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। ওরুরো শহরের কাউন্সিল অফিসে একাধিকবার বিভিন্ন কক্ষে তারা যৌনমিলনে লিপ্ত হয়েছেন।


অফিস কক্ষে যৌনমিলনের ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে পরার পর সে দেশের নাগরিকরা বেশ ক্ষুব্ধ হয়ে গভর্ণর ভিক্টোর হুগো ভাসকুয়েজের কাছে তাদের শাস্তির জন্য অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে গভর্ণর এখন পর্যন্ত কোন মন্তব্য করেন নি।

এ বিষয়ে সে দেশের নাগরিকরা সরকারি কর্মকর্তাদের কড়া সমালোচনা করে বলছেন, বাজি ধরে বলা যায় ৯৯ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তা এমন কাজ করে। তারা ক্ষমতাবান বলে তা প্রকাশিত হয় না। অবশেষে সিসি ক্যামেরার সৌজন্য এ ঘটনাটি প্রকাশ পেলো।
Share:

Tuesday, January 19, 2016

অর্ধ নগ্ন হয়ে ৮০০ নারীর বনভোজন!





প্রথমআলোটোয়েন্টিাফোর.কম ডেক্স: অষ্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো খোলা বুকে নারীদের এক ব্যতিক্রমী বনভোজন। এতে ৮০০ নারী যোগ দেন। খোলা বুকে শীতল বাতাসের পরশ লাগাতে ও কেবল পুরুষরাই খোলা বুকে বাইরে যেতে পারবে এমন ধারণাকে বদলে দিতেই এধরনের আয়োজন করা হয়।

গত ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ (রোববার) বিকেলে ব্রিসবেনের ওয়েস্ট ইন্ডস ওরলেইগহ পার্কে জো বাকলেই লেননক্স (২২) ও আমান্ডা হাওয়ারথের (২১) উদ্যোগে কোনো অপ্রতিকর ঘটনা ছাড়াই বনভোজনটি এই বনভোজনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।


ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ৮০০ নারী এই বনভোজনে অংশ নেন এবং আরো ১৬০০ নারী এই ব্যতিক্রমি আয়োজনে অংশগ্রহণের আগ্রহ দেখিয়েছেন। অবশ্য এই আয়োজন শেষে ৩৪০০ জন নারীকে পরবর্তী আয়োজনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এই অনুষ্ঠানের আয়োজকরা।

এবার শুধু নারীরা অংশ গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে পুরুষদেরকেও এই আয়োজনে অংশ গ্রহণের জানানো হবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

এই আয়োজন সম্পর্কে আমান্ডা হাওয়ার্থ বলেন, জানুয়ারি মাসে অষ্ট্রেলিয়াতে প্রচণ্ড গরম পড়ে। তাই একদিন বাকলেইকে বলি, আমরা নগ্ন বুকে একটি বনভোজনের আয়োজন করবো। আমাদের সহপাঠীরা বনভোজনে এসে বুক নগ্ন করবে। এতে আমরা চমৎকার একটি বিকেল উপভোগ করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে খুব সামান্য প্রচারণা আমরা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। আমাদের ফেসবুক পেজটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। তবে নিরাপত্তার ব্যাপারে আমরা বেশ চিন্তিত ছিলাম। কারণ ফেসবুকে আমাদের ব্যাপক হুমকি দেওয়া

এই বনভোজনটি সফলভাবে আয়োজন করার পর আমান্ডা বলেন, সারা বিশ্বের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নগ্ন বুকে কিভাবে আন্দোলন করা যায় সেই বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি।

নগ্ন বুকের বনভোজন আয়োজন সম্পর্কে তাদের ফেসবুক পেজে এক হাজার নারী মন্তব্য করেছে। তাদের মধ্যে এক নারী মন্তব্য হলো, বাচ্চারা কী সাংঘাতিক কাণ্ড করেছে তোমরা। এটা খুবই দুঃখের বিষয় যে নারীরা এমন পদ্ধতিতে দৃষ্টি আকর্ষণের প্রযোজন অনুভব করে। তোমরা যদি সমতা চাও তাহলে ছেলে মানুষী বন্ধ করতে হবে। তিনি আরো লিখেছেন, ‘তোমরা পর্নোগ্রাফি প্রচার করছো।

তার এই মন্তব্যের বিপরীতে এক নারীবাদী লিখেছেন, ‘ওহ, মাই গড! শিশুরা স্তন দেখে ভয়ে মারা যাবে।’

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘সমঅধিকারের জন্য শুধু নারীদের সামনে বুক নগ্ন করা, আয়োজকদের কুটিলতা। পুরুষদেরও এতে অংশ গ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত। শুধু নারীদের সামনে বুক নগ্ন করা কোনো ব্যাপার না।’

পুরুষদের অংশ গ্রহণের দাবির ব্যপারে এক ব্যক্তি লিখেছেন, এই ছোট্ট আয়োজনের অংশগ্রহণকারীরা সবাই নারী; পুরুষরা এতে অংশ গ্রহণ করলে তারা নিরাপদ বোধ করবে না।’

এই মন্তব্যের প্রতিবাদে আরেকজন লিখেছেন, ‘ওখানে পুরুষ নাই কিন্তু নগ্নবুকের নারীদের হেনস্তা করার জন্য বাইরে পুরুষ ঠিকই আছে।’

ছবি দেখে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আমি ভায়াগ্রা কিনতে সত্যি আগ্রহী। কারণ, নগ্ন বুকের একজন আমাকে উত্তেজিত করছে।’

ইলকা টোয়েল হোয়েক নামের এক নারী বলেন, ‘সামজিক মাধ্যমের এমন বিরূপ মন্তব্য দেখে আমি সিদ্ধান্ত নিই, যে কোনো উপায়ে এতে অংশ নিতে হবে। আমি যৌন নির্যাতনের শিকার। এমন একটি আয়োজন আমাকে ওই নির্যাতনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিয়েছে। আমরা খালি গায়ে আরাম অনুভব করেছি। সবাই একসঙ্গে মজা করেছি। আমাদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে, কিন্তু পুরুষরা খালি গায়ে চলার স্বাধীনতা স্বাভাবিকভাবেই পেয়ে থাকে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখানে আসার পর তারা আমাকে লিচু ও কেক খেতে দেয়। আমাকে স্তনে চিত্র আঁকতে বলে। এখানে অনেক সৃষ্টিশীল মানুষের সমাবেশ হয়েছিলো। সত্যি এটি নিরাপদ ও উৎসব মুখর আয়োজন ছিলো। প্রত্যেক মাসে একবার করে এই আয়োজন করা যায় কিনা তা নিয়ে সবাই আলোচনা করে।’

তবে এ ধরনের বনভোজনের বিরুদ্ধে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। আয়োজকদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন অনেকে। কিন্তু কাউকে গ্রেফতার বা হেনস্তা করা হয়নি।
Share:

মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কিভাবে সব নাম্বার ও ছবি উদ্ধার করবেন।




প্রথমআলোটোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স:  তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে আমরা নিত্য নতুন ব্যান্ডের ও মডেলের মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। কিন্তু চলার পথে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপায়ে আমাদের শখের মোবাইল ফোনটি হারিযে যায় বা চুরি ছিনতাই হয়ে যায়। তাই আজকের আমাদের আলোচনার জন্য দুটি বিষয় নির্ধারণ করেছি। প্রথমত হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের নাম্বার কিভাবে ফিরে পাবেন, দ্বিতীয়ত হারিয়ে যাওয়া মোবাইলে তোলা ছবিগুলো কিভাবে ফিরে পাবেন।

মোবাইল কিংবা সিম হারিয়ে গেলে বা নস্ট হলে কিভাবে আপনার পুরাতন নাম্বার গুলো পুনরুদ্ধার করবেন। প্রথমেই আপনার মোবাইল ফোনের গুগল প্লে স্টোরে বা মেইল স্টোরে একটি জিমেইল এ্যাকাউন্ট সেট করুন, তারপর যখন আপনার মোবাইলে কোন নাম্বার সেভ করবেন তখন সিম কিংবা ফোনের পরিবর্তে জিমেইলে সেভ করুন।


আপনি যদি জিমেইল এ নাম্বার সেভ করেন তাহলে সিম কিংবা মোবাইল হারিয়ে গেলে বা নস্ট হলেও নতুন ফোনে যখন এই জিমেইল এ্যাকাউনটি সেট করবেন তখন আগের নাম্বার গুলো অটোমেটিক ভাবে চলে আসবে।


এবারে আসি দ্বিতীয় বিষয় নিয়ে, মোবাইলে তোলা ছবিগুলো কিভাবে ফিরে পাবেন: আপনার একেকটি ছবি একেকটি পুরাতন সৃতি। অনেকেই এই পুরাতন ছবিগুলো হারিয়ে আফসোস করতে থাকেন। তাই আমোদের এই টিপস টি আশা করি বিফলে যাবে না। আপনার ফোনের গুগল প্লে স্টোর থেকে ড্রফবক্স ডাউনলোড করে নিন। আপনার জিমেইল এ্যাকাউন্টটি দিয়ে  পাসওয়ার্ড সেট করে রেজিস্ট্রেশন করে নিন। সফলভাবে রেজিস্ট্রেশনের পর আপনি ড্রফবক্সের ভিতরে ছবিগুলো আপনার ফোনের গ্যালারি থেকে আপলোড করুন কোন সময় আপনার মোবাইল নস্ট হলেও খুব সহজেই আপনি ড্রফবক্স থেকে আপনার জিমেইল এ্যাকাউন্ট লগইন করে ছবিগুলো পুরুদ্ধার করতে পারবেন।

সংবাদটি আপনার ভালো লাগলে লাইক দিয়ে আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করে দিন।
Share:

একসাথে সব মোবাইল সিমের FNF এবং Supper FNF করার নিয়ম।



GP Normal FNF ADD:
Dail *111*2*1* Or Type 017×××××××× and Send To 2888

GP Super FNF ADD:
Type SF 017×××××××× and Send To 2888

BL Normal FNF ADD:
Type Add 019×××××××× and Send To 3300.

BL Super FNF ADD:
Dail *166*7*019××××××××#

Airtel Normal FNF ADD:
Dail *121*4*1* Or Type Add016×××××××× and Send To 7353.

******Note: Don’t Press Space in Your SMS Format********

Teletalk Normal FNF ADD:
 Type Add015×××××××× and Send To 636.

Robi Normal FNF ADD:
 Dail *140*5*2* Or Type A 018×××××××× and Send To 8363.

Robi Super FNF ADD:
Dail *140*5*1* Or Type p 018×××××××× and Send To 8363.


ভালো লাগলে আপনার ফেসবুক টাইম লাইনে শেয়ার করে রেখে দিন।  পরবতীতে প্রয়োজন হতে পারে
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন