Sunday, January 24, 2016

আইপিএলে মুস্তাফিজের দাম ৫৮ লক্ষ টাকা নির্ধারণ


ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এ প্রায় ৭০০ খেলোয়াড়ের ভিত্তি মূল্য নির্ধারণ করেছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। প্রকাশিত তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশের দলের নতুন সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান। আর সেখানে তার ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ লাখ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ভারতের ‘মুস্তাফিজ’ খ্যাত বারিন্দার স্রানেরও মূল্যও ধরা হয়েছে মুস্তাফিজের সমান।

প্রাথমিক তালিকার ৭০০ জন থেকে আগামি ২৫ জানুয়ারি ৩০০ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করবে বিসিসিআই। আর আগামি ৬ ফেব্রুয়ারি এই তালিকার খেলোয়াড়দের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। তবে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী বেশকিছু ফ্র্যাঞ্চাইজির টার্গেটে রয়েছেন মুস্তাফিজ। যে কারণে নিলামে তার মূল্য বেড়ে যেতে পারে আরও অনেক বেশি।

এবারের আইপিএল নিলামে সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি রুপি। সর্বোচ্চ মুল্যের তালিকায় রয়েছেন যুবরাজ সিং, কেভিন পিটারসন, শেন ওয়াটসন, ইশান্ত শর্মা, মিশেল মার্শ, আশিস নেহরা, দীনেশ কার্তিক, স্টুয়ার্ট বিনি, সাঞ্জু স্যামসন ও ধাওয়াল কুলকার্নি।




Share:

বাংলানিউজের থিম সংয়ের মিউজিক ভিডিও প্রকাশ

দেশের শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর থিম সংয়ের মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হলো। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলানিউজের ইউটিউব চ্যানেলে এটি এসেছে। দ্বৈত কণ্ঠে এটি গেয়েছেন জনপ্রিয় দুই সংগীতশিল্পী কনা ও ইমরান। সুর ও সংগীত পরিচালনায় ইমরান।



ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বললেন, 'বাংলানিউজের বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদের দায়িত্ব পালনের মুহূর্ত, প্রকৃতি, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে সাজানো হয়েছে এটি। বাংলানিউজ প্রান্তির জনগোষ্ঠীর কথাও বলে, তাই রাখা হয়েছে তাদের জীবনযাপনের কিছু চিত্র। অনলাইন নিউজ পোর্টালের কার্যক্রম নিয়ে কৌতূহল আছে অনেকের। এ ভিডিও তাদের কৌতূহল কিছুটা হলেও মেটাবে বলে আমাদের আশা।'

গানটি তৈরি প্রসঙ্গে ইমরান বলেছেন, ‘সাহসী ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং পরিবেশবান্ধব চিত্র ফুটে উঠেছে এখানে। কাজটা আনন্দ নিয়ে করেছি। বাংলানিউজ আমাকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় খুব ভালো লেগেছে। শ্রোতারা পছন্দ করলে খুশি হবো।’

তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে কনা বলেন, ‘বাংলানিউজ আমারও ভালো লাগে। এ সংবাদমাধ্যমের থিম সং গাওয়ার প্রস্তাব পেয়ে সানন্দে কাজটা করেছি। সাংবাদিকতাকে মুখ্য করেই সাজানো হয়েছে এই গান আর ভিডিও। দর্শক-শ্রোতাদের ভালো লাগবে মনে হচ্ছে।'

এ গানের কথা এমন- ‘স্বপ্ন দেখি, সত্যি লেখি, খবরে-ছবিতে মেলে দেই আকাশ/আমাদের সঙ্গী হোন আপনিও, সংবাদ আর বিনোদনে বারো মাস, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর/সকাল দুপুর রাত থেকে ভোর/আছে জেগে টোয়েন্টিফোর/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর...’। গানটি লিখেছেন বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট (হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট) জনি হক।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেনের পরিকল্পনা ও বিনোদন বিভাগের তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছে গানটি। সম্প্রতি পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে পাঠকদের মধ্যে এই নিউজ পোর্টালের পরিচিতি আরও ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে থিম সংটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
 ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন

Share:

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি দিবে পিপল এন টেক

যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আইটি বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরিচালিত আইটি প্রশিক্ষণ স্কুল, ঢাকায় ‘পিপল এন টেক’ক্যাম্পাসে এই কার্যক্রম শুরু করেছে প্রতিষ্ঠাটি। প্রতিষ্ঠানটি আইটিতে ১০ হাজার বাংলাদেশিকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির সুবিধা দিবে।


‘পিপল এন টেক’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ জানান, আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবীরা যাতে বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারেন সেই লক্ষ্য নিয়েই ঢাকায় এই প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে।

ফ্রি স্কলারশিপের এ উদ্যোগের প্রথম ধাপে ৫০ জন প্রার্থীকে বাছাই পর্বের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হবে। তাদেরকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডেস্কটপ, ওরাকল ডিবিএ ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্কলারশিপ স্কিমে আবেদন করার জন্য প্রার্থীকে থাকতে হবে যে কোনো বিষয়ে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি এবং কম্পিউটার ব্যবহারের প্রাথমিক দক্ষতা (এমএস অফিস ও ইন্টারনেট ব্রাউজিং)। আগ্রহীদের জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং এক কপি ছবিসহ প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।

আবু বকর হানিপ বলেন, ‘ব্রেন ড্রেইন’ নামে এই নিন্দিত শব্দটিকে ‘ব্রেইন এগেইন’ নন্দিত শব্দে রুপান্তরিত করার লক্ষ্যে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। আশা করছি, একটি সুন্দর, সুশিক্ষিত ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশে-প্রবাসে প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা এগিয়ে আসবেন।

তিনি বলেন, যে সব বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ইচ্ছুক, তারা বাংলাদেশ থেকে পিপল এন টেক পরিচালিত আইটি কোর্সগুলো করে যেতে পারেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রে খুব সহজে মর্যাদাপূর্ণ চাকরি পাওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, যাদের কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি এবং আইটি পেশায় তিন-চার বছরের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তারাও পিপল এন টেক’র সার্বিক সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে পারেন।

পিপল এন টেক ঢাকা ক্যাম্পাসে কিউটিপি, সেলেনিয়াম ও পারফরম্যান্স টেস্টিং এর পরবর্তী কোর্স শুরু হবে আগামী ৭ নভেম্বর থেকে।

এছাড়াও, বিস্তারিত তথ্যের জন্য ঢাকায় ১৫১/৭ গ্রিন রোডের গুডলাক সেন্টারের সাত তলায় পিপল এন টেক’র অফিসে যোগাযোগ করা যাবে।
Share:

পিপলএনটেক এর ক্যাম্পাসে জব সেমিনার অনুষ্ঠিত


যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের পেনসেলভেনিয়ার আপার ডারবিতে পিপলএনটেক-এর নতুন ক্যাম্পাস পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি’তে জব সেমিনার ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয় সময় ৩ জানুয়ারি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশি কমিউনিটির জীবন মান উন্নয়নের বিষয় মাথায় রেখে এ প্রতিষ্ঠানটি খোলেঠে পিপলএনটেক।

পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ জানান, পিপলএনটেক-এর যাত্রার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪ হাজারের বেশি মানুষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

নিউইয়র্ক, ভার্জিনিয়া, নিউজার্সির পর পেনসেলভেনিয়া আপার ডারবিতে নতুন ক্যাম্পাস চালুর বিষয়ে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, মাত্র চার মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিরা উচ্চ বেতনের চাকরি করছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে যারা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার অপেক্ষায় আছেন, তারা যেন দেশ থেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে এখানে আসেন। এ লক্ষ্যে ঢাকায় পিপলএনটেকের ক্যাম্পাস স্থাপন করা হয়েছে।

আবু হানিপ মনে করেন, প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠালে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করতে পারে। গার্মেন্টস শিল্প ও বিদেশে শ্রমিকদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার চাইতে আইটি দক্ষ পেশাদাররা আরও বেশি উপার্জন করতে পারেন।

‘প্রতি বছর মোট দুই মিলিয়ন ডলার মূল্যের স্কলারশিপ দিচ্ছে পিপলএনটেক। যোগ্য ব্যক্তিরা এ সুযোগ নিয়ে নিজের জীবনে আম‍ূল পরিবর্তন আনতে পারেন। এছাড়া পিপলএনটেক আগ্রহী গৃহিণীদের জন্য বিনামূল্যে ফিমেল ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রোগ্রামের আওতায় বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।’

এতে কাউন্সিল ম্যান নুরুল হাসান, শেখ সিদ্দিক, কমিউনিটি নেতা আবু আমিন রহমান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ডেলওয়ার ভেলির (বিএডিভি) প্রেসিডেন্ট ড. ইবরুল হাসান চৌধুরী, সাংবাদিক শেখ খুরশান এবং বাংলাদেশ সোসাইটির সেক্রেটারি পিএ এবিএম আলতামাস বাবুল প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন- পিপলএনটেক থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া গোপাল দাশ, বিপ্লব আচার্য, রফিকুল ইসলাম, শাহরিয়ার চৌধুরী, তারিক আজিজ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে লটারির মাধ্যমে মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনকে ৪ হাজার ডলার সমমানের বৃত্তি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উপস্থিত ভর্তিচ্ছুকদের প্রশিক্ষণ ফি থেকে ১০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়।

Share:

Saturday, January 23, 2016

আসছে সিম্পোনীর সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লের আরও দু দুটি সেট


একের পর এক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এনে দেশের বাজারে এরই মাঝে বেশ ভাল একটা অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড Walton। এবার তাদের সাথে পাল্লা দিতে Symphony ও ক্রমাগত নতুন সব ডিভাইস নিয়ে হাজির হচ্ছে। এরই মাঝে Walton এর ফ্যাবলেট Primo N1 এর বিপরীতে তারা বাজারে এনেছে Symphony W150।

তবে এতদিন সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে সম্বলিত Walton Primo X1 এর বিকল্প কোন ডিভাইস না থাকলেও সবার অপেক্ষার পালা হয়তো শেষ হতে যাচ্ছে। কারন এবার Symphony ও নিয়ে আসছে ফুল এইচডি সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে ও গোরিলা গ্লাস সম্বলিত Symphony Xplorer ZI ও Xplorer ZII নামের দু দুটি ডিভাইস।

Symphony Xplorer ZI

Symphony Xplorer ZI ও Xplorer ZII ডিভাইস দুটিতে যথাক্রমে থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.২ ও অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.১ জেলি বিন। এছাড়া দুটি ডিভাইসেই দেয়া হচ্ছে ১.২ গিগাহার্জের কর্টেক্স এ৭ কোয়াড কোর প্রসেসর, পাওয়ারভিআর এসজিএক্স৫৪৪ জিপিইউ, ১ গিগাবাইট র‍্যাম ও ১৬ গিগাবাইট রম।

আর Xplorer ZII তে থাকছে গোরিলা গ্লাস সমৃদ্ধ ৪.৮ ইঞ্চি প্রসস্ত সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং Xplorer ZI – এ থাকছে ৪.৮ ইঞ্চি প্রসস্ত শুধু সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। অর্থাৎ Xplorer ZII তে গোরিলা গ্লাস ব্যবহার করা হলেও Xplorer ZI – এ সেটি ব্যবহার করা হয়নি। তাই Xplorer ZI এর দাম তুলনামূলক কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দুটি ডিভাইসের রেজুলেশনই হবে ১২৮০x৭২০।

Symphony Xplorer ZII

এছাড়া Xplorer ZI ও Xplorer ZII – তে দেয়া হবে যথাক্রমে ৮ ও ১৩ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা আর 720p ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সেকেন্ডারি ফ্রন্ট ক্যামেরা। তবে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২ জেলি বিনের Photo Sphere Camera ব্যবহার করার জন্য ডিভাইস দুটিতে জায়রোস্কোপ সেন্সর আছে কিনা সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আর ব্যাকআপ হিসেবে Xplorer ZI ও Xplorer ZII তে যথাক্রমে 2000mAh ও 2200mAh ব্যাটারি থাকছে। তাছাড়া থ্রিজি, ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, জিপিএস, প্রক্সিমিটি সেন্সর, অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর, এফএম রেডিও, ফুল এইচডি ভিডিও ও গেম সাপোর্টসহ সাধারণ ফিচারগুলো তো থাকছেই আর সাথে থাকছে MUSE নামের একটি আলাদা ইউজার ইন্টারফেস।

তবে ডিভাইস দুটির দাম কেমন হতে পারে সে ব্যাপারে Symphony থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আপনার কী মনে হয় Symphony এই ডিভাইস দুটির মাধ্যমে দেশের অ্যান্ড্রয়েড বাজারে ভাল একটা অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবে ? ডিভাইস দুটি সম্পর্কে আপনাদের মতামত ও দাম সম্পর্কে আপনাদের ধারণা আমাদের অবশ্যই জানাবেন।
Share:

মেয়েরা ভালোবাসার কথা মুখে না বললেও যে ৮টি সংকেতের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয়

প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন । কিন্তু আগ বাড়িয়ে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেবেন সে সাহস নেই। দেখলেই কেমন যেন ‘ভ্যাবলা’ হয়ে যান। পেন্ডুলামের মতো দোদুল্যমান মনে টানাপোড়েন। মেয়েটিও কি ভালোবাসে? সে-ও কি প্রেমে পড়েছে? নাকি সবটাই একতরফা? নিজেরই শুধু ভালোলাগা? পড়াশোনায় মন বসছে না। খালি উচাটন। ক্লাসে লেকচার শোনায় মন নেই। কী করবেন? করণীয় কী? বলেই ফেলবেন, আই লভ ইউ? তা না হয় বলবেন। কিন্তু, বুঝবেন কী করে, তারও দুর্বলতা আছে? আসলে মেয়েরা ভালোবাসার কথা কখনো মুখে বলে না। তবে ভালোবাসার আগে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটিকে অনন্ত ৮ টি ইঙ্গিতের মাধ্যেমে বুঝানোর চেষ্ট করে যে সেও আপনাকে ভালবাসে।

১. সেজেগুজে কফিশপে ঠিক করেছেন কলেজ-শেষে একসঙ্গে দু’জনে কফি খেতে যাবেন। মেয়েটিও রাজি। দেখলেন বেশ সেজেগুজে এসেছে। একবার নয়, আপনার সঙ্গে কোথাও যাওয়ার কথা হলেই, মেয়েটি খুব সচেতন ভাবেই সাজগোজ করে আসে।

২. চুল নিয়ে খেলা নিরিবিলিতে থাকলে দেখবেন, মেয়েটি একটু ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে। আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় চুল নিয়ে খেলে যাচ্ছে আনমনে। চোখের দিকে তাকালে বুঝবেন, তার শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছে, কী চায় আর কী চায় না। নির্ভাবনায় তাকে বলতে পারেন।

৩. চোখে চোখে কথা বলো এটা ঘটনা, আপনাকে যদি অপছন্দ হয়, কোনও মেয়েই আপনার সঙ্গে ঘুরতে যেতে রাজি হবে না। যদি, দেখেন মেয়েটি আপনার কথা মন দিয়ে শুনছে, পলক পড়ছে না, একদৃষ্টে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝবেন তার মনে আপনার জন্য একটা জায়গা রয়েছে।

৪. চলো না কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসি যদি দেখেন, মেয়েটি আপনাকে বারবার বলছে, কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য, বুঝবেন, স্বস্তি বোধ না-করলে কখনোই বলত না। জানবেন, নিরিবিলিতে আপনার সঙ্গ পেতেই এভাবে পীড়াপীড়ি।

৫. প্রেমের পরশ যখন কোনও অছিলায় বা ছুঁতোনাতায় মেয়েটি আপনাকে স্পর্শ করবে, বুঝবেন তলে তলে জল অনেক দূর গড়িয়েছে।

৬. কথায় কথায় হেসে লুটোপুটি ধরুন কলেজ ক্যান্টিনে বা কফিশপে বসে বন্ধুরা চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। সেখানে সেই মেয়েটিও আছে। তার মনোযোগ কাড়তে আপনি হয়তো মজা করে কিছু বলার চেষ্টা করছেন। জানেন যদিও তাতে কারও হাসি পাবে না। দেখলেন কেউ হাসলও না। একমাত্র সে ছাড়া। বুঝবেন, এ-ও প্রেমেরই লক্ষণ।

৭. রেগে আগুন তেলে বেগুণ : মেয়েটির সামনে ভুলেও যদি অন্য মেয়ের প্রশংসা করেছেন বা কিঞ্চিত আগ্রহ দেখিয়েছেন, দেখবেন হাসিখুশি মুখটা কেমন বর্ষার মেঘের মতো কালো হয়ে যায়। রাগের মাথায়, যা নয় তাই দু-কথা আপনাকে শুনিয়েও দিতে পারে। নিশ্চিত থাকুন, মেয়েটি আপনাকে ভালোবাসে।

৮. ‘আমায় একটু বাড়ি অবধি পৌঁছে দেবে?’ যদি কখনও এমন প্রস্তাব পান, ষোলআনার ওপর আঠারোআনা নিশ্চিত থাকুন মেয়েটিও আপনাকে ভালোবাসে। এই আটটি লক্ষণ যদি মিলে যায়, দেরি না-করে, সংকুচিত না-হয়ে স্মার্টলি বলেই ফেলুন। কারণ, প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে, প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা আর নেই। হতেই পারে সে-ও আপনার বলার অপেক্ষায়। ভালোবাসা তো আর অপরাধ নয়।
Share:

নিজ সন্তানকে অভিশাপ দিলে কি হতে পারে?

অসতর্কভাবে নিজ সন্তানকে অভিশাপ দিলে কি হতে পারে? সন্তারে জন্যে মা পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন। মায়ের কাছে তার কোলের সন্তানের থেকে প্রিয় কিছু আর নাই। নিজের জীবনকে ত্যাগ করে হলেও মা সব সময় চান তার সন্তান সুস্থ, সবল ও নিরাপদ থাকুক।

দরিদ্র ঘরের মাকে দেখা যায়, নিজে না খেয়ে সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন অবলীলায়। সন্তানের অসুখে রাত জেগে তার শিয়রে বসে মাথায় পানি দিচ্ছেন। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা যুগে যুগে অনেক রূপকথা ও প্রবাদের জন্ম দিয়েছে, দিয়েই চলেছে।

এই সন্তানকেই তিনি প্রায় একটি বছর অসহ্য কষ্টে গর্ভধারণ করেছেন। এরপরে সন্তান যখন পৃথিবীর আলোতে চোখ মেলে তাকিয়েছে, তখন তিনি সব কষ্ট ভুলে গেছেন। তাকে লালন পালন করেছেন প্রতিটি ঘাম, প্রতি ফোটা অশ্রুবিন্দু বিসর্জন দিয়ে।

কিন্তু শৈশবের বালখিল্যতা কিংবা কৈশরের দুরন্তপনায় অনেক সময়ই সেই মা সন্তানের অধৈর্য হয়ে সন্তানের প্রতি অভিশাপ দিয়ে বসেন। আমাদের গ্রাম-অঞ্চলে প্রায়েই দেখা যায়, মা তার দুরন্ত ছেলেকে উদ্দেশ্য করে বলছেন, ‘তোর মুখ আমি যেনো আর না দেখি’, ‘তোর কেনো মরণ হয় না’ ইত্যাদি ধরনের নানা অভিশাপ বাক্য। অথচ তিনি নিজেও হয়তো কখনো সচেতনভাবে তেমনটি কামনা করেন না। অনেক সময় দেখা যায়, সত্যি যদি মায়ের অভিশাপের পরে সন্তান তেমন কোনো দুর্ঘটনায় পড়ে, তখন আর মায়ের অনুশোচনার শেষ থাকে না।

প্রতিটি ছোট থেকে বড় বিষয়ের মতো এ বিষয়টিকেও ইসলাম এড়িয়ে যায় নি। এ ব্যাপারেও ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়। ইসলাম কখনো কারো বিরুদ্ধে অভিশাপ দেয়া বা বদ দোয়া করাকে সমর্থন করে না। আপন সন্তান তো বটেই সামান্য জীবজন্তু বা পোকা-মাকড়, এমনকি জড় পদার্থকে অভিশাপ দেয়াও সমর্থন করে না।

হাদিসে আছে, জাবের বিন আব্দুল্লা [রা] বলেন, ‘বাতনে বুওয়াতের সফরে রাসুল [স] মাজদি ইবন ‘আমর জুহানিকে খুঁজছিলেন। উকবা আনসারি তাঁর উটের পাশ দিয়ে চক্কর দিয়ে তাকে থামায়। তারপর তার পিঠে উঠে আবার তাকে চলতে নির্দেশ দেয়। হঠাৎ উটটি একেবারে নিশ্চয় হয়ে গেলো। তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, তোর ওপর আল্লাহর অভিশাপ। রাসুল [স] একথা শুনে বললেন, কে নিজের উটকে অভিশাপ দিলো ? তিনি বললেন, আমি হে আল্লাহর রাসুল। রাসুল [স] বললেন, ‘তুমি এই উটের পিঠ থেকে নামো। তুমি আমাদের কোনো অভিশপ্তের সঙ্গী করো না। তোমরা নিজেদের বিরুদ্ধে, তোমাদের সন্তান-সন্তুতির এবং তোমাদের সম্পদের বিরুদ্ধে বদ দোয়া করো না।’ (মুসলিম)

হাদিস বিশারদগণ এর ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে যে, হতে পারে যে সময় বদ দোয়া করা হয়েছে, তা দিনের এমন সময়ে কেো হয়েছে, যখন খারাপ বা ভালো সব দোয়াই কবুল করা হয়। (মিরয়াতুল মাফাতিহ)

নি:সন্দেহে বলা যায়, এই হাদিসটি রাগের মাথায় মানুষের তার পরিবার ও সম্পদের বিরুদ্ধে দোয়া করার নিষিদ্ধতা প্রমাণ করে। তাছাড়া নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে দোয়া করার অর্থ তো নিজেই নিজের বিরুদ্ধে দোয়া করা। প্রকারন্তরে নিজেকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তোমরা নিজ হাতে নিজদেরকে ধ্বংসে নিক্ষেপ করো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত ১৯৫)

অতএব আমাদের মায়েদের ভেবে রাখতে হবে, যদি তারা তাদের সন্তানদের উদ্দেশ্যে কোনো অভিশাপ দিয়েই ফেলে, হোক সেটা রাগের বশেই, আর সেই বদ দোয়া বা অভিশাপটি এমন মুহূর্তে হয়ে গেলো, যখন আল্লাহ তায়ালা তার বান্দার প্রতিটি দোয়াই কবুল করে নেন, তখন ব্যাপারটা কেমন হবে ? যদি সত্যিই সন্তান ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে কি মা তখন সহ্য করতে পারবে। তাই প্রতিটি মায়ের উচিত, এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সংযম ও সতর্কতা অবলম্বন করা।

সূত্র: এডভাইসবিডি.কম
Share:

Thursday, January 21, 2016

কি আছে শাকিব খানের বাড়ি ‘জান্নাত’ এ


গতিময় শহুরে জীবন থেকে আরো দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে আমাদের গাড়িটি! যেন ইট-কাঠ-পাথরের এ শহর থেকে বেড়িয়ে নিজেকে প্রকৃতির আপন আলোয় খুঁজে পাওয়া। আজব শহর, যাদুর শহর ঢাকা থেকে এ ভাবনা ভাবতে ভাবতে বাতাসের ছন্দ আর গতিময়তা আরেকটু বেড়ে গেলো। আমাদের গাড়িটিও এগিয়ে চলছে আপন গতিতে। এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেলো নিজেদের মধ্যে খোশ গল্প। কত কাজ কত ভাবনা। এসব কিছু থেকেই নিজেকে সাময়িক বিরতি।

 রাস্তার দু-পাশে প্রকৃতির আপন হাতে পরশ বুলিয়ে দিয়ে, যেন নিজ হাত সাজিয়ে তুলেছে তার আপন ধরনী। প্রকৃতির এত রূপ, রং, রস ও গন্ধে মাতাল করে দেয়। এভাবেই একটু একটু করে খানিকটা পথ পাড়ি দিতে দিতে চোখ আটকে গেলো রংধনুর সাত রংয়ে। সুবিশাল অকাশের এককোনে যেন রংয়ের মেলা বসেছে। আর সেই রং নিয়ে আকাশে বসেছে সাত রংয়ের খেলা! আর সেই রংয়ের মেলায় ভেসে ভেসে তিনশ ফিটের রাস্তা অতিক্রম করে এগিয়ে চলছি আমাদের গন্তব্যের দিকে।

পাঠক ভুলেই গিয়েছি! আপনাদেরকে এখনও আসল কথা বলাই হয়নি। আমরা যাচ্ছি রাজধানী ঢাকার অদূরে অবস্থিত বাংলা ছবির এ সময়ের জনপ্রিয়, ব্যবসা সফল কিংবা সুপারস্টার, কিং খান খ্যাত শাকিব খানের পূবাইলের বাড়িতে। যেটি ছবির শুটিং স্পট হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মাঝে মাঝে যখন কাজ করতে করতে ক্লান্তি সংস্পর্শে চলে, কিংবা খানিকটা অবসাদ তাকে ঘিরে ধরার চেষ্টা করে, ঠিক তখনই এ গৃহে চলে আসেন তিনি। কিছুটা সময় নিজেরমত করে এখানে কাটিয়ে যান।

সূর্যটা তখন পশ্চিমের কোনে হেলে পড়ছে পড়ছে ভাব। আর ঠিক সেসময়েই আমরা জান্নাতের সদর দরজায় পা রাখলাম। সুবিশাল দোতালা এ বাড়িটি আড়াই বিগার উপরে অবস্থিত। শাকিব খানের দাদির নাম অনুসারেই এ বাড়ির নামকরণ। সদর দরজা পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতেই শুটিংয়ের সরঞ্জামাদির বেশ জটলা চোখে পড়ল। কারণ এখানেই হাসিবুর রেজা কল্লোলের পরিচালনায় ‘সত্ত্বা’ ছবির শুটিং চলছে। আর এর নায়ক শাকিব খান।

বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক জানালেন, ‘এখানে প্রতিদিন শুটিং করলে ৩৫০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়’। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা গেলো নিচতলায় শুটিং সেটের সরঞ্জাম দিয়ে ঠাসাঠাসি করে রাখা হয়েছে! শুটিং সংশ্লিষ্ট লোকজনের আনাগোনা লক্ষ করা গেল। কিছুক্ষন নিচতলায় অপেক্ষা করে জানা গেলো শাকিব খান বাড়ির দোতলায় অবস্থান করছেন। কিছুক্ষন পরেই সেটে আসবেন। তারা জন্য দ্বিতীয় তলায় বসেই অপেক্ষার প্রহন গনা শুরু। এরই ফাঁকে বাড়ির দক্ষিণের জানালা দিয়ে তাকাতেই মনে হল যেন, প্রকৃতর রূপ এতো অপরূপ হয়!

জলাধার- তারপর বৃক্ষরাজির সারি। দূর থেকে দেখলে মনে হয় বৃক্ষ আর জলরাশির এক অপরূপ মেলা বসেছে! এদিকে দোতলায় বসার জন্য সুন্দর ও পরিপাটি রূপে সাজানো রয়েছে সোফা। দেয়ালে দেয়ালে চিত্রকর্মের ওয়ালম্যাট টাঙানো রয়েছে। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে কথা হলো শাকিবের সঙ্গে জানালেন, ‘মূলত বাড়িটির লোকেশনের কারণেই এটি কেনা হয়েছে। বাড়ির চারপাশের পরিবেশও বেশ সুন্দর। আরও জমি কেনার চেষ্টা চলছে। এছাড়া বাড়িটি আরও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।’
সূত্র : প্রিয়.কম
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন