Tuesday, May 10, 2016

সাইমন-আলিশা’র ‘অজান্তে ভালোবাসা’



প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: অনেকটা চুপিসারেই মুক্তি পেল এজে রানা পরিচালিত ‘অজান্তে ভালোবাসা’। সাইমন সাদিক ও আলিশা প্রধান অভিনীত এ ছবিটি আগামী সপ্তাহে বড় পরিসরে মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক। এজে রানা জানিয়েছেন প্রায় ৫০টি হলে আগামী সপ্তাহে মুক্তি পাবে ছবিটি।

চুপিসারে ছবি মুক্তি দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এ জে রানা বলেন, ‘আসলে ছবিটির দর্শক রিপোর্ট দেখার জন্যই আমরা দুয়েকটি হলে আগেভাগে মুক্তি দিয়েছি। ছবির রিপোর্ট যদি খারাপ হতো তাহলে চবির কিছু দৃশ্য পুনরায় শুট করতাম। যেহেতু ছবির রিপোর্ট ভালো সেহেতু আগামী সপ্তাহেই বড় পরিসরে ছবিটি মুক্তি দিব।’

২০১৪ সালে শুটিং শুরু হওয়া এ ছবিটির  চিত্রনাট্য লিখেছেন কমল সরকার। প্রযোজনা করেছে সূর্য চলচ্চিত্র।


তথ্যসূত্র: প্রিয়.কম
Share:

সহজে ওজন কমানোর পদ্ধতি

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: যেহেতু ওজন বৃদ্ধি-মেদ বা ভুঁড়ি প্রভৃতি সমস্যা সৃষ্টি করে সেহেতু আগে থেকেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। প্রথমেই ওজন বাড়ার কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং ধীরে ধীরে তা প্রতিরোধ করুন। সাধারনত খদ্যঅভ্যাস অপ্রতুর কায়িক পরিশ্রম কিংবা অসুখই এর প্রধান কারণ।

অতিরিক্ত ওজন কমানোর সহজ উপায় হলো সঠিক ও পরিমিত খাদ্য গ্রহণ এবং প্রচুর কায়িক পরিশ্রম ও ব্যায়াম করা। যারা কায়িক শ্রম বেশি করেন তাদের ব্যায়েমের প্রয়োজন নেই।

নিয়মিত হাঁটা খুব ভাল ব্যায়াম। প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে হাঁটতে পারেন, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, ত্রিকোন আসন উস্থান আসন, প্রভৃতি ওজন কমানোর জন্য খুবই উপকারী।

চর্বি জাতীয় খাবার যেমন মাখন, তেল, গরু বা খাসির মাংস বাটার প্রভৃতি থেকে দূরে থাকতে হবে। শরীরের জন্য এগুলো প্রয়োজন রয়েছে কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে যার কম বেশি হলে সমস্যার দেখা দেয়। এজন্য অনেক সময় দেখা যায় ওজন কমাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেকে। এজন্য প্রয়োজন খাদ্য গ্রহণ পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া। প্রচুর পরিমানে শাক-সবজি ও ফলমূল খাবেন এবং বেশি বেশি পানি পান করবেন। একবারে বেশি খাবেন না একটু পর পর অল্প অল্প করে খাবেন। ক্ষুধা লাগলে শশা বা ফল খেয়ে নেবেন। কারণ শশা ও টকফল ওজন হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

* সকালে দুধ ছাড়া চা বা কফি, দুটো আটার রুটি, একবাটি সবজি সিদ্ধ, ১ বাটি শশা। শশা ওজন কমাতে জাদুর মতো কাজ করে।

* দুপুরে ৫০-৭০ গ্রাম চালের ভাত। মাছ বা মুরগির ঝোল ১ বাটি। এক বাটি সবজি ও শাক, শশার সালাদ, এক বাটি ডাল এবং ২৫০ গ্রাম টক দই।

* বিকালে দুধ ছাড়া চা বা কফি, মুড়ি বা বিস্কুট ২টা।

* রাতে আটার রুটি তিনটা, একবাটি সবুজ তরকারি, একবাটি টকদই দিয়ে এক বাটি সালাদ এবং মাখন তোলা দুধ।

দৈনিক এক গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করলে দেহে প্রোটিনের অভাব থাকে না। ৬০ কিলোগ্রাম ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তির খাদ্য ৬০ গ্রাম প্রোটিন হলেই ভাল হয়। প্রতিমাসে একদিন ওজন মাপতে হবে, লক্ষ্য রাখতে হবে ওজন বাড়ার হার কম না বেশি। ওজন বৃদ্ধি অসুখের লক্ষণ। মেদ বা ভুঁড়ি এদের অতিরিক্ত ওজন কোনটাই স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। বরং নানা অসুখের কারণ হয়ে দেখা দেয় একথা সব সময় মনে রাখবেন এবং স্বাস্থ্য সচেতন হবেন।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়
Share:

পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারীতে অর্ধশতাধিক বাংলাদেশির নাম প্রকাশ


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: বিশ্বের ২১টি অঞ্চলের তিন লাখের বেশি অফশোর কোম্পানির তথ্যের একটি ডেটা বেইস সোমবার প্রকাশ করেছে দি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট (আইসিআইজে)। তাদের তথ্য অনুযায়ী অর্থ পাচার করতে কিংবা কর ফাঁকি দিতে আইনের ফাঁক-ফোঁকর খুঁজেছেন এসব ব্যক্তি। আইসিআইজে বলছে, জনস্বার্থে এই তালিকা প্রকাশ করেছে তারা।

আইসিআইজের প্রকাশ করা ডেটা বেইসে প্রায় অর্ধশতাধিক বাংলাদেশির নাম রয়েছে। তালিকায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাফরউল্যাহ ও নীলুফারের নাম এসেছে।

জাফরউল্যাহ ও নীলুফারকে ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ডে নিবন্ধিত পাথফাইন্ডার ফিন্যান্স এবং হ্যানসিটিক লিমিটেডের পরিচালক বা অংশীদার হিসেবে দেখানো হয়েছে। এছাড়া নাম এসেছে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরীর, যিনি আগে গ্রামীণফোনেও কাজ করেছেন। আরও আছেন আইজিডাব্লিউ অপারেটর সেল টেলিকমের কফিল এইচ এস মুয়ীদ, এক্সেসটেলের মালিক জাইন ওমর, কিউবির অংশীদার আফজালুর রহমান, টেকনোমিডিয়ার মালিক সরকার জীবন কুমার, বাংলাট্রাকের মালিক আমিনুল হক, তার ছেলে নাজিম আসাদুল হক, তারিক একরামুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের শ্যালক ও সিটিসেলের সাবেক চেয়ারম্যান আজমাত মঈন, আব্দুল মোনেম গ্রুপের এ এস এম মহিউদ্দিন মোনেম এবং আসমা মোনেম।

বিশেষভাবে পরিচিত নয় এমন বাংলাদেশি ব্যক্তি হিসেবে নাম এসেছে যাদের তারা হলেন, দিলীপ কুমার মোদি, মল্লিক সুধীর, কাজী রায়হান জাফর, মো. ইউসুফ রায়হান রেজা, মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী, বেনজির আহমেদ, ইসরাক আহমেদ, ফরহাদ গনি মোহাম্মদ, মো. আবুল বাশার, নিজাম এম সেলিম, মোহাম্মদ মোকসেদুল ইসলাম, মো. মোতাজ্জারুল ইসলাম, মো. মোতাজ্জারুল ইসলাম, মো. সেলিমুজ্জামান, সৈয়দ সেরাজুল হক, এফ এম জুবাইদুল হক,ক্যাপ্টেন এম এম জাউল, মোহাম্মদ শহীদ মাসুদ, খাজা শাহাদত উল্লাহ, মোহাম্মদ ফয়সাল করিম খান, মোহাম্মদ শহীদ মাসুদ, জুলফিকার হায়দার, মির্জা এম ইয়াহিয়া, মো. নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, এফ এম জুবাইদুল হক, এ এফ এম রহমাতুল বারী, খাজা শাহাদাত উল্লাহ, নোভা চৌধুরী, সৈয়দা সামিনা মির্জা, উম্মে রুবানা, বিলকিস ফাতিমা এবং সালমা হক।

গত মাসে পানামার ল’ ফার্ম মোস্যাক ফনসেকার বিপুল সংখ্যক নথি ফাঁস হয়। এরপর বিশ্বজুড়ে তা তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়।

তথ্যসূত্র: নতুনসময়
Share:

Monday, May 9, 2016

আশিস নেহরার মুখে এবার মুস্তাফিজের প্রশংসা

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: বাংলাদেশের বোলিং পোস্টারবয় মুস্তাফিজুর রহমানে বুঁদ হয়ে আছে যেন পুরো আইপিএল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে ধুমকেতুর মতো আভির্ভূত মুস্তাফিজুর আইপিএলেও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে দ্যুতি ছড়াতে থাকায় সাবেক-বর্তমান গ্রেটরা তাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে চলেছেন।

রোববার (৮ মে) বিশাখাপত্তমে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিংয়ের পর বোলিং তাণ্ডব চালিয়ে ৮৫ রানের বিশাল জয় তুলে নেয় সানরাইজার্স। দুরন্ত বোলিংয়ের জন্য আশিস নেহরা ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলেও খোদ নেহরার মুখেই লেগেছিল মুস্তাফিজুর রহমানের নাম।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার নিতে যাওয়ার পর ধারাভাষ্যকার যখন নেহরার কাছে ‘বুড়ো বয়সেও’ দারুণ বোলিংয়ের রহস্য জানতে চাইলেন তখন তিনি বললেন নিজের পরিশ্রমের কথা। একইসঙ্গে বললেন তিনি মুস্তাফিজুরের কাছ থেকেই বল গ্রিপ করা শিখছেন। ভারতের অন্যতম এ সেরা পেসার বলছিলেন, ‘ট্রায়িং, ট্রায়িং...মনে হচ্ছে আমি পারছি...!’

ম্যাচে সানরাইজার্সের বোলিং চলাকালে পুরো কমেন্ট্রি বক্সে যেন আলোচনার অনেকখানি দখলে রেখেছিলেন মুস্তাফিজুর। তার বোলিং দেখে খোদ ভারতীয় গ্রেট রবি শাস্ত্রীই প্রশংসা করতে করতে যেন ক্লান্ত হয়ে পড়ছিলেন, একসময় শেষ করতে চাইলেন এই বলে, ‘আমার যতো প্রশংসাবাণী আছে, সব সে পাচ্ছে (হি হ্যাজ গট অল মাই ওয়ার্ডস)।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দু’দুবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি বারবার বলছিলেন, এই মুস্তাফিজুর রহমান পুরো ক্রিকেটের জন্যই দারুণ এক আবিষ্কার। বাংলাদেশ তাকে পেয়েছে।

এর আগে ৬ মার্চ গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে ম্যাচেও স্যামি প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানকে। তিনি সেদিন বলেন, মুস্তাফিজুর একটা আবিষ্কার। আমি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলেছি। আপনি ওর সাধারণ বল আর কাটার বলের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন না।

কমেন্ট্রি বক্সে শাস্ত্রী-ড্যারেন স্যামিরা যখন মুস্তাফিজে বুঁদ হয়ে তাকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছিলেন, তখন মাঠের বাইরেও মুস্তাফিজকে নিয়েই চলছিল আলোচনা। বোলিংয়ে প্রথমেই আঘাত হেনে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দেওয়া আশিস নেহরা, ভুবনেশ্বর কুমার, স্রান, হেনরিকরা যখন বল করে চলছিলেন ১৩ ওভার পর্যন্ত, তখন মুস্তাফিজকে আক্রমণে আনতে না দেখে ইএসপিএনের নিরুপ নামে এক পাঠক বলতে থাকেন, ‘এটা ওয়ার্নারের দুরন্ত ক্যাপটেন্সি। এমনিতেই নেহরা-ভুবনেশ্বরদের চাপে মুম্বাইয়ের দশা বেহাল, এরপর তুরুপের তাস মুস্তাফিজকে স্টকে রেখে ক্যাপ্টেন প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের এই মনস্তাত্ত্বিক চাপ দিচ্ছেন যে, মুস্তাফিজের ৪টি ওভার কিন্তু রয়ে গেছে হে।’

এ নিয়ে ফেসবুকে এক ক্রিকেটপ্রেমী বলেন, ‘পিস্তল দিয়ে কাজ হলে ব্যারাক থেকে মেশিনগান বের করার কী দরকার?

মুস্তাফিজ আক্রমণে না আসার পরও মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ের রুগ্নদশা দেখে অভিষেক নামে ক্রিকইনফোর আরেক পাঠক মজা করে বলতে থাকেন, ‘সানরাইজার্সের দরকার এখন ফিজকে (মুস্তাফিজের আদুরে ডাকনাম) বোলিংয়ে এনে উইকেট তুলে নেওয়া। খেল এখানেই খতম করে দেওয়া উচিত।’

খেলার পুরোভাগজুড়ে আলোচনার মধ্যমনি হয়ে থাকা মুস্তাফিজ ম্যাচ শেষে টিমের সংবাদ সম্মেলনেও ভাসলেন প্রশংসার জোয়ারে। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছিলেন শিখর ধাওয়ান। তিনি বলেন, মুস্তাফিজ একজন গ্রেট বোলার। তার ক্রিকেট জ্ঞান অসাধারণ।

এই ‘অসাধারণ’ ক্রিকেটপ্রতিভা তার ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারের শেষ বলে যখন নিজের তৃতীয় (ম্যাকগ্লেনাঘানের) উইকেট তুলে নিলেন, তখন সানরাইজার্সের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করা হয়, ‘আ রে এই ছেলেকে তো থামানো যাচ্ছে না!’

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

বিদেশীদের কাছেও পাত্তা পাচ্ছে না বিএনপি

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: কূটনৈতিক কোরের নিষ্ক্রিয়তার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে বিএনপির বিদেশনীতি। আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগও অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে বিদেশিদের কাছে দিন দিন গুরুত্ব হারাতে বসছে দলটি।

ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি মিশন, দূতাবাস বা হাইকমিশনের কর্তাব্যক্তি তো বটেই, বাংলাদেশ সফরে আসা বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান এমনকি মন্ত্রীরাও সাক্ষাৎ করছেন না দেশের অন্যতম বৃহৎ দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে।

সর্বশেষ কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী জাবের আল মুবারক-আল হামাদ-আল সাবাহ ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল বাংলাদেশ সফর করেন। সৌজন্যতার ‘খাতিরে’ও বিএনপি প্রধানের সঙ্গে দেখা করেননি তারা।

তবে এর দায় নিতে রাজি নন বিএনপির কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা। তারা বলছেন, বিদেশি ডেলিগেটদের পেছনে পেছনে ঘুরে সৌজন্য বৈঠকের ব্যবস্থা করা তাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না।

বিষয়টি নিয়ে দলটির কূটনৈতিক কোরের সদস্য রিয়াজ রহমান, ড. আব্দুল মঈন খান, ড. এম ওসমান ফারুককে মোবাইল ফোন কল দিলে তা রিসিভি করেননি তারা।

তবে কূটনৈতিক কোরের আরেক সদস্য সাবিহ উদ্দীন আহমেদ রোববার (০৮ মে) বাংলানিউজকে বলেন, কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী জাবের আল মুবারক-আল হামাদ-আল সাবাহ ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালকে জিজ্ঞেস করুন, কেন তারা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করলেন না। আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন?

সূত্রমতে, বিএনপির কূটনৈতিক কোরের নিষ্ক্রিয়তা, যোগাযোগ ও সমন্বয়হীনতার কারণে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর ঢাকা সফরও ঝুলে আছে।

দশম জাতীয় সংসদ (০৫ জানুয়ারি ২০১৪) নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এই অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর মধ্যস্ততায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি এক টেবিলে বসে।

সে সময় আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মৌখক প্রতিশ্রুতি মেলে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করলেও দ্রুত আরেকটি নির্বাচনের আয়োজন করবে তারা।

কিন্তু অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোকে বাংলাদেশ সফরে এনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আরেকটি বৈঠক ও দ্রুত নির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কাজটিও করতে পারছে না বিএনপি।

কারো কারো মতে, কূটনৈতিক কোরের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে বিদেশি ডেলিগেট আনতে পারেনি বিএনপি। কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুই জন ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই জন ডেলিগেট বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে যোগ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপির কূটনৈতিক কোরের দায়িত্বে যারা আছেন তাদের ‘নাক উচো’ ভাবই আন্তর্জাতিক মহলের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে বিএনপিকে।

অভিযোগ রয়েছে, বিদেশি মিশনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, কোনো সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের বাংলাদেশ সফরের আগে সে দেশের পররাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করার কাজটি মোটের উপর করতে চান না কূটনৈতিক কোরের সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ও ড. ওসমান ফারুক।

দলের বেশিরভাগ নেতা মনে করেন, অতীতে এই জায়গায় দায়িত্বপালন করা শমসের মবিন চৌধুরী দল ত্যাগ করার পরই আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গুরুত্ব হারায় বিএনপি।

অভিজ্ঞ এই কূটনীতিকের জোর প্রচেষ্টার ফলেই অতীতে বাংলাদেশ সফরে আসা সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা সিডিউল এবং প্রটোকলের বাইরে গিয়েও সরকার এমনকি সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

এছাড়া দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে খালেদা জিয়ার বাসায় গিয়ে বৈঠক করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালও।

কিন্তু এরপর দুইদফা বাংলাদেশ সফরে এলেও ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রভাবশালীমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি।

বিএনপির ‘পরমবন্ধু’ মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিধর দেশ কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী জাবের আল মুবারক-আল হামাদ-আল সাবাহ সম্প্রতি বাংলাদেশে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেননি।

সন্ত্রাস দমনে যৌথভাবে কাজ করার মিশন নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসা এসব বিশ্বনেতা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা না করার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ আছে কিনা? জানতে চাইলে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন বিএনপির কূটনৈতিক কোরের অন্যতম সদস্য সাবিহ উদ্দিন আহমেদ।

বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ‘একটা সৌজন্য বৈঠকের (কার্টিসি কলঅন) জন্য আমি কী তাদের পেছনে পেছনে ঘুরবো?’

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

কোরআনের পবিত্রতা রক্ষা করুন

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: বেশ কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন ছাপা পত্রিকায় পবিত্র কোরআনে কারিমের আয়াত হুবহু আরবিতে ও বাংলা অক্ষরে ছাপা হচ্ছে। এমনকি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চের পেছনে কালেমা ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, আল্লাহতায়ালার গুণবাচক বিভিন্ন নাম কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখা সম্বলিত ব্যানার লাগানো হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রচারপত্র, হ্যান্ডবিল, বিয়ের কার্ড, পোস্টার, পাঠ্যবই ও ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বইয়েও পবিত্র কোরআনের আয়াত লিপিবদ্ধ হচ্ছে ও আছে। প্রয়োজন ফুরালে কিংবা বছর শেষে এসব বিক্রি করে দেওয়া হয় দোকানদারদের কাছে। ওরা ওই কিতাব বা পাঠ্যবই ছিঁড়ে মালপত্র বাঁধার কাজে ব্যবহার করে, ঠোঙা বানায়। ব্যবহার শেষে কাগজখানা যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়। এমনকি পবিত্র কোরআনের আয়াত লিখিত প্রচুর কাগজ রাস্তা-ঘাট ও আবর্জনার স্তূপ থেকে শুরু করে নাপাক জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এটা এখন অনেকটা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এতে পবিত্র কোরআনের আয়াতের অমর্যাদা হচ্ছে। এ জন্য আল্লাহতায়ালার দরবারে নিশ্চয়ই জবাব দিতে হবে।

পবিত্র কোরআনের আয়াত লিখিত ছেঁড়া কাগজ কবরস্থানে বা পবিত্র স্থানে ‘দাফন’ করার হুকুম রয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলা, মানুষকে জানানো ও সতর্ক করার জন্য মসজিদের ইমাম-খতিবদের প্রতি বিশেষ নিবেদন রইল। সেই সঙ্গে মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের প্রধানদেরও বিষয়টি নিয়ে নিজ নিজ মহলে সচেতনতা সৃষ্টির আহবান রইল।

দেশের গণমাধ্যমের প্রতি নিবেদন, আলোচ্য বিষয়ে জনগণকে জানিয়ে গোনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকতে সহযোগিতা করা। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়কেও এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে এসে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মনে রাখতে হবে, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম কোরআন শরিফের স্বতন্ত্র একটি আয়াত। এর মর্যাদা ও সম্মানের প্রতি খেয়াল রাখা জরুরি। এর হুকুম কোরআনের অন্যান্য আয়াতের মতোই। তাই অজু ছাড়া তা স্পর্শ করা যাবে না। বিসমিল্লাহ লিখিত কাগজ কোনো অসম্মানের স্থানে ব্যবহার করাও জায়েয নয়। তাই দাওয়াতনামা, পোস্টার ও ব্যানার, যা নির্ধারিত সময়ের পর কোনো প্রয়োজন না থাকার দরুণ পথে-ঘাটে ও নর্দমায় পড়ে থাকার আশঙ্কা থাকে এমনকি অনেক সময় পদপিষ্ট হয়। এসব ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম কিংবা কোরআনের অন্য আয়াত লেখা থেকে বিরত থাকা উচিত।  চাই তা আরবিতে লেখা হোক বা বাংলা উচ্চারণে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

Sunday, May 8, 2016

যে কারণে মহাসচিব হওয়ার পর অফিসে বসতে পারছেন না মির্জা ফখরুল

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স:  নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে বসতে পারছেন না বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ‘ভারপ্রাপ্ত’ থেকে গত ৩০ মার্চ ‘পূর্ণাঙ্গ’ মহাসচিব হওয়ার পর এ পর্যন্ত মাত্র ৯ দিন কার্যালয়ে বসেছেন তিনি। কার্যালয়ে থাকতে পারেন না বলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীদের অনেক সময় ফখরুলের সঙ্গে দেখা না করেই ফিরে যেতে হয়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, মির্জা ফখরুল ৮৪টি মামলায় লড়ছেন। এসব মামলায় হাজিরা, বারবার কারাগারে যাওয়া ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তার কার্যালয়ে বসা হয়ে উঠছে না। তাছাড়া, দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তার নিজের বাসাও অনেক দূরে হওয়ায় চাইলেও অনেক সময়  নয়াপল্টনে পৌঁছাতে পারেন না। যে কারণে তিনি মহাসচিব হওয়ার পরও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত ঘটছে।

মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে ২০১১ সালের মার্চ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন ফখরুল। ওই বছরের ১৬ মার্চ দলের সেসময়কার মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করলে ২০ মার্চ সৌদি আরব সফরে যাওয়ার প্রাক্কালে ফখরুলকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

সে দায়িত্বে ‘নিষ্ঠার’ পরিচয় দিয়ে মহাসচিব হওয়ার পর ফখরুলের নিয়মিত অফিস করতে না পারা প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান বাংলানিউজকে বলেন, ৮৪টি মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিতেই তার পুরো মাস চলে যায়। গ্রেফতার করে বারবার রিমান্ডে নেওয়ার কারণে সুস্থ মানুষটিকে শারীরিক সমস্যায়ও পড়তে হচ্ছে মাঝেমধ্যে। দীর্ঘসময় জেলখানায় থেকে অনিয়মের কারণে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে এই প্রবীণ নেতাকে। আর এসব কারণে দলীয় কার্যালয়ে আসতে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সময় দিতে তাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন মামুন বলেন, অসংখ্য মামলায় তাকে মাসের অধিকাংশ সময় কোর্ট-কাচারিতেই থাকতে হয়। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও তিনি নিয়মিত অফিসে আসতে পারছেন না। এতে দলের কার্যক্রম কিছুটা হলেও বিঘ্নিত হয়।

মামুনের দাবি, বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত করতেই সরকার ফখরুলের বিরুদ্ধে এতো মামলা করেছে।

ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী বলেন, রাজনীতিতে একজন পরিচ্ছন্ন নেতা মির্জা ফখরুল। দুঃসময়ে বিএনপির হাল ছাড়েননি এই নেতা। এ কারণেই সরকার তার বিরুদ্ধে প্রায় শতাধিক মামলা করেছে। এই মামলার হাজিরা দিতে দিতেই তাকে দিনের অধিকাংশ সময় আদালত চত্বরে থাকতে হয়। ঠিক সময় তিনি খেতেও পারেন না। এ কারণে চাইলেও অনেক সময় অফিসে আসতে পারেন না।

তবে তিনি দলের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী।

পল্টন থানা ছাত্রদল নেতা রহিম বলেন, মির্জা ফখরুল একজন সুশিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন নেতা। তাকে মামলা দিয়ে আর বারবার জেলে নিয়ে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে সরকার। দিনের পর দিন আদালতে হাজিরা ফেলে তাকে বিধ্বস্ত করছে। তারপরও এই নেতা বিএনপি ও দলের নেতাকর্মীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও কল রিসিভ করেননি মির্জা ফখরুল।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Share:

কিভাবে জানবেন কে কে দেখল আপনার ফেসবুক প্রোফাইল?

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স: আপনার ফেসবুক প্রোফাইল কে দেখল, তা কি বের করতে চান? কিংবা কয়জন আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুঁ মারল বা সর্বশেষ আপলোড করা ছবিটি কারা দেখল, সেটি জানতে চান? ফেসবুক লাইক, শেয়ার, ইমোশন, মন্তব্য দেখার সুযোগ দেয়, কিন্তু কারা প্রোফাইল দেখে গেল, সেটি জানার সুযোগ দেয় না। কিছু কিছু অ্যাপ ব্যবহার করে অনেকে সেটি বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু অ্যাপের সে ফল ঠিকঠাক হয় না। সহজ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করলেই জেনে যাবেন আপনার ফেসবুক প্রোফাইল কে দেখল সে বিষয়টি।
এ জন্য আপনাকে যা করতে হবে:

১. আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

আপনার টাইমলাইনে গিয়ে রাইট ক্লিক করে ‘ভিউ পেজ সোর্স’ নির্বাচন করুন।
২. আপনার টাইমলাইনে গিয়ে রাইট ক্লিক করে ‘ভিউ পেজ সোর্স’ নির্বাচন করুন।

আপনি পুরো কোডভর্তি একটি পেজ পাবেন। বিভ্রান্ত হবেন না। এখান থেকেই কি-বোর্ডে কন্ট্রোল প্লাস এফ বাটন চাপুন। একটি সার্চ অপশন আসবে।
৩. আপনি পুরো কোডভর্তি একটি পেজ পাবেন। বিভ্রান্ত হবেন না। এখান থেকেই কি-বোর্ডে কন্ট্রোল প্লাস এফ বাটন চাপুন। একটি সার্চ অপশন আসবে।
৪. সার্চ অপশন বক্সে ‘InitialChatFriendsList’ টাইপ করুন।
৫. এর পাশে নম্বরের একটি তালিকা পাবেন। আপনার টাইমলাইনে যাঁরা এসেছে তাঁদের ‘আইডি’র তালিকা পাবেন।
৬. ওই ব্যক্তি আপনার প্রোফাইল এসেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনি ‘facebook.com’ সাইটে যান এবং ফেসবুক ডটকমের পাশে স্ল্যাশ চিহ্ন দিয়ে আইডি পেস্ট করে দিন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি আইডি নম্বর হয় 100001825159730, তবে আপনি লিখবেন facebook.com/100001825159730
৭. মনে রাখতে হবে, প্রথম যে আইডিটি রয়েছে, সেটি আপনার প্রোফাইলে ঘন ঘন আসে আর যে আইডি সবার শেষে, সেটি কখনো ভুল করে হয়তো আপনার আইডিতে এসেছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো/জি নিউজ
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন