Saturday, May 21, 2016

চট্টগ্রামে আঘাত হানলো ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’


প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা: চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু।  এর ফলে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়ায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।  চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা, সন্দ্বীপ উপেজেলার নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

শনিবার (২১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার কিছুক্ষণ পরে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে।  এসময় ঘূর্ণিঝড়ের একটানা গতিবেগ ছিল ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। 

একই গতিবেগে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু বর্তমানে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করে উত্তর-পূর্বদিকে মায়ানমারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন নগরীর পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা আতিকুর রহমান।

এদিকে রোয়ানুর প্রভাবে চট্টগ্রাম নগরীসহ আশপাশের এলাকাজুড়ে প্রচণ্ড বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।  একইসঙ্গে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতও হচ্ছে।

ঝড়ো হাওয়ায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সামনে তিনটি গাছ রাস্তার উপর ভেঙে পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম নগরীর ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর জামাল হোসেন।

জোয়ারের পানিতে নগরীর মধ্যম হালিশহর, পতেঙ্গার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর জেসমিনা খানম।

পতেঙ্গায় বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।

এদিকে বাঁশখালী, আনোয়ারা ও সন্দ্বীপ উপজেলায় প্রচণ্ড জোয়ারে বেড়িবাঁধ উপচে পানি ঢুকে গেছে লোকালয়ে।  বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

দুপুরেই পরই আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা :
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ উপকূলের দিকে আরো এগিয়েছে। এটি শনিবার দুপুর নাগাদ বরিশাল-চট্রগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘন্টায় ৬২ কি.মি. যা দমকা অথবা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাসহ সারাদেশে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

শনিবার (২১ মে) সকাল ৬টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন ১৭-তে এ তথ্য জানানো হয়।

এই বুলেটিনে আরো বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ২৫৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিম, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড বাতাস বইছে, সঙ্গে হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত।ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৭ নম্বর বিপদ সংকেত বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে জানানো হয়, উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর জেলা সমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারি থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘন্টায় ৬২-৮৮ কি.মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এদিকে শুক্রবার দুপুর থেকেই মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া শুরু হয়েছে। ১৮টি জেলার ৩ হাজার ৮৫১টি আশ্রয়কেন্দ্রে এসব মানুষকে আনা হয়। তাদের থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছেন ঘুর্ণিঝড় প্রস্তুতি কমিটির (সিপিপি) ৫৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। মাঠে থাকবেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রোভার স্কাউট ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ ও সচিব মো. শাহ কামালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে ১৮ জেলার প্রায় সাড়ে ২১ লাখ মানুষকে। বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীন রুটের নৌ চলাচল। ঘূর্নিঝড়টির প্রভাবে গত দু’দিন ধরে দেশের সব অঞ্চলেই বৃষ্টি হয়েছে, যা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি মোকাবেলায় ৫৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

রোয়ানুর প্রভাবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ)। সংস্থাটির পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মফিজুর রহমান জানান, খারাপ আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার বিকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় চট্টগ্রামে ৪৭৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোজবাহ উদ্দিন।  দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে চট্টগ্রামে ২৪২টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সাথে ঘূর্ণীঝড় পরবর্তী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধস ঠেকাতে ইতোমধ্যে মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী শনিবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলামেইল২৪ডটকম
Share:

Friday, May 20, 2016

৭ নং বিপদ সংকেত, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাসিন্দাদের

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স:

ঢাকা:
ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র প্রেক্ষিতে সতর্ক সংকেত বাড়ানোর ফলে চার জেলার উপকূলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল।



শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৭, কক্সবাজারে ৬ এবং মংলা নমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলে।

দুর্যোগ সচিব বাংলানিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার উপকূলের লোকজনকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।

এছাড়া কক্সবাবাজার উপকূলের লোকজনদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সতর্কতা বাড়লে তাদের যে কোনো সময় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে।

উপকূলের লোকজনকে সরিয়ে নিতে স্থানীয় দুর্যোগ কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, সাগরে অবস্থানরত  সকল মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ না দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বিশেষ বুলেটিনে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর জেলা ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের মধ্যে আসবে বলে জানানো হয়।

কক্সবাজার ও আশেপাশের এলাকায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মংলা সমুদ্রবন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত ছাড়াও এর আশেপাশের ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা অঞ্চল পড়বে।

রোয়ানুর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ও আশেপাশের দ্বীফ ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আসতে পারে।

এছাড়া অতিক্রমকালে কক্সাবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি বেগে দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীল সমুদ্রে অবস্থানরত সকল মাছ ধরা নৌকা ট্রলারকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়।  

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ঘর্ণিঝড়, ক্রমেই উপকূলে এগিয়ে আসছে। আগের দিন দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে থাকলেও এখন হাজার কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে।

সর্বশেষ বেলা ১২টা নাগাদ ঘুর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৬৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৪৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিম, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৭৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিম ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮১০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

সতর্কতা সংকেত ২ থেকে ৪ এবং সর্বশেষ ৭, ৬ ও ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

৭ নম্বর বিপদ সংকেতের অর্থ বন্দরে ছোট বা মাঝারী তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে নিপতিত।

ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি। ঝড়টি বন্দরকে উপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নম্বরের অর্থ, বন্দর ছোট বা মাঝারী তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে নিপতিত। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিক রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

আর ৫ নম্বর বিপদ সংকেতের অর্থ, বন্দর ছোট বা মাঝারী তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে নিপতি।
ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিমি। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিক রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

Thursday, May 19, 2016

‘জঙ্গিদের সাথে সরকারের হুবহু মিল রয়েছে’

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স:

ঢাকা:
জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে বর্তমান সরকারের আচরণেরই হুবহু মিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহীর শালবাগান এলাকায় নিহত অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পরিবারকে সমবেদনা জানানো শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক রেজাউল হত্যার প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত ও জনদৃষ্টিকে ঝাঁপসা করানোর জন্যে নয়, প্রকৃত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

রিজভী বলেন, এ সরকারে সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠীর অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। জঙ্গিরা যেমন যে মতাদর্শে বিশ্বাস করে, তাছাড়া অন্য মতাদর্শকে বরদাস্ত করে না, তাদের হত্যা করে, রক্তপাত ঘটায়। বর্তমান সরকার তেমনি একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছে, গণতন্ত্রের ন্যূনতম নিয়মকে মান্য করে না, সরকারের সমালোচনা সহ্য করে না, বিরোধী সহ্য করতে পারে না। বিচারবর্হিভূত হত্যা, গুপ্ত হত্যা, গুম ও খুনই হচ্ছে এই সরকারের শাসন পরিচালনার অন্যতম শর্ত।

বিএনপির এ বলেন, আজকে যে জঙ্গিদের কথা বলা হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে এরা একের পর এক মানবতাবিরোধী, সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিরোধী জঘণ্য প্রাণ বিনাশী কর্মকাণ্ড করছে। অথচ প্রশাসনের লোকজন তাদের খুঁজে বের করতে পারেনি।

বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, সরকার নিজেদের বেশি সেক্যুলার দাবি করে, ধর্মনিরপক্ষ দাবি করে কিন্তু এদের সময় সবচেয়ে বেশি ধর্মের ওপর আঘাত দেওয়া হচ্ছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক প্রসঙ্গে বিএনরি কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, চারজন শিক্ষক খুন হলেন, অথচ এই সরকার এখন পর্যন্ত এর বিচারে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এর জন্য কারা দায়ী, কীভাবে শিক্ষকদের একের পর এক জীবন চলে যাচ্ছে-এটা বের করতে সরকার উদাসহীন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজ চারদিকে দেশ নৈরাজ্য ও অন্ধকারে নিপতিত হয়েছে। এখানে চারদিকে হত্যা এবং রক্তপাত-এটাই এ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রকম পরিস্থিতির মধ্যে কারো কোনো নিরাপত্তা নেই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহীর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন শওকত, নিহত অধ্যাপক রেজাউল করিমের স্ত্রী হোসনে আরা, মেয়ে রিজওয়ান হাসিন শতভিসহ অন্যরা।

প্রসঙ্গত, ২৩ এপ্রিল সকালে শালবাগান এলাকায় নিজ বাড়ির অদূরে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেজাউল করিমকে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

প্লে-অফ নিশ্চিতের ম্যাচে আজ মাঠে নামছে সাকিবের কলকাতা

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
আইপিএলের ৫১তম ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও গুজরাট লায়ন্স। আসরের প্লে-অফ নিশ্চিতের জন্য এ ম্যাচটি দু’দলের জন্যই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

কানপুরের এ ম্যাচের আগে দু’দলই ১২ খেলায় ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। তবে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় পয়েন্ট টেবিলের তিন অবস্থান করছে কলকাতা। আর পাঁচে রয়েছে গুজরাট।

এ ম্যাচের নামার আগে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কলকাতার কপালে। কারণ ইনজুরির কারণে গম্ভির-সাকিবরা পাচ্ছেন না সতীর্থ অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলকে। কিন্তু ম্যাচে দলটির একান্ত কাম্য জয়।

অন্যদিকে টুর্নামেন্টে দারুণ শুরু করা গুজরাট মধ্যপথে এসে পথ হারিয়ে ফেলেছে। শেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে সুরেশ রায়নার দল চারটিতেই হেরেছে। কিন্তু দলটিতে রয়েছে বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনার।

সম্ভাব্য একাদশঃ
গুজরাট লায়ন্সঃ ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম, ডোয়েন স্মিথ, সুরেশ রায়না (অধিনায়ক), দিনেশ কার্তিক (উইকেটরক্ষক), অ্যারন ফিঞ্চ, ডোয়েন ব্রাভো, রবীন্দ্র জাদেজা, প্রভিন কুমার, কুলকার্নি, কৌশিক, প্রভিন তাম্বে।

কলকাতা নাইট রাইডার্সঃ রবিন উথাপ্পা (উইকেটরক্ষক), গৌতম গম্ভির (অধিনায়ক), মানিশ পান্ডে, ইউসুফ পাঠান, সাকিব আল হাসান, উমেশ যাদব, জেসন হোল্ডার, পিযুষ চাওলা , সুনিল নারিন, অঙ্কিত রাজপূত, মরনে মরকেল।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

আলোচিত শিক্ষক শ্যামল কান্তিকে স্বপদে বহাল

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা: নারায়ণগঞ্জে লাঞ্ছিত প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তিকে স্বপদে বহাল রেখে স্কুল পরিচালনা কমিটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন তিনি একথা জানান। 

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষকদের অপমান বরদাস্ত করা হবে না।  এটা জাতির জন্য অপমানজনক।

সম্মেলনে শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মহাসচির ফাহিমা খাতুন বক্তব্য রাখেন। 

শিক্ষামন্ত্রী সম্মেলনে  শিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটন‍ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) তদন্ত প্রতিবেদন পড়ে শোনান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শ্যামল কান্তিকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বিষয়ে প্রাথমিক ভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

Tuesday, May 17, 2016

বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা:
নতুন করে ভাবিয়ে তোলা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বজ্রপাতের পূর্বাভাস ছয় ঘণ্টা আগে আবহাওয়ার তথ্যে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

এছাড়া ‘১০৯৪১’ নম্বরে কল করে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বজ্রপাতের তথ্য পাওয়া যাবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জানান, গত ১২ ও ১৩ মে বজ্রপাতে দেশের ২৬ জেলায় ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। কালবৈশাখী ঝড়ে মারা গেছেন আরও ৫ জন।

সাম্প্রতিক সময়ে বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানির মধ্যে মঙ্গলবার (১৭ মে) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী।
 
সংবাদ সম্মেলনে বজ্রপাত থেকে রক্ষায় বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় জনসাধারণের জন্য পরামর্শ দিয়েছে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে মোবাইল টাওয়ার এবং ধাতব দণ্ড থেকে দূরে থাকার পরামর্শও আসে। মোবাইল টাওয়ারের কারণে বেশি বেশি বজ্রপাত ঘটছে- বিশেষজ্ঞদের এমন মতামতের ওপর ভিত্তি করে সে বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

সারাবিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়েছে এবং বজ্রপাতের ঘটনা ঘটছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে গেছি, সারা বাংলার মানুষ আতঙ্কিত হয়েছে, সরকারকে ভাবিয়ে তুলেছে।’

বজ্রপাতে নিহতদের পরিবারকে ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বিতরণের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা করা হয়েছে। এছাড়া আহতদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ সহায়তা দেওয়া হয় বলে জানান মন্ত্রী।

গত বছরের ২৭ আগস্ট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে বলে জানান সচিব শাহ কামাল। সেই বার ১৭ জন প্রাণ হারান বলে জানান সচিব শাহ কামাল।

গত ১৫ ও ১৬ মে মন্ত্রণালয়ে দুই দফা সভায় বজ্রপাতের সময় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ মত পাওয়া যায় বলে জানান মন্ত্রী।

বজ্রপাতে করণীয়:
বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রপাত হবে কিনা- তা ৬ ঘণ্টা আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানা যায় উল্লেখ করে সচিব নিয়মিত আবহাওয়া তথ্য শোনার পরামর্শ দেন সচিব শাহ কামাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, স্থপতি ও বিশেষজ্ঞদের বজ্রপাত নিয়ে বেশকিছু পরামর্শও এসেছে।

১. আকাশে ঘন কালো মেঘ দেখা দিলে বজ্রপাতের আশঙ্কা তৈরি হয়। ৩০-৪৫ মিনিট বজ্রপাত স্থায়ী হয়, এ সময়ে ঘরে অবস্থান করাই শ্রেয়।

২. ঘনকালো মেঘ দেখা দিলে খুব প্রয়োজন হলে রাবারের জুতা পরে বাইরে যাওয়া যেতে পারে।

৩. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, খোলা মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।

৪. এ সময়ে ধানক্ষেত বা খোলা মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি হাঁটু গেড়ে, কানে আঙ্গুল দিয়ে, মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।

৫. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। টিনের চালা যথা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

৬. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক তার বা ধাতব খুঁটি, মোবাইল টাওয়ার থেকে দূরে থাকুন।

৭. বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতর অবস্থান করলে গাড়ির ধাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

৮. বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না।

৯. বাড়ির জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।

১০. মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ল্যান্ডফোন, টিভি, ফ্রিজসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এবং এগুলো বন্ধ রাখুন।
১১. এ সময়ে ধাতব হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে প্লাস্টিকের অথবা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করতে পারেন।

১২. খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত থাকুন।

১৩. বজ্রপাতের সময় ছাউনি বিহীন নৌকায় মাছ ধরতে যাবেন না, তবে এ সময় নদীতে থাকলে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।

১৪. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ি রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।

১৫. প্রতিটি ভবনে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Share:

ড. রেজাউল হত্যায় জেএমবি জড়িত: আরএমপি কমিশনার

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম ডেক্স

ঢাকা: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শামসুদ্দিন। ছবি: সাজিদ হোসেন রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মো. শামসুদ্দিন বলেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে হত্যায় চারজন ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তাঁরা সবাই জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার মাসকাওয়াত হাসান সাকিব ওরফে আবদুল্লাহ (২৩) আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে এসব জানিয়েছেন বলে আরএমপি কমিশনার দাবি করেন।|
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আরএমপি কমিশনার মো. শামসুদ্দিন এসব কথা বলেন।


সংবাদ সম্মেলনে আরএমপি কমিশনার বলেন, গত রোববার বগুড়া থেকে মাসকাওয়াতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকেলে রাজশাহীর ২ নম্বর মহানগর হাকিম আদালতে অধ্যাপক রেজাউল হত্যা মামলায় তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে মাসকাওয়াথ বলেন, চারজন হত্যার জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তিনজন সরাসরি হত্যায় অংশ নেন। আরেকজন মোটরসাইকেলে ছিলেন। অধ্যাপককে হত্যার পর দুজন মোটরসাইকেলে এবং দুজন অন্যভাবে পালিয়ে যান। হত্যাকাণ্ডের পর তাঁরা রাজশাহীর খরখড়ি এলাকায় আশ্রয় নেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পুলিশ ওই আশ্রয়দাতাদের তিনজনকে আটক করেছে। তাঁদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। ওই তিনজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আবেদন করা হবে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।

আরএমপি কমিশনার বলেন, মাসকাওয়াদের বাড়ি বগুড়ায়। তিনি রংপুর পলিটেকনিক থেকে পাস করেছেন। কেন অধ্যাপককে হত্যা করা হয়েছে—এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদে মাসকাওয়াথ বলেছেন, কারণটা তাঁরা জানেন না। ওপর থেকে নির্দেশ পেয়ে তাঁরা হত্যা করেছেন।

গত ২৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে সাতটার দিকে রাজশাহীর শালবাগান এলাকায় নিজ বাসার সামনে অধ্যাপক রেজাউলকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে নগরের বোয়ালিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন