Saturday, October 29, 2016

নষ্ট মেমরি ঠিক করার উপায়!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মেমরি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটার মধ্যে আপনি রাখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ সব ডাটা। এছাড়াও জীবনের সৃত্মি চিহ্নিত কিছু ছবি আমরা আমদের মোবাইলের মেমরি কার্ডের মধ্যেই রাখি। তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হয়ে যায়। ফলে আপনি পরেন মহাবিপাকে। অবশেষে আপনার প্রয়োজনীয় কিছু ডকুমেন্ট হারিয়ে আপনি হতাশায় ভোগেন। নানান ভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা বাহ্যিকভাবে নষ্ট মেমরি কার্ডকে ঠিক করা কঠিন। তারপও আধুনিক কম্পউটারের যুগে সবই সম্ভব।

এবার আপনাদের জানাবো কিভাবে নষ্ট মেররি কার্ড ঠিক করবেন।

ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে:
মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না। এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকেরিকভারি সফটওয়্যার মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারে।

আর এ জন্য যা করতে হবে আপনাকে:

প্রথমে কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run asadministratorনির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড

প্রম্পট চালু হলে এখানেchkdskmr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।

কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।

এখানেconvertlostchainsto filesবার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদিinvalid filesystemদেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করেFormat-এ ক্লিক করুন।File systemথেকেFATনির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না। (সূত্র: ইন্টারনেট)
Share:

A দিয়ে শুরু নামের ব্যক্তিরা কেমন হয়?

নিউজ ডেস্ক: জ্যোতিষীরা মানুষের হাত দেখে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত বলে দেয়। তবে মানুষের নামের প্রথম অক্ষর দেখে জানা যায় সেই মানুষটির আচার-আচরণসহ অনেক কিছুই। চলুন জেনে নেওয়া যাক, যাঁদের নাম ইংরেজী বর্ণমালার প্রথম লেটারটি দিয়ে শুরু, তাঁরা কেমন মানুষ?

১) A বোঝায় চরিত্রের দৃঢ়তা। নিজের বিচার বুদ্ধির উপর এঁরা বরাবর ভরসা করেন।

২) A দিয়ে যাঁদের নাম শুরু তাঁরা সাহসী হন।

৩) যে কোনও কাজে এঁদের প্রচণ্ড উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়। এঁরা উদ্যমী চরিত্রের।

৪) জীবনকে উপভোগ করে বাঁচতে ভালোবাসেন।

৫) এঁরা সহজে কারুর উপর নির্ভরশীল হন না, নির্ভরশীল হতে পছন্দ করেন না।

তবে, A দিয়ে যাঁদের নাম শুরু, তাঁদের সবই তাই বলে ভালো নয়!

১) নামে যদি একের বেশি A থাকে, সেক্ষেত্রে স্বার্থপরতা লক্ষ্য করা যায়।

২) ওরে বাব্বা! এঁরা নাকি সন্দেহবাতিক হন। বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড A দিয়ে হলে কিন্তু সাবধান।

৩) এঁরা একটু জেদী, একগুঁয়ে ও একবগ্গা প্রকৃতির হন। (সূত্র: ইন্টারনেট)
Share:

জোর করে খাওয়াতে গিয়ে শিশুকে মেরে ফেললেন বাবা

প্রতীকী ছবি
ইংল্যান্ডের ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, নিজের শিশুকে জোর করে খাওয়াতে গিয়ে হত্যা করেছেন তিনি।

নর্থ ওয়েস্ট লন্ডনের বাসিন্দা এই মানুষটির বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন ও হত্যার মামলা আদালতে তোলা হয়েছে। সরকারি কৌঁসুলিরা আদালতে জানান, এই পিতার অভ্যাস ছিল, তিন বছরের শিশুপুত্রকে নিজের কোলের উপর শুইয়ে খাওয়ানো। মূলত দুধ, পাউরুটি, উইটবিক্স এবং ওট মিশ্রিত একটি খাবার খাওয়ানো হতো শিশুটিকে।

শিশুটি অনেক সময়েই খেতে চাইত না সেই খাবার। সেক্ষেত্রে জোর করেই তার মুখে খাবার গুঁজে দিতেন বাবা। অনেক সময়েই বাচ্চাটির নাকেও খাবার ঢুকে যেত এবং পুরো মুখে লেগে যেত খাবার। শিশুটি কান্নাকাটি করলেও তেমনভাবে ভ্রূক্ষেপ করতেন না। সেইভাবেই জোর করে খাওয়াতে গিয়ে কয়েক দিন আগে ঘটে যায় দুর্ঘটনা।

খাওয়ানোর সময় হঠাৎই নিথর হয়ে যায় শিশুটি। তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সরকারি কৌঁসুলিদের বক্তব্য, ভদ্রলোক নিজের সন্তানের প্রতি অমানবিকতা ও উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছেন। তার কড়া শাস্তিরও দাবি উঠেছে। আপাতত মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। যে ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে তাতে ওই ব্যক্তির অপরাধ যদি প্রমাণিত হয় তাহলে জেলে যেতে হবে তাকে
Share:

Monday, October 24, 2016

বরের বয়স ১২ বছর কনের ১১!

ডেস্ক নিউজ : বরের বয়স ১২ আর কনের ১১। মিসরের রাজধানী কায়রো থেকে ৭৫ মাইল দূরে ধুমধাম অনুষ্ঠানে বিয়ে হয়ে গেল তাঁদের দু’জনের। আর বিয়ের ছবিটি সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়াতেই শুরু হয় বিতর্ক।

জানা যায়, নাসের হাসান নামে এক মিসরীয় ব্যবসায়ীর বড় ছেলের বিয়ে দিতে আয়োজন করেছিলেন বিশাল অনুষ্ঠানের। শুধু বড় ছেলের বিয়ে দিয়েই যেন মন ভরেনি নাসেরের। তাই ঠিক করলেন, এক পার্টিতেই ছোট ছেলে ওমরের বিয়েটাও সেরে পেলবেন। কিন্তু ছোট ছেলের বয়স মাত্র ১২!

কী আর করা। এদিকে ১১ বছরের পাত্রীও রাজি। সেই বিয়ের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেতেই সমস্যার যতো সৃষ্টি। কারণ, মিশরের আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নীচে বিয়ে অপরাধ। কিন্তু আইনের প্রতি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিয়ের বিষয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাল নাসেরকে। সংবাদ মাধ্যম এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, এই ঘটনার মধ্য অন্যায়ের তেমন কিছু দেখছি না। বর-কনে দুজন দুজনকে খুব ভালবাসে। ছোট বেলাতেই তাই বিয়েটা সেরে রাখা হল। বড় হলে যাতে ছেলে বা মেয়ে কেউ অন্য কাউকে বিয়ে করতে না চায়। এখন দেখার বিষয় মিসরের আইন কী বলে?

Share:

Thursday, October 13, 2016

নাঙ্গলকোটের কৈরাশ গ্রামে অজ্ঞাত ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন দেহ ও মাথা উদ্ধার



কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে  জোড্ডা ইউনিয়নের  কৈরাশ গ্রামের স্থানীয় একটি পুকুরে পাওয়া গেল অজ্ঞাত যুবকের লাশ  স্থানীয় জনগন জানায় আজ সকাল বেলায় পুকুরের ঘাটে প্রথমে দেখা যায় মাথাটি পরবর্তিতে পুকুরের পাড়ে ক্ষেতে আইলে পাওয়া যায় বিচ্ছিন্ন দেহটি স্থানীয় জনগন ধারনা করছে ও এলাকার নুরুল হকের ছেলে সিপাত(১৮) এ নিয়ে এলাকার জনগনের মাজে বেশ উত্তেজনা কাজ করছে।ছেলেটির মা ও ভাই এসে বলছে আজ চার পাঁচদিন নিখোঁজ।আরো জানায় বন্দুর সাথে বাজারে যায়। তারপর আর কোনো সন্ধান মেলেনি সিপাতের এ নিয়ে তার বন্ধু জানায় বাজারে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর বন্ধুর কাছ থেকে আলাদা হয়ে যায়।তারপর তার বন্ধু বাড়িতে চলে আসে।পুলিশ আসার অপেক্ষায় এখনো লাশের মাথা তোলা হয়নি।
Share:

ফরিদার বোনকে বিয়ে করেছে ৭ আইএস জঙ্গি!

ঘটনা ১: ফরিদার (নাম পরিবর্তিত) বোন যখন সবে ১৬ বছরে পা দিয়েছে, ওরা তখনই তাকে তুলে নিয়ে যায়। ফরিদার বোন খুব সুন্দরী। তাই তাকে সাত-সাত জনের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও সিরিয়াতেই রয়েছে ফরিদার বোন। তাকে প্রত্যেক রাতে সাত-সাতটি ‘স্বামী’র শয্যাসঙ্গী হতে হয়। কোনও কোনও রাতে একই সঙ্গে তাকে শয্যাসঙ্গী হতে হয় তিন বা চারটি ‘স্বামী’র। ফরিদার বোনের ইচ্ছে-অনিচ্ছের ওপর কিছুই নির্ভর করে না। তার সাত ‘স্বামী’র যখন যেখানে যেমন ইচ্ছে হবে, ফরিদার বোনকে তখনই সেখানে সেই ‘দাবি’ তেমন ভাবেই মেটাতে হবে। হবেই। ফরিদার কপাল একটু ভাল। সে ওই রোজ রাতের অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেয়ে সবে ঘরে ফিরতে পেরেছে। তবে ফরিদার অভিজ্ঞতার ঝুলি ভরে একেবারে উপচে গিয়েছে! ফরিদা চোখের সামনে দেখেছে, একটা লোক পর পর চারটি মেয়েকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করল। একটি মেয়েকে পর পর দু’বার ধর্ষণ করল আধ ঘণ্টার মধ্যেই! আর একটি মেয়েকে ধর্ষণ করল তার ঘুম ভাঙিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে। ফরিদা দেখেছে, মায়ের বুকের দুধ খাওয়া শিশুটিকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে ওই মেয়েটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল একটি লোক। তার পর আরও তিনটি লোক ঝাঁপিয়ে পড়ল ওই মেয়েটির ওপর। ফরিদার কথায়, ‘‘মেয়েটিকে ছিঁড়ে ওরা (আইএস জঙ্গি) ফালাফালা করে দিল।’’

ঘটনা ২: ফরিদার নিজের গল্পটাও কম মর্মান্তিক নয়। ফরিদাও দেখতে বেশ চটকদার ছিল। গায়ের রং ফেটে পড়ছে। যেমন চোখ, তেমনই তার ‘ক্লিভেজ’। ফরিদাকে এ সবের ‘খেসারত’ দিতে হয়েছে নির্মম ভাবে। ফরিদাকে বিয়ে করতে হয়েছিল পাঁচ জনকে। আইএসের পাঁচ জঙ্গিকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়েছিল ফরিদাকে। ফরিদার কথায়, ‘‘একেক জন আমাকে কিনেছে। আমাকে নিয়ে যতটা পারে, ফুর্তি করেছে। রাতের পর রাত। আমাকে দিনেও ঘুমোতে দেয়নি ওদের প্রয়োজন মেটাতে। তার পর আমাকে অন্য আরেক জনের কাছে বেচে দিয়েছে। আমার প্রথম ‘স্বামী’র এক বন্ধুর আমাকে দেখে ভাল লেগে গেল। সে আমাকে কিনে নিয়ে গিয়ে আমাকে নিয়ে ক’দিন ধরে খুব ফুর্তি করল। তার পর শখ ফুরোলে আমাকে তার আরেক বন্ধুর কাছে বেচে দিল। এই ভাবে পাঁচ জন আমাকে কিনেছে, চার জন বেচেছে। আমার পাঁচ-পাঁচটা ভাইকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ওরা কুপিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। কিরকুকে আমার বাড়ি ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। যে ভাবে আমার ভাইদের ওরা খুন করেছে একের পর এক, আমার বাড়ি তছনছ করেছে, তা আমি ১০০ বছরেও ভুলতে পারব না। আমি এখনও কাঁদি ওদের কথা ভেবে। আমার স্বামী এখনও বেঁচে রয়েছে। কিন্তু, তার কাছে মুখ দেখাব কী করে? আমি তো আর কখনওই সুখী করতে পারব না আমার আদত স্বামীকে!

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
Share:

Tuesday, September 27, 2016

বিএনপি নেতা হান্নান শাহ মারা গেছেন

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম নিউজ ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আ স ম হান্নান শাহ সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বিগত জরুরি অবস্থার সময়ে পাশে থাকায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা হান্নান শাহ ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আস্থাভাজনদের একজন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, সিঙ্গাপুরের র‌্যাফেলস হার্ট সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন হান্নান শাহ। মঙ্গলবার ভোরে সেখানেই তার মৃত‌্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

শায়রুল কবির বলেন, “স্যারের ছোট ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান টেলিফোনে কাঁদতে কাঁদতে আমাদের খবরটা দেন।”

বিএনপি নেতারা জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর মহাখালী ডিওএইচএস এর বাসা থেকে আদালতে হাজিরা দিতে বের হওয়ার সময় হান্নান শাহ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে কয়েক দিন রাখার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে ১১ সেপ্টেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে তার হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচারও (এনজিওপ্লাষ্ট) করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা হান্নান শাহ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিসেবে অবসরে যাওয়ার পর বিএনপিতে সক্রিয় হন।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করলে হান্নান শাহকে পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন খালেদা জিয়া।

হান্নান শাহের মৃত্যুতে পৃথক বার্তায় শোক প্রকাশ করে তার বিদাহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তারা শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সিঙ্গাপুরে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বুধবারই হান্নান শাহর মরদেহ দেশে আনা হবে।

হান্নান শাহ তার স্ত্রী নাহিদ হান্নান, মেয়ে শারমিন হান্নান ‍সুমি এবং দুই ছেলে শাহ রেজাউল হান্নান ও শাহ রিয়াজুল হান্নানকে রেখে গেছেন।
Share:

Saturday, September 24, 2016

কামড় দিয়ে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী!

নিউজ ডেস্ক: অল্পতেই রেগে গেলেন স্ত্রী। স্বামী তাকে বাপের বাড়ি যেতে দেননি। আর সে কারণেই স্বামীকে কামড়ে হত্যা করল স্ত্রী! ভারতের উত্তরপ্রদেশের এই স্বামী হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। 

উত্তরপ্রদেশের এতোয়া জেলার বাসিন্দা অরবিন্দ তার স্ত্রী গোমতী, দুই সন্তান এবং মা গুলাবিকে নিয়ে এক সাথে থাকতেন। পরিবারে সবই ঠিক ছিল। কিন্তু গোমতী নিজের বাপের বাড়ি যেতে চাইলে- সেই কথায় রাজি হননি অরবিন্দ। আর বেড়াতে যেতে না পেরে বেশ রেগে গেলেন গোমতী। রাগের বশে প্রথমে ঝগড়া, পরে ধাক্কাধাক্কি এবং শেষ পর্যায় স্বামীর গলা, কাঁধ এবং পেটে কামড়ে দেয় সে। আর স্ত্রীর কামড়ে ঘোরতর জখম হয়ে মৃত্যু হয় অরবিন্দের।

অরবিন্দের মা গুলাবি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বেড়াতে যাওয়াকে কেন্দ্র করেই অরবিন্দ এবং গোমতীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। অরবিন্দ এবং গোমতী ঘরের দরজা বন্ধ করেই ঝগড়া করতে থাকে। প্রতিবেশীরা কিংবা আমি তাদের মধ্যে গেয়ে সমস্যা মেটাতে পারেননি। এরপর আমি লোকজন  ডেকে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখি। গুরুতর আহত অবস্থায় অরবিন্দকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। 

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তপাতের ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পরেই নিজের সন্তানদের নিয়ে পালিয়েছে গোমতী। তার সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। স্বামীকে হত্যা করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা হয়েছে। সূত্র: এবেলা

প্রথম আলো টোয়েন্টিফোর.কম/এসএস/
Share:

AD

Popular Posts

আগামীকালের ইফতার সময়

AD

Blog Archive

Definition List

Support

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে

Name

Email *

Message *

বিজ্ঞাপন